একটি কলম লিখে চলে নিয়ত
গদ্য বা পদ্য কলমে থাকে না
কল্পনা বেরিয়ে আসে
পরতে পরতে সাজানো থরে বিথরে
কবির চিন্তা জগতে
বিমূর্ত চিন্তাগুলো মূর্তমান হলো
কলমের শীর্ষে কাগজে ঘষা খেয়ে
মূর্তমান চিন্তা উপভোগ করি
মাটির মূর্তি আমরা অবোধ
করি প্রশংসা ভুলে কলমের
অদৃশ্য হাতটি কেউ দেখতে পাই না
ওটি দেখার জন্য চাই চোখ
হৃদয়ের চোখ অন্তরের আয়না
এসো সবে ছুটে যাই তাঁর কাছে
সেই সুতোর কারিগরের কাছে
যিনি হৃদয়রাজে ব্যস্ত কাজে
দূর করে আজে বাজে অশুভ চালে
অশান্তি সৃষ্টি করে শান্তির নীরে
যিনি গুছিয়ে পরিপাটি
আপন গৃহ করেন খাঁটি
হারানো মানিক ফিরে আসে
পিতা পুত্রের সমাহারে
পাকরূহের কলেবরে সার্থক
স্বপ্ন পূরণ চিরতরে।

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা