এটা কতই না স্বাভাবিক, অন্ধকারের হৃদয় চিরে আলো জ্বলে উঠবে, আর খোদা নিজেও তেমন আজ্ঞা করলেন, যখন তিনি অবলোকন করলেন ঘুটঘুটে অন্ধকারের ঘনঘটা, অমনি বলে উঠলেন, আলো হোক আর সাথে সাথে আলো জ্বলে উঠলো, গোটা বিশ্ব আজ আলোয় আলোয় ঝলমল করছে।
আমি বলছি সেই দুনিয়ার আলোর কথা, যে আলো মানুষের হৃদয়ে পুঞ্জিভুত কালিমার ঘটায় অবসান, যা মিথ্যা শিক্ষার ফলে তীলে তীলে জমে ছিল, অশিক্ষা কুসংস্কারের আবর্তে কাল কাটাতে গিয়ে। অন্ধকার কুঠুরী যেমন থাকে ব্যবহারের অনুপযোগী, তদ্রুপ অশিক্ষা-কুশিক্ষার ধূম্রজালে চলতে গিয়ে মানুষগুলো মানবেতর জীবন-যাপন করতে অভ্যস্থ হয়ে পড়েছিল। ধর্মগ্রন্থের মধ্যে ঐশি নূরের প্রকাশ খুঁজে পাওয়া অসম্ভব বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কেবল মাংসিক ভোগ বিলাসের কেচ্ছা কাহিনী তথা পেশির শৃঙ্গার দিয়ে রাখা হয়েছে তা ভরপুর। উক্তগ্রন্থে এমন একটি কথা খুঁজে পাবার নয় যা সম্পূর্ণ নূর ও সত্যে পূর্ণ। ‘আল্লাহর রাজ্যে খাওয়া-দাওয়া বড় কথা নয়; বড় কথা হল পাক-রূহের মধ্য দিয়ে সৎ পথে চলা আর শান্তি ও আনন্দ’ (রোমীয় ১৪ ঃ ১৭)।
রুহানি বিষয় নিয়ে তিনিই ভাবতে পারেন যার জন্ম হয়েছে পাকরূহের মাধ্যমে, রক্ত-মাংসের গড়া ব্যক্তির কাছ থেকে তেমন প্রত্যাশা করা হবে কেবল বাতুলতা। তাছাড়া প্রথম মানুষ আদমের পতন তো হয়েছে পেশির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে, অর্থাৎ দেহের কামনা, চোখের লোভ আর সাংসারিক বিষয়ের প্রতি টান ও অহংকার। কালামপাকে তাই যথার্থ বর্ণীত রয়েছে, নূরে পূর্ণ মানুষের পতন ঘটে এই তিনটি ক্ষেত্রের কারণে। খোদা হলেন এক রুহানি সত্ত্বা, যিনি একদিকে পূতপবিত্র ন্যায়, সত্য সুন্দর, আর একদিকে রহমতের অফুরান দরিয়া। গোটা বিশ্বচরাচর কেবল মহব্বতের তাগিদে তিনি সৃষ্টি করেছেন।
যেহেতু তিনি বাতেনি শক্তি, বিমূর্ত সত্ত্বা, চাই তার প্রকাশ্য মূর্তমান প্রতিচ্ছবি, যোগ্য প্রতিনিধি। যদিও প্রথম মানুষ আদম ছিলেন খোদার যোগ্য প্রতিনিধি, কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, রুহের দিকে গুরুত্ব কম দিয়ে ইবলিসের পরামর্শ অনুযায়ী পেশির খোরাকের দিকে প্রধান্য দিলেন নিজের প্রতি অপঘাত ডেকে আনলেন, যার ফলে গোটা আদম জাতি আজ হয়ে গেল ইবলিসের হাতে অসহায় শিকার।
আজ মানুষ অন্ধকারে হাতড়ে বেড়াচ্ছে, খুঁজে ফিরছে মুক্তির উপায়, আদম (আ.) কেঁদেছেন অঝোর নয়নে, প্রত্যেকটি মানুষ একইভাবে নিয়ত কেঁদে কেটে অস্থির। সবচেয়ে নিকটতম জুটি ‘স্বামী-স্ত্রী’ এরা পর্যন্ত পরষ্পর থাকে পরষ্পরের প্রতি সন্দেহ প্রবন। মানুষ আজ কেউ কাওকে বিশ্বাস করতে পারছে না। নগর-জনপদ যেমন একদিকে গড়ে ওঠছে, আর একদিকে মাইনের আঘাতে অতর্কিতে মুহুর্তের মধ্যে হয়ে যাচ্ছে ধুলিস্মাত। নবী-রাসুলগণ পর্যন্ত পাইকারি হারে নিজেদের হাতে মানুষ জবাই করে হাত পাকিয়েছে। মজার বিষয় হলো, কোনো এক বিশেষ নবীর তরবারী ফেসবুকে শোভা বৃদ্ধি করছে। কতই না মজাদায়ক ধর্মপ্রতিষ্ঠা- তাও তরবারীঘাতে!
এ সকল আধারের বেড়াজাল থেকে অবশ্যই আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। আমাদের চাই নূরে পূর্ণ মানুষটিকে, যাকে খোদা প্রেরণ করেছেন এক বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। বলতে পারেন খোদার কালাম ও পাকরূহ মানুষের সুরতে বিশ্বে হলেন আবির্ভূত; কুমারি মরিয়মের জঠর থেকে। যিনি আদমের কলুষিত বীর্য স্পর্শ করেন নি। তিনি হলেন অদৃশ্য খোদার দৃশ্যমান রূপ, মানব মুক্তির একমাত্র পথ। মসিহের মাধ্যমে মানুষ পেল রুহানি সত্ত্বা, অধিকার পেল খোদার ক্রোড়ে বসার এক বিশেষ অধিকার।
আমি বলছি সেই দুনিয়ার আলোর কথা, যে আলো মানুষের হৃদয়ে পুঞ্জিভুত কালিমার ঘটায় অবসান, যা মিথ্যা শিক্ষার ফলে তীলে তীলে জমে ছিল, অশিক্ষা কুসংস্কারের আবর্তে কাল কাটাতে গিয়ে। অন্ধকার কুঠুরী যেমন থাকে ব্যবহারের অনুপযোগী, তদ্রুপ অশিক্ষা-কুশিক্ষার ধূম্রজালে চলতে গিয়ে মানুষগুলো মানবেতর জীবন-যাপন করতে অভ্যস্থ হয়ে পড়েছিল। ধর্মগ্রন্থের মধ্যে ঐশি নূরের প্রকাশ খুঁজে পাওয়া অসম্ভব বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কেবল মাংসিক ভোগ বিলাসের কেচ্ছা কাহিনী তথা পেশির শৃঙ্গার দিয়ে রাখা হয়েছে তা ভরপুর। উক্তগ্রন্থে এমন একটি কথা খুঁজে পাবার নয় যা সম্পূর্ণ নূর ও সত্যে পূর্ণ। ‘আল্লাহর রাজ্যে খাওয়া-দাওয়া বড় কথা নয়; বড় কথা হল পাক-রূহের মধ্য দিয়ে সৎ পথে চলা আর শান্তি ও আনন্দ’ (রোমীয় ১৪ ঃ ১৭)।
রুহানি বিষয় নিয়ে তিনিই ভাবতে পারেন যার জন্ম হয়েছে পাকরূহের মাধ্যমে, রক্ত-মাংসের গড়া ব্যক্তির কাছ থেকে তেমন প্রত্যাশা করা হবে কেবল বাতুলতা। তাছাড়া প্রথম মানুষ আদমের পতন তো হয়েছে পেশির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে, অর্থাৎ দেহের কামনা, চোখের লোভ আর সাংসারিক বিষয়ের প্রতি টান ও অহংকার। কালামপাকে তাই যথার্থ বর্ণীত রয়েছে, নূরে পূর্ণ মানুষের পতন ঘটে এই তিনটি ক্ষেত্রের কারণে। খোদা হলেন এক রুহানি সত্ত্বা, যিনি একদিকে পূতপবিত্র ন্যায়, সত্য সুন্দর, আর একদিকে রহমতের অফুরান দরিয়া। গোটা বিশ্বচরাচর কেবল মহব্বতের তাগিদে তিনি সৃষ্টি করেছেন।
যেহেতু তিনি বাতেনি শক্তি, বিমূর্ত সত্ত্বা, চাই তার প্রকাশ্য মূর্তমান প্রতিচ্ছবি, যোগ্য প্রতিনিধি। যদিও প্রথম মানুষ আদম ছিলেন খোদার যোগ্য প্রতিনিধি, কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, রুহের দিকে গুরুত্ব কম দিয়ে ইবলিসের পরামর্শ অনুযায়ী পেশির খোরাকের দিকে প্রধান্য দিলেন নিজের প্রতি অপঘাত ডেকে আনলেন, যার ফলে গোটা আদম জাতি আজ হয়ে গেল ইবলিসের হাতে অসহায় শিকার।
আজ মানুষ অন্ধকারে হাতড়ে বেড়াচ্ছে, খুঁজে ফিরছে মুক্তির উপায়, আদম (আ.) কেঁদেছেন অঝোর নয়নে, প্রত্যেকটি মানুষ একইভাবে নিয়ত কেঁদে কেটে অস্থির। সবচেয়ে নিকটতম জুটি ‘স্বামী-স্ত্রী’ এরা পর্যন্ত পরষ্পর থাকে পরষ্পরের প্রতি সন্দেহ প্রবন। মানুষ আজ কেউ কাওকে বিশ্বাস করতে পারছে না। নগর-জনপদ যেমন একদিকে গড়ে ওঠছে, আর একদিকে মাইনের আঘাতে অতর্কিতে মুহুর্তের মধ্যে হয়ে যাচ্ছে ধুলিস্মাত। নবী-রাসুলগণ পর্যন্ত পাইকারি হারে নিজেদের হাতে মানুষ জবাই করে হাত পাকিয়েছে। মজার বিষয় হলো, কোনো এক বিশেষ নবীর তরবারী ফেসবুকে শোভা বৃদ্ধি করছে। কতই না মজাদায়ক ধর্মপ্রতিষ্ঠা- তাও তরবারীঘাতে!
এ সকল আধারের বেড়াজাল থেকে অবশ্যই আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। আমাদের চাই নূরে পূর্ণ মানুষটিকে, যাকে খোদা প্রেরণ করেছেন এক বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। বলতে পারেন খোদার কালাম ও পাকরূহ মানুষের সুরতে বিশ্বে হলেন আবির্ভূত; কুমারি মরিয়মের জঠর থেকে। যিনি আদমের কলুষিত বীর্য স্পর্শ করেন নি। তিনি হলেন অদৃশ্য খোদার দৃশ্যমান রূপ, মানব মুক্তির একমাত্র পথ। মসিহের মাধ্যমে মানুষ পেল রুহানি সত্ত্বা, অধিকার পেল খোদার ক্রোড়ে বসার এক বিশেষ অধিকার।

