বিশ্ব চরাচর খোদার সৃষ্টি, আর তার সবটুকুই মানব কল্যাণে দত্ত! খোদা মানুষ সৃষ্টি করেছেন স্বীয় প্রতিনিধি হিসেবে। মানুষকে তিনি অত্যন্ত মর্যাদাশালী অবস্থানে উন্নিত করেছেন, যার প্রমাণ হলো, তিনি ফেরেস্তাকুলকে আদেশ দিলেন, তারা যেন আদম (আ.)কে সেজদা দান করেন।
সকল ফেরেস্তা খোদার বাধ্যতা মেনে নিলেও সরদার ফেরেস্তা বিদ্রোহ করলো, ফলে, ঘটলো তার পতন; আর সেই ক্রোধে আদমের পিছনে লেগে গেল; আদমকুলের সর্বনাশ না করা পর্যন্ত লেগে রইল স্বীয় ব্রতে স্থির। খোদা নিজে মহব্বত, সর্বপ্রকার ঐশি গুন ও পূণ্যের উৎস, তিনি মানুষের ক্ষতি সাধন করার জন্য তাদের সৃষ্টি করেন নি। মানুষ হলো তাঁর যোগ্য প্রতিনিধি। মানুষ দেখে তার খোদা দর্শনের মনোবাসনা হবে পরিপূর্ণ। যেমন বেগুনাহ মসিহ হলেন বাতেনি আল্লাহপাকের হুবহু প্রকাশ। যেকেউ মসিহকে অবলোকন করার সুযোগ পেয়েছে, সে-ই হতে পেরেছে তৃপ্ত; পূর্ণতা পেয়েছে তার খোদা দর্শনের চাহিদা। খোদার প্রেম ও পবিত্রতা মসিহের জীবনাচরনের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে সম্পূর্ণভাবে। তিনি কাউকে খুন করা তো দূরে থাক, কারো প্রতি বিরক্ত হয়ে কটু বাক্য পর্যন্ত উচ্চারণ করেন নি। মানুষকে ভালবেসে তাদের মুক্তপাপ ও স্বাধীন করার জন্য তথা খোদার সাথে মিলন করিয়ে দেবার খাতিরে নিজের প্রাণের দামে গুনাহগারদের পাপের প্রায়শ্চিত্তা শোধ দিয়েছেন মর্মবিদারক সলিবে। প্রেমের তাগিদে এর চেয়ে বড় ত্যাগ আর কি হতে পারে!
মসিহের সাথে আর কোনো মানুষের তুলনা চলে না, চলতে পারে না; সকলে পাপ করেছে এবং খোদার মর্যাদা নষ্ট করেছে। আদম থেকে শুরু করে সকলেই চরমভাবে স্খলিত। মানুষ হত্যা করা নাকি খোদার সেবা এমন ফতোয়া অদ্যাবধি চালু রেখেছে কতিপয় ধর্মান্ধ ব্যক্তিবর্গ। আসলে মানুষ যদিও খোদার প্রতিনিধি, কিন্তু সে প্রাণিকুলের অন্যতম সদস্যও বটে। আর দশটা প্রাণির মতো মানুষেরও রয়েছে ক্ষুৎপিপাসা, শারীরিক কামনা-বাসনা তথা যৌন আবেদন। তবে খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তি জানতে পেরেছে, তারা ঐশি প্রাধিকার বাস্তবায়নে আদিষ্ট, আর্শিবাদপুষ্ট, ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
যেমন, যেকোনো বীজের মধ্যে উক্ত জাতের বৃক্ষ লুকিয়ে থাকে, কথায় বলে ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুর অন্তরে, তবে তাকে চাই যথাযথ পরিচর্যা দান করা। বীজটিকে বছরের পর বছর ছিকোয়ে তুলে রাখলে অথবা বস্তাবন্দি করে রাখা হলে উক্ত বীজের জীবন অচিরেই মারা যেতে বাধ্য। কথায় বলে আধারে জন্ম আধারে বিলীন।
আজ আমাদের মুক্ত আলোয় বেরিয়ে আসতে হবে। আল্লাহ হলেন নূর আর ইবলিস হলো জুলমত, অর্থাৎ আল্লাহ হলেন আলোর প্রতিক আর ইবলিস হলো অন্ধকারের প্রতিক। মসিহ বলেছেন তাঁর আগমন মানুষকে জীবন দান করার জন্য, আর অভিশপ্ত ইবলিস হলো খুন রাহাজানি করার জন্য ব্রতী। যারা খোদার সাথে যুক্ত তারা মানুষের কল্যাণ সাধনে থাকে সদা ব্যস্ত, আর অভিশপ্ত ইবলিস হলো ধ্বংস করার জন্য ব্যস্ত।
জগতে যতো প্রকার মানববিধ্বংসি কর্মকান্ড ইতোপূর্বে ঘটেছে এবং বর্তমানে ঘটে চলছে তার পুরোটাই ইবলিসের প্ররোচনায় হয়ে চলছে ঘটিত।
মানুষের রক্তক্ষরণ ঘটে ইবলিসের হাতে, তাই যার হাতে রয়েছে মানুষের রক্তের চিহ্ন সে অবশ্যই ইবলিসের কর্তৃত্বাধীন, আর মানুষের কল্যাণ সাধনে যে থাকে নিবেদিত সে তো পরিষ্কার পাকরূহের হাতে হচ্ছেন নিবেদিত ও পরিচালিত।
মতবাদ যতই সুন্দর হোক না কেন, বীজ যতই উন্নত জাতের হোক, বাস্তবায়নকল্পে চাই কর্ষণ-রোপন-সৃজন। বীজের ক্ষেত্রে মাটি যেমন যোগ্য ক্ষেত্র, একইভাবে মানব হৃদয় তদ্রæপ ঐশি কালাম বপনের যোগ্য ক্ষেত্র। খোদার কালাম শুনিলেই চলবে না, তদনুযায়ী জীবনে প্রয়োগ করে জীবনটাকে বদলে নিতে হয়। মানুষের জন্ম হয়েছে অন্ধকারে। তাকে আলোর রাজ্যে বেরিয়ে আসতে হবে। খোদা যেমন দুনিয়ার নূর, তদ্রæপ মসিহ হলেন একইভাবে দুনিয়ার নূর। যারাই মসিহের সাথে যুক্ত হয়েছেন তারাই পরিণত হয়েছে নূরের সন্তান হিসেবে। তাদেরকে ডাকা হয় নূরুল আলম, তারাই আজ আলোর মশাল বইয়ে চলছে দিকে দিকে, তাদের দ্বারাই মানব কল্যাণ সাধিত হচ্ছে পূর্ণাঙ্গরূপে। নূরের উপর কোনো আবরণ থাকতে পারে না। যেমন প্রকৃত আগুন ঢেকে রাখা সম্ভব নয়, সকল প্রকার আবরণ পুড়ে আগুন অবশ্যই নিজের অবস্থান ঘোষণা দিবে।
আজ আমাদের চিনে নিতে হবে; আলোর সন্তান আর অন্ধকারের কুশিলবদের।
যার দ্বারা মানব কল্যাণ হয় সাধিত তাঁকে অবশ্যই প্রণাম জানাতে হবে, আর যে কিনা মানুষের ক্ষতি সাধনে ব্যস্ত, তার জন্য মাবুদের কাছে নিয়ত ফরিয়াদ জানাতে হবে যেন উক্ত হারানো সন্তান সত্য সুন্দর নূরের পথে ফিরে আসতে পারে।
সকল ফেরেস্তা খোদার বাধ্যতা মেনে নিলেও সরদার ফেরেস্তা বিদ্রোহ করলো, ফলে, ঘটলো তার পতন; আর সেই ক্রোধে আদমের পিছনে লেগে গেল; আদমকুলের সর্বনাশ না করা পর্যন্ত লেগে রইল স্বীয় ব্রতে স্থির। খোদা নিজে মহব্বত, সর্বপ্রকার ঐশি গুন ও পূণ্যের উৎস, তিনি মানুষের ক্ষতি সাধন করার জন্য তাদের সৃষ্টি করেন নি। মানুষ হলো তাঁর যোগ্য প্রতিনিধি। মানুষ দেখে তার খোদা দর্শনের মনোবাসনা হবে পরিপূর্ণ। যেমন বেগুনাহ মসিহ হলেন বাতেনি আল্লাহপাকের হুবহু প্রকাশ। যেকেউ মসিহকে অবলোকন করার সুযোগ পেয়েছে, সে-ই হতে পেরেছে তৃপ্ত; পূর্ণতা পেয়েছে তার খোদা দর্শনের চাহিদা। খোদার প্রেম ও পবিত্রতা মসিহের জীবনাচরনের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে সম্পূর্ণভাবে। তিনি কাউকে খুন করা তো দূরে থাক, কারো প্রতি বিরক্ত হয়ে কটু বাক্য পর্যন্ত উচ্চারণ করেন নি। মানুষকে ভালবেসে তাদের মুক্তপাপ ও স্বাধীন করার জন্য তথা খোদার সাথে মিলন করিয়ে দেবার খাতিরে নিজের প্রাণের দামে গুনাহগারদের পাপের প্রায়শ্চিত্তা শোধ দিয়েছেন মর্মবিদারক সলিবে। প্রেমের তাগিদে এর চেয়ে বড় ত্যাগ আর কি হতে পারে!
মসিহের সাথে আর কোনো মানুষের তুলনা চলে না, চলতে পারে না; সকলে পাপ করেছে এবং খোদার মর্যাদা নষ্ট করেছে। আদম থেকে শুরু করে সকলেই চরমভাবে স্খলিত। মানুষ হত্যা করা নাকি খোদার সেবা এমন ফতোয়া অদ্যাবধি চালু রেখেছে কতিপয় ধর্মান্ধ ব্যক্তিবর্গ। আসলে মানুষ যদিও খোদার প্রতিনিধি, কিন্তু সে প্রাণিকুলের অন্যতম সদস্যও বটে। আর দশটা প্রাণির মতো মানুষেরও রয়েছে ক্ষুৎপিপাসা, শারীরিক কামনা-বাসনা তথা যৌন আবেদন। তবে খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তি জানতে পেরেছে, তারা ঐশি প্রাধিকার বাস্তবায়নে আদিষ্ট, আর্শিবাদপুষ্ট, ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
যেমন, যেকোনো বীজের মধ্যে উক্ত জাতের বৃক্ষ লুকিয়ে থাকে, কথায় বলে ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুর অন্তরে, তবে তাকে চাই যথাযথ পরিচর্যা দান করা। বীজটিকে বছরের পর বছর ছিকোয়ে তুলে রাখলে অথবা বস্তাবন্দি করে রাখা হলে উক্ত বীজের জীবন অচিরেই মারা যেতে বাধ্য। কথায় বলে আধারে জন্ম আধারে বিলীন।
আজ আমাদের মুক্ত আলোয় বেরিয়ে আসতে হবে। আল্লাহ হলেন নূর আর ইবলিস হলো জুলমত, অর্থাৎ আল্লাহ হলেন আলোর প্রতিক আর ইবলিস হলো অন্ধকারের প্রতিক। মসিহ বলেছেন তাঁর আগমন মানুষকে জীবন দান করার জন্য, আর অভিশপ্ত ইবলিস হলো খুন রাহাজানি করার জন্য ব্রতী। যারা খোদার সাথে যুক্ত তারা মানুষের কল্যাণ সাধনে থাকে সদা ব্যস্ত, আর অভিশপ্ত ইবলিস হলো ধ্বংস করার জন্য ব্যস্ত।
জগতে যতো প্রকার মানববিধ্বংসি কর্মকান্ড ইতোপূর্বে ঘটেছে এবং বর্তমানে ঘটে চলছে তার পুরোটাই ইবলিসের প্ররোচনায় হয়ে চলছে ঘটিত।
মানুষের রক্তক্ষরণ ঘটে ইবলিসের হাতে, তাই যার হাতে রয়েছে মানুষের রক্তের চিহ্ন সে অবশ্যই ইবলিসের কর্তৃত্বাধীন, আর মানুষের কল্যাণ সাধনে যে থাকে নিবেদিত সে তো পরিষ্কার পাকরূহের হাতে হচ্ছেন নিবেদিত ও পরিচালিত।
মতবাদ যতই সুন্দর হোক না কেন, বীজ যতই উন্নত জাতের হোক, বাস্তবায়নকল্পে চাই কর্ষণ-রোপন-সৃজন। বীজের ক্ষেত্রে মাটি যেমন যোগ্য ক্ষেত্র, একইভাবে মানব হৃদয় তদ্রæপ ঐশি কালাম বপনের যোগ্য ক্ষেত্র। খোদার কালাম শুনিলেই চলবে না, তদনুযায়ী জীবনে প্রয়োগ করে জীবনটাকে বদলে নিতে হয়। মানুষের জন্ম হয়েছে অন্ধকারে। তাকে আলোর রাজ্যে বেরিয়ে আসতে হবে। খোদা যেমন দুনিয়ার নূর, তদ্রæপ মসিহ হলেন একইভাবে দুনিয়ার নূর। যারাই মসিহের সাথে যুক্ত হয়েছেন তারাই পরিণত হয়েছে নূরের সন্তান হিসেবে। তাদেরকে ডাকা হয় নূরুল আলম, তারাই আজ আলোর মশাল বইয়ে চলছে দিকে দিকে, তাদের দ্বারাই মানব কল্যাণ সাধিত হচ্ছে পূর্ণাঙ্গরূপে। নূরের উপর কোনো আবরণ থাকতে পারে না। যেমন প্রকৃত আগুন ঢেকে রাখা সম্ভব নয়, সকল প্রকার আবরণ পুড়ে আগুন অবশ্যই নিজের অবস্থান ঘোষণা দিবে।
আজ আমাদের চিনে নিতে হবে; আলোর সন্তান আর অন্ধকারের কুশিলবদের।
যার দ্বারা মানব কল্যাণ হয় সাধিত তাঁকে অবশ্যই প্রণাম জানাতে হবে, আর যে কিনা মানুষের ক্ষতি সাধনে ব্যস্ত, তার জন্য মাবুদের কাছে নিয়ত ফরিয়াদ জানাতে হবে যেন উক্ত হারানো সন্তান সত্য সুন্দর নূরের পথে ফিরে আসতে পারে।

