Sunday, May 31, 2026
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

আদালত থেকে বেরিয়েই বন্দুকের মুখে, দৌড়েও বাঁচতে পারলেন না

alorfoara by alorfoara
November 11, 2025
in ঢাকা, বাংলাদেশ, সংখ্যা ১৫০ (০৯-১১-২০২৫)
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

খুনের মামলায় হাজিরা শেষে গতকাল সোমবার পুরান ঢাকায় আদালত এলাকা থেকে বের হন তারিক সাইফ মামুন। এরপর আদালতপাড়ার কাছে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের ফটকে দিনদুপুরে গুলি করে হত্যা করা হয় তাঁকে। রাজধানীতে কয়েকদিন ধরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে মামুন (৫৫) দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন। এ সময় দুই ব্যক্তি খুব কাছে থেকে তাঁকে গুলি করছেন। তিন–চার সেকেন্ডের মধ্যে পুরো ঘটনা ঘটে। গুলি করার পর দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। নিহত মামুনের গ্রামের বাড়ি  লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মোবারক কলোনি এলাকায়। রাজধানীর বাড্ডায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন তিনি।  এদিকে ঢাকার জনাকীর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে ফিল্মি কায়দায় গুলি করে দুর্ধর্ষ হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। এর মধ্য দিয়ে ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি আবার সামনে এলো বলে মনে করছেন তারা। এর আগে ৫ নভেম্বর চট্টগ্রামে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর জনসংযোগকালে গুলিতে একজন নিহত হন। নিহত মামুনের পরিবার বলছে, পেশায় ব্যবসায়ী তিনি। মিরপুরে গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

পুলিশ বলছে, মামুন অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী। অপরাধ জগতে সানজিদুল ইসলাম ইমন–মামুন গ্রুপ রয়েছে। হত্যার শিকার মামুন সেই গ্রুপের। ২৯ বছর আগের একটি হত্যা মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে হত্যার শিকার হন তিনি। পুলিশের ভাষ্য, একসময় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের সহযোগী ছিলেন মামুন। নিজেদের নামে তারা বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। তবে অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে পরে বিরোধ দেখা দেয়। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে মামুনকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। পরিবার ও পুলিশ সূত্র বলছে, চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় ২০ বছর সাজা খেটে ২০২৩ সালে কারামুক্ত হন মামুন। এর তিন মাসের মাথায় ওই বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার বিজি প্রেসের সামনে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। মাইক্রোবাসে থাকা মামুনকে গুলি করা হয়। দুর্বৃত্তদের ছোড়া সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় ভুবন চন্দ্র শীল নামে এক আইনজীবী নিহত হন। পুলিশ বলছে, সেই হামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের সহযোগীরা জড়িত ছিল।  ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গতকাল সকাল ১০টা ৫১ মিনিটের দিকে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের ফটকে গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট পরিহিত মামুন দাঁড়িয়ে ছিলেন।

এ সময় তাঁর হাতে ছিল মোবাইল ফোন। দুই মিনিট পর মামুন দৌড়ে হাসপাতালের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। এরপর দুই ব্যক্তিকে তাঁকে খুব কাছে থেকে গুলি করতে দেখা যায়। দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলি থেকে বাঁচতে তিনি আবার হাসপাতালের দিকে দৌড়ে যান। মাথায় ক্যাপ, মুখে মাস্ক, গায়ে শার্ট ও জিন্স প্যান্ট পরিহিত দুজন গুলি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে গুলি লোড করে আবার ছুড়তে থাকেন তারা। এর মধ্যে একজন দাঁড়িয়ে কোমরে অস্ত্র রাখার চেষ্টা করছেন। অন্যজন তখন মামুনের কাছাকাছি গিয়ে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, হত্যাকারী দুজনই লাল–কালো রঙের একটি মোটরসাইকেল থেকে নেমে গুলি শুরু করেন। ঘটনার পর দুজন নিরাপত্তাকর্মীসহ অন্যরা ধরাধরি করে তাঁকে ট্রলিতে তুলে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যান। এ সময় মামুনের শরীর রক্তে ভিজে যায়।  ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মহিবুল্লাহ জানান, বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালের সামনে গোলাগুলি হয়।

গুলির শব্দ শুনে হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে এসে তিনি এক ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালের ভেতরে আনা হয়। অবস্থার অবনতি দেখে সেখান থেকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল মান্নান সমকালকে বলেন, আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসি। ফেরার পথে একজন আত্মীয়র জন্য হাসপাতালের সামনে রাস্তার পাশে অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় দেখি, একটা লোক দৌড়ে হাসপাতালের দিকে আসছেন। দুজন তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করছিল। এরপর মোটরসাইকেল নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। ওই ব্যক্তির বুকের ডান পাশে গুলি লাগে। হাতেও গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এ সময় আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ঘটনার সময় হাসপাতালের গেটে নিরাপত্তাকর্মীরা ছিল।

গুলির আওয়াজ শুনে সবাই এদিক–সেদিক ছোটাছুটি করছিলেন। প্রথম গুলি হাসপাতালের ওপরের দিকে করা হয়। সেটি সোজা তিনতলার কাচে গিয়ে লাগে। প্রথম যখন গুলি করে, রাস্তা থেকে দৌড়ে হাসপাতালের দিকে এগিয়ে আসছিল ওই ব্যক্তি। পরে মূল ফটক থেকে দু–তিন ফুট সামনে গিয়ে পড়ে যায়। কোতোয়ালি থানায় পুলিশের এসআই ইয়াসিন বলেন, গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে এসে দেখি, অজ্ঞাত এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছেন। খুব কাছে থেকে তাঁকে গুলি করা হয়।

ঢামেক হাসপাতালে আহাজারি 
দুপুর ১টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, মামুনের নিথর দেহ। আহাজারি করছিলেন স্বজনরা। মামুনের স্ত্রী বিলকিস আক্তারের কান্নায় ভারি হয়ে উঠছিল আশপাশ। তিনি জানান, মিরপুরে মামুনের গার্মেন্টস ব্যবসা রয়েছে। দুই মেয়েকে নিয়ে আফতাবনগরের এফ ব্লকে থাকেন তারা। দুই দিন পর গতকাল সকাল ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন মামুন। জজকোর্টে একটি মামলার হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন। এর পরই ফোনে তাঁর মৃত্যুর খবর আসে। বিলকিস আক্তার বলেন, সানজিদুল ইসলাম ইমন ছাড়া কেউ এ কাজ করেননি। কয়েক দিন আগে ইমন লোক দিয়ে মামুনকে মারধর করেছিলেন। মামুনের ভাগনে মাশরুফ বলেন, দুই বছর আগে তিনি জেল থেকে বের হয়েছিলেন। এরপর একাধিকবার তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু প্রতিবার ব্যর্থ হয়। সোমবার সাক্ষ্য দিতে গেলে তাঁকে গুলি করা হয়। হত্যার পর এখন সন্ত্রাসী ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। জেল থেকে বের হয়ে মামুন কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। বিভিন্ন আড়তে কাঁচামাল সরবরাহ করতেন। নিহতের খালাতো ভাই হাফিজ বলেন, ভাই মামুনকে কী কারণে হত্যা করা হলো, জানি না। তিনি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না। কারা তাঁকে হত্যা করেছে, কী কারণে করেছে, জানা নেই। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
নিহতের পরিবার জানায়, দুই বছর আগে বাড্ডা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠে তারা। গতকাল আদালতে হাজিরা দিতে মামুন সকালে বাসা থেকে বের হন।

কে এই তারিক সাইফ মামুন 
শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও তারিক সাইফ মামুন একসময় ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও এলাকার আতঙ্ক ছিলেন। পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন তারা। গড়ে তোলেন ‘ইমন–মামুন’ বাহিনী। তারা দুজনই চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি। এ ছাড়া নানা অপরাধে বিভিন্ন সময় মামুনের বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কারাগার থেকে বের হন ইমন। এরপর ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, কলাবাগান ও মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজির একক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালান।

কিছুদিন পর দেশের বাইরে গেলেও সহযোগীদের দিয়ে এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে ২০২৩ সালে কারাগার থেকে বের হয়েই এসব এলাকায় চাঁদাবাজির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ ছিল মামুনের। আধিপত্য ও চাঁদাবাজির বিরোধ নিয়ে দুই বন্ধুর দ্বন্দ্বের জের ধরে এ হত্যার ঘটনা– বলছে পুলিশ। জানা যায়, জাহিদ আমিন ওরফে হিমেলকে ১৯৯৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে মোহাম্মদপুর পিসিকালচার হাউজিং এলাকায় গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেদিন হিমেলের বন্ধু মামুনও আহত হন। এ ঘটনায় হিমেলের মা জাফরুন নাহার সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও দু–তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর মামুনসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অপর আসামিরা হলেন– ওসমান, মাসুদ ওরফে নাজমুল হোসেন, রতন, ইমন ও হেলাল। ওই মামলার হাজিরা দিতে গতকাল আদালতে যান মামুন। হত্যাকাণ্ডের পর নিহত মামুনকে ব্যবসায়ী হিসেবে দাবি করেন তাঁর স্বজনরা। তবে পুলিশ বলছে, মামুনের অতীত অপরাধের অনেক রেকর্ড রয়েছে। এ ছাড়া পুলিশের খাতায়ও তিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী।

২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরা দিতে গেলে ইমন তাঁকে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন। এ ঘটনায় নিহত মামুনের আইনজীবী মেহেদী হাসান জানান, তিনি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল–২ এর বিচারক মমিনুন নেসার আদালতে হাজিরা দেন। ১৯৯৭ সালের একটি হত্যা মামলায় সাক্ষীরা কেউ আসে না। আদালতকে মামলা শেষ করার জন্য বলি। পরে আদালত আগামী বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, নিহত ব্যক্তি ইমন গ্রুপের শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন। তিনি চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী এবং সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই শহীদ সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি। একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবেই পুলিশের খাতায় তাঁর নাম রয়েছে। তাঁর হত্যার পেছনে কার হাত রয়েছে, সে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।

ShareTweet
Next Post
অস্ট্রেলিয়ার রেইনফরেস্ট কার্বন বেশি ছাড়ছে

অস্ট্রেলিয়ার রেইনফরেস্ট কার্বন বেশি ছাড়ছে

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

যুদ্ধে ইরানই জিতেছে: সাবেক ইসরাইলি নিরাপত্তা প্রধান

যুদ্ধে ইরানই জিতেছে: সাবেক ইসরাইলি নিরাপত্তা প্রধান

May 24, 2026
৭ দিন বন্ধ থাকবে হিলি বন্দরে আমদানি-রফতানি

৭ দিন বন্ধ থাকবে হিলি বন্দরে আমদানি-রফতানি

May 24, 2026
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা