বুধবার পার্লামেন্ট সেশনে বক্তৃতাকালে সানায়ে তাকাইচি জানান, সকালে গোসল করা, সকালের নাশতা বানানো, থালাবাসন ধোওয়া এবং মেকআপ নেওয়ার মতো ঘরের কাজের জন্য পুরুষ প্রধানমন্ত্রীদের চেয়ে তার প্রতিদিন অতিরিক্ত তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় বেশি ব্যয় হয়। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির এই বক্তব্য সেকেলে লিঙ্গবৈষম্যমূলক সামাজিক মূল্যবোধ এবং অতিরিক্ত কাজের সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করছে বলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আইনজীবীরাসহ বিভিন্ন অধিকারকর্মী ও সাধারণ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে মত প্রকাশ করেছেন, ঘরের কাজের অজুহাত দিয়ে সময় ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা বা কাজের অহেতুক দীর্ঘসূত্রতাকে ঢেকে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়াও তাকাইচি দৈনিক মাত্র শূন্য থেকে তিন ঘণ্টা ঘুমানোর কথা প্রকাশ করায় কর্ম ও জীবনের ভারসাম্য নষ্টের ভুল বার্তা ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে বিভিন্ন কেলেঙ্কারির কারণে তার নবনিযুক্ত কৃষিমন্ত্রী কাজুও ইয়ানার পদত্যাগ করাটাও প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির ওপর অতিরিক্ত রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। জাপান ইনোভেশন পার্টির নেতা ফু মিতাকে ফুজিতা সংসদীয় অধিবেশনের দীর্ঘ কর্মঘণ্টা কমানোর পরামর্শ দেন এবং এনএক্সজেআই রিসার্চের গবেষণার বরাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে শেফ ও গৃহকর্মী নিয়োগের প্রস্তাব দেন যাতে তিনি কেবল রাষ্ট্রীয় কাজে মনোনিবেশ করতে পারেন।



