ইরাকি নিউজ এজেন্সিকে (আইএনএ) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলি ফালিহ আল–জাইদি জানান, বিদেশি শক্তির বিদায়ের ফলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র রেখে দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা অবশিষ্ট নেই। তিন সামরিক গোষ্ঠীর সঙ্গে ইতোমধ্যে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে এবং বাকি চারটির সঙ্গে আলোচনা চলছে, কারণ ইরাকে গোষ্ঠীর অধীনে রাজ্য নয় বরং রাজ্যের অধীনে গোষ্ঠীগুলো পরিচালিত হবে। সৈন্য প্রত্যাহার করা সত্ত্বেও কারিগরি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার কারণে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে ইরাক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে আল–জাইদি উল্লেখ করেন। ইতোমধ্যে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো ইরাকে কাজ শুরু করেছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ভিত্তিতে ৩০ সেপ্টেম্বর এরবিল বিমান ঘাঁটি খালি করে আইএস বিরোধী এই আন্তর্জাতিক সামরিক মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ইরাক কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না এবং ইরানের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের পদক্ষেপ আত্মঘাতী হবে। হরমুজ প্রণালির সঙ্কটের কারণে উচ্চ মূল্যের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় তুরস্কের জেহান বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানি পুনরায় চালু এবং ২০৩২ সালের মধ্যে দৈনিক তেল উৎপাদন ১ কোটি ব্যারেলে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তুরস্কের সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘ডেভেলপমেন্ট রোড‘ প্রকল্পকে ইরাকের ‘তৃতীয় নদী‘ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।



