বর্তমান সরকার দারিদ্র বিমোচনের জন্য হতদরিদ্র পরিবারদের গৃহদান করে চলছে। তৎসংগে দুই কাঠা পরিমাণ জমিও দান করেছেন যা জনগণের কল্যান সাধনকল্পে অবশ্যই একটি মহত পদক্ষেপ। কল্যাণ রাষ্ট্র তো তাকেই বলে!
সরকারী কাজকর্ম পরিচালনা করার জন্য চাই একদল দক্ষ কর্মীবাহিনী, যারা থাকবে নিরলশ সেবামূলক কাজ সুসম্পন্ন করার জন্য নিবেদিত।
বঙ্গবন্ধুর ভাষণের একটি অংশ তুলে ধরছি, দেশের সবকিছু নিয়ে গেছে হানাদার বাহিনী, কেবল রেখে গেছে একপাল চোর। উক্ত অভিব্যক্তির আলোকে যদি বর্তমানকার সরকারী কাজকর্ম দেখা যায় তবে বুঝতে হবে বিনামূল্যে যা কিছুই দান করা হোক না কেন, মাঝপথে ভোক্তার কাছ থেকে গোপনে আদায় করা হয় মবালগ অর্থ যে বিষয় উপর মহলে কিছুই জানতে পায় না।
বিষয়টি এ কারণেই এক্ষেত্রে তুলে ধরছি, শরীয়তের দাবি–দাওয়া এতটাই কঠিন যা কোনো মানুষের পক্ষেই সম্পূর্ণভাবে পালন করা অসম্ভব। তবে যা মানুষের পক্ষে পালন করা অসম্ভব তা তাদের উপর চাঁপিয়ে দেয়া কেন? হয়ত শরিয়তকে হাতুড়ির সাথে তুলনা করা হয়েছে মানুষের একগুয়েমী ভেঙ্গে চুরমার করে দেবার জন্য। প্রথম আদম থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রত্যেকেটা মানুষ পাপের দাসত্ববহন করে চলছে, আর পাপের প্রথম ও প্রধান প্রভাব হলো মানুষকে অহংবোধে উগ্র করে তোলা; অথচ খোদা হলেন বিন¤্র প্রেমাকর, যার প্রতিনিধি হিসেবে তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। মানুষ হলো অদৃশ্য খোদার দৃশ্যমান প্রতনিধি। তবে পাপ ও অবাধ্যতার কারণে সে হারিয়ে ফেলেছে ঐশি গুনাবলী, খোদার চরিত্রে চরিত্রবান না হয়ে মানুষ প্রতারিত হলো ইবলিসের কুটচালে। মানুষ আজ ইবলিসের অবিকল কারিগর। পরষ্পরকে গঠন না দিয়ে ধ্বংস করে চলছে। মানুষ সম্পূর্ণ কলুষিত। তার দ্বারা আর সম্ভবপর হলো না খোদার পক্ষাবলম্বন করা, খোদার প্রেম, ক্ষমা, মানবকল্যান সাধন সম্পূর্ণ অসম্ভব। চাই তাকে পুণর্গঠন দান, আর তা সাধিত হতে হবে খোদ নির্মাতা সুমহান মাবুদের হাতে। মাবুদ অবশ্যই তেমন এক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন গোটা বিশে^র গুনাহগারদের ¯œাতশুভ্র করার জন্য। আর তা অবশ্যই বিনামূল্যে হয়ে থাকে কার্যকর। তেমন ক্ষেত্রে ধর্মীয় নেতানেত্রী সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে রেখেছে বহনের অযোগ্য দুর্বীসহ বোঝা, যার আসল উদ্দেশ্য হলো প্রধানত: বাণিজ্য ও নিজেদের নাজায়েজ আরাম আয়াশের চিরস্থায়ী ব্যবস্থা বিধিবদ্ধ করা। মানুষের মুক্তি কেবল খোদার সীমাহিন রহমত ও অপরূপ ব্যবস্থায় হয়ে থাকে সাধিত। তেমন ক্ষেত্রে মানুষের কর্মকান্ড কেবল খোদার নিঃস্বার্থ প্রেম ও ক্ষমা গুরুত্বহীনই করছেনা, অধিকন্তু সাধারণ লোকের কাছে ঐশি প্রেম অপ্রয়োজনীয়ও মনে হয়ে থাকে। ব্যক্তি নিজেকে গুনাহমুক্ত করার ক্ষমতা আদৌ রাখে না। চাই অনুতপ্ত হৃদয়ে খোদার দরবারে ফরিয়াদ জ্ঞাপন; তা না করে ব্যক্তি কৃচ্ছ্রতা সাধনে অনুপ্রাণীত ও বাধ্য হচ্ছে যা হলো অবৈধ ও গুপ্ত মুনাফা অর্জনের অপকৌশল মাত্র; পরিশেষে উক্ত উপার্জন নেতাদের পকেটযাত হয়ে থাকে।
ঝাড়ফুক দেওয়া ওঝা কবিরাজদের দৃষ্টান্ত এক্ষেত্রে তুলে ধরা প্রাসঙ্গিক মনে করি। যেমন অতি প্রত্যুষ্যে একই ঘটিতে সাত ঘাটের জল নিয়ে আসতে বলে, যার মধ্যে মন্ত্র পড়ে ফুঁকে দেয় যা (তাদের দাবী) রোগব্যাধি নিরাময়ে ধ্বনন্তরী হয়ে থাকে। প্র¤œ করি সাত ঘাটের জল যখন একটি ঘটে ভরা হয় তখন উক্ত জল সাত ঘাটের জল হিসেবে স্বকীয়তা বজায় রাখতে পারে কি? তাছাড়া সব পুকুরেই একই জল থাকে। যাকে জল সংগ্রহের জন্য আজ্ঞা করা হলো সে অবশ্যই বিবেক হারা অবোধ এক ব্যক্তি মাত্র, নতুবা আমার মত প্রশ্ন ছুড়ে মারত ওঝা বৈদ্যের মুখের উপরে। খোদার ব্যবস্থায় নিরঙ্কুষ বিশ^াস স্থাপন করার মাধ্যমে গুনাহগার পায় মুক্তি যা অসুচী হাতের কর্মের ফলে লাভ করা সম্পূর্ণ অসম্ভব।
আসুন ধোকাবাজদের সার্বিক কুটচাল আস্তাকুড়ে ছুড়ে মেরে সমর্পীত হই খোদার অনুপম একক মুক্তির ব্যবস্থা যা আমাদের পাপের কাফফারা পরিশোধকল্পে এক ঐশি মেষ দেয়া হয়েছে কোরবানি, যিনি হলেন ঐশি ব্যক্তি খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসীহ, সম্পূর্ণ বেগুনাহ নাজাতাদাতা।
ইফিষীয় ২:৮
আল্লাহ্র রহমতে ঈমানের মধ্য দিয়ে তোমরা নাজাত পেয়েছ। এটা তোমাদের নিজেদের দ্বারা হয় নি, তা আল্লাহ্রই দান।
রোমীয় ৩:২২–২৬
যারা ঈসা মসীহের উপর ঈমান আনে তাদের সেই ঈমানের মধ্য দিয়েই আল্লাহ্ তাদের ধার্মিক বলে গ্রহণ করেন। ইহুদী ও অ–ইহুদী সবাই সমান, কারণ সবাই গুনাহ্ করেছে এবং আল্লাহ্র প্রশংসা পাবার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কিন্তু মসীহ্ ঈসা মানুষকে গুনাহের হাত থেকে মুক্ত করবার ব্যবস্থা করেছেন এবং সেই মুক্তির মধ্য দিয়েই রহমতের দান হিসাবে ঈমানদারদের ধার্মিক বলে গ্রহণ করা হয়। আল্লাহ্ প্রকাশ করেছিলেন যে, যারা ঈমান আনে তাদের জন্য ঈসা মসীহ্ তাঁর রক্তের দ্বারা, অর্থাৎ তাঁর জীবন্ত কোরবানীর দ্বারা তাঁকে সন্তুষ্ট করেছেন। এইভাবেই আল্লাহ্ দেখিয়েছেন, যদিও তিনি তাঁর সহ্যগুণের জন্য মানুষের আগেকার গুনাহের শাস্তি দেন নি তবুও তিনি ন্যায়বান। তিনি যে ন্যায়বান তা তিনি এখন দেখিয়েছেন যেন প্রমাণ হয় যে, তিনি নিজে ন্যায়বান এবং যে কেউ ঈসার উপর ঈমান আনে তাকেও তিনি ধার্মিক বলে গ্রহণ করেন।
ইফিষীয় ২:৫
এইজন্য অবাধ্যতার দরুন যখন আমরা মৃত অবস্থায় ছিলাম তখন মসীহের সংগে তিনি আমাদের জীবিত করলেন। আল্লাহ্র রহমতে তোমরা নাজাত পেয়েছ।
রোমীয় ৪:১৬
সেইজন্য মানুষের ঈমানের মধ্য দিয়ে এই ওয়াদা পূর্ণ করা হয়, যেন এটা আল্লাহ্র রহমতের দান হতে পারে। আর তাই ইব্রাহিমের বংশধরদের সকলের জন্যই এই ওয়াদা নিশ্চয়ই পূর্ণ হবে। শরীয়তের অধীন লোকদের জন্যই যে কেবল এই ওয়াদা পূর্ণ হবে তা নয়, যে সব লোক ইব্রাহিমের মত একই ঈমানে ঈমানদার তাদের জন্যও নিশ্চয়ই এই ওয়াদা পূর্ণ হবে।
ইয়াকুব ১:১৬–১৮
আমার প্রিয় ভাইয়েরা, ভুল কোরো না। জীবনের প্রত্যেকটি সুন্দর ও নিখুঁত দান বেহেশত থেকে নেমে আসে, আর তা আসে আল্লাহ্র কাছ থেকে, যিনি সমস্ত নূরের পিতা। চঞ্চল ছায়ার মত করে তিনি বদলে যান না। তাঁর নিজের ইচ্ছায় সত্যের কালামের মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের তাঁর সন্তান করেছেন, যেন তাঁর সৃষ্ট জিনিসের মধ্যে আমরা এক রকম প্রথম ফলের মত হই।
ইউহোন্না ১:১২–১৩
তবে যতজন তাঁর উপর ঈমান এনে তাঁকে গ্রহণ করল তাদের প্রত্যেককে তিনি আল্লাহ্র সন্তান হবার অধিকার দিলেন। এই লোকদের জন্ম রক্ত থেকে হয় নি, শারীরিক কামনা বা পুরুষের বাসনা থেকেও হয় নি, কিন্তু আল্লাহ্ থেকেই হয়েছে।
রোমীয় ১০:১৭
তাহলে দেখা যায়, আল্লাহ্র কালাম শুনবার ফলেই ঈমান আসে, আর মসীহের বিষয় তবলিগের মধ্য দিয়ে সেই কালাম শুনতে পাওয়া যায়।
রোমীয় ১০:৯–১০
সেই কথা হল, যদি তুমি ঈসাকে প্রভু বলে মুখে স্বীকার কর এবং দিলে ঈমান আন যে, আল্লাহ্ তাঁকে মৃত্যু থেকে জীবিত করে তুলেছেন তবেই তুমি নাজাত পাবে; কারণ দিলে ঈমান আনবার ফলে আল্লাহ্ মানুষকে ধার্মিক বলে গ্রহণ করেন আর মুখে স্বীকার করবার ফলে নাজাত দেন।
প্রেরিত ১৬:৩১
তাঁরা বললেন, “আপনি ও আপনার পরিবার হযরত ঈসার উপর ঈমান আনুন, তাহলে নাজাত পাবেন।”
ইউহোন্না ৬:৩৭
পিতা আমাকে যাদের দেন তারা সবাই আমার কাছে আসবে। যে আমার কাছে আসে আমি তাকে কোনমতেই বাইরে ফেলে দেব না,
ইউহোন্না ৪:১০
ঈসা সেই স্ত্রীলোকটিকে জবাব দিলেন, “তুমি যদি জানতে আল্লাহ্র দান কি আর কে তোমার কাছে পানি চাইছেন তবে তুমিই তাঁর কাছে পানি চাইতে আর তিনি তোমাকে জীবন্ত পানি দিতেন।”
ইউহোন্না ৫:২৪
“আমি আপনাদের সত্যিই বলছি, আমার কথা যে শোনে এবং আমাকে যিনি পাঠিয়েছেন তাঁর কথায় ঈমান আনে, তার অনন্ত জীবন আছে। তাকে দোষী বলে স্থির করা হবে না; সে তো মৃত্যু থেকে জীবনে পার হয়ে গেছে।
লুক ৭:৫০
ঈসা তখন সেই স্ত্রীলোকটিকে বললেন, “তুমি ঈমান এনেছ বলে নাজাত পেয়েছ। শান্তিতে চলে যাও।”
মার্ক ১৬:১৬
যে কেউ ঈমান আনে এবং তরিকাবন্দী নেয় সে–ই নাজাত পাবে; কিন্তু যে ঈমান আনে না আল্লাহ্ তাঁকে দোষী বলে স্থির করে শাস্তি দেবেন।
ইউহোন্না ৬:২৭–২৯
কিন্তু যে খাবার নষ্ট হয়ে যায় সেই খাবারের জন্য ব্যস্ত হয়ে লাভ কি? যে খাবার নষ্ট হয় না বরং অনন্ত জীবন দান করে তারই জন্য ব্যস্ত হন। সেই খাবারই ইব্নে আদম আপনাদের দেবেন, কারণ পিতা আল্লাহ্ প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে, এই কাজ করবার অধিকার কেবল তাঁরই আছে। এতে লোকেরা ঈসাকে জিজ্ঞাসা করল, “তাহলে আল্লাহ্র কাজ করবার জন্য আমাদের কি করতে হবে?” ঈসা তাদের বললেন, “আল্লাহ্ যাঁকে পাঠিয়েছেন তাঁর উপর ঈমান আনাই হল আল্লাহ্র কাজ।”
রোমীয় ৪:৫
কিন্তু যে নিজের চেষ্টার উপর ভরসা না করে কেবল আল্লাহ্র উপর ঈমান আনে আল্লাহ্ তার সেই ঈমানের জন্য তাকে ধার্মিক বলে ধরেন, কারণ তিনিই গুনাহ্গারকে ধার্মিক বলে গ্রহণ করতে পারেন।
ইফিষীয় ২:১০
আমরা আল্লাহ্র হাতের তৈরী। আল্লাহ্ মসীহ্ ঈসার সংগে যুক্ত করে আমাদের নতুন করে সৃষ্টি করেছেন যাতে আমরা সৎ কাজ করি। এই সৎ কাজ তিনি আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন, যেন আমরা তা করে জীবন কাটাই।
ইউহোন্না ৩:৩৬
যে কেউ পুত্রের উপর ঈমান আনে সে তখনই অনন্ত জীবন পায়, কিন্তু যে পুত্রকে অমান্য করে সে সেই জীবন কখনও পাবে না, বরং আল্লাহ্র গজব তার উপরে থাকবে।
প্রেরিত ১৩:৩৯
আপনারা মূসার শরীয়ত দ্বারা গুনাহের শাস্তি থেকে রেহাই পেতে পারেন নি, কিন্তু যে কেউ ঈসার উপর ঈমান আনে সে গুনাহের শাস্তি থেকে রেহাই পায়।
ইউহোন্না ৩:১৪–১৮
মূসা নবী যেমন মরুভূমিতে সেই সাপকে উঁচুতে তুলেছিলেন তেমনি ইব্নে আদমকেও উঁচুতে তুলতে হবে, যেন যে কেউ তাঁর উপর ঈমান আনে সে অনন্ত জীবন পায়। “আল্লাহ্ মানুষকে এত মহব্বত করলেন যে, তাঁর একমাত্র পুুত্রকে তিনি দান করলেন, যেন যে কেউ সেই পুত্রের উপর ঈমান আনে সে বিনষ্ট না হয় কিন্তু অনন্ত জীবন পায়। আল্লাহ্ মানুষকে দোষী প্রমাণ করবার জন্য তাঁর পুত্রকে দুনিয়াতে পাঠান নি, বরং মানুষ যেন পুত্রের দ্বারা নাজাত পায় সেইজন্য তিনি তাঁকে পাঠিয়েছেন। যে সেই পুত্রের উপর ঈমান আনে তার কোন বিচার হয় না, কিন্তু যে ঈমান আনে না তাকে দোষী বলে আগেই স্থির করা হয়ে গেছে, কারণ সে আল্লাহ্র একমাত্র পুত্রের উপর ঈমান আনে নি।
গালাতীয় ৩:২২
কিন্তু পাক–কিতাব সব মানুষকেই গুনাহের জন্য দোষী বলে স্থির করেছে, যেন ঈসা মসীহের উপর যারা ঈমান আনে তারা তাদের সেই ঈমানের ফলে ওয়াদা–করা দোয়া পেতে পারে।
গালাতীয় ৩:১৪
আল্লাহ্ ইব্রাহিমকে যে দোয়া করেছিলেন সেই দোয়া মসীহ্ ঈসার মধ্য দিয়ে যেন অ–ইহুদীরাও পেতে পারে, আর যেন আমরা ঈমানের মধ্য দিয়ে ওয়াদা–করা পাক–রূহ্কে পেতে পারি, সেইজন্যই মসীহ্ সেই বদদোয়া নিজের উপর নিয়েছিলেন।
ইউহোন্না ৬:৬৫
সেইজন্য তিনি বললেন, “তাই আমি তোমাদের বলেছি যে, পিতা শক্তি না দিলে কেউই আমার কাছে আসতে পারে না।”
ইউহোন্না ৬:৪০
আমার পিতার ইচ্ছা এই– আপনাদের মধ্যে যাঁরা পুত্রকে দেখে তাঁর উপর ঈমান আনেন তাঁরা যেন অনন্ত জীবন পান। আর আমিই তাঁদের শেষ দিনে জীবিত করে তুলব।”
ইউহোন্না ৬:৩৫
ঈসা তাদের বললেন, “আমিই সেই জীবন্তরুটি। যে আমার কাছে আসে তার কখনও খিদে পাবে না। যে আমার উপর ঈমান আনে তার আর কখনও পিপাসাও পাবে না।
ইফিষীয় ১:১৯
আমি আরও মুনাজাত করি যেন তোমাদের দিলের চোখ খুলে যায়, যাতে তাঁর ডাকের ফলে তোমাদের দিলে যে আশা জেগেছে তা তোমরা বুঝতে পার; আর তার সংগে এও বুঝতে পার যে, তাঁর কাছে তাঁর বান্দারা কত বড় একটা সম্পত্তি এবং আমরা যারা ঈমানদার আমাদের দিলে তাঁর কত বড় শক্তি কাজ করছে। এ সেই একই মহাশক্তি,
ইউহোন্না ৬:৪৪
আমার পিতা, যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি টেনে না আনলে কেউই আমার কাছে আসতে পারে না। আর আমিই তাকে শেষ দিনে জীবিত করে তুলব।
১ইউহোন্না ৫:১০–১২
ইব্নুল্লাহ্র উপর যে ঈমান আনে তার অন্তরে সেই সাক্ষ্য আছে। যারা আল্লাহ্র কথায় ঈমান আনে নি তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বানিয়েছে, কারণ আল্লাহ্ তাঁর পুত্রের বিষয়ে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন তা তারা ঈমান আনে নি। সেই সাক্ষ্য এই যে, আল্লাহ্ আমাদের অনন্ত জীবন দিয়েছেন এবং সেই জীবন তাঁর পুত্রের মধ্যে আছে। ইব্নুল্লাহ্কে যে পেয়েছে সে সেই জীবনও পেয়েছে; কিন্তু ইব্নুল্লাহ্কে যে পায় নি সে সেই জীবনও পায় নি।
কলসীয় ২:১২
তরিকাবন্দীর মধ্য দিয়ে মসীহের সংগে তোমাদের দাফন করা হয়েছে; শুধু তা–ই নয়, যিনি মৃত্যু থেকে মসীহ্কে জীবিত করে তুলেছেন সেই আল্লাহ্র শক্তির উপর ঈমানের মধ্য দিয়ে তোমাদের মসীহের সংগে জীবিত করে তোলাও হয়েছে।
প্রেরিত ১৪:২৭
এণ্টিয়কে পৌঁছে জামাতের সবাইকে তাঁরা এক জায়গায় জমায়েত করলেন এবং আল্লাহ্ তাঁদের মধ্য দিয়ে যা করেছেন তা সবই বললেন। আল্লাহ্ কিভাবে অ–ইহুদীদের সুযোগ করে দিয়েছিলেন যাতে তারা মসীহের উপর ঈমান আনতে পারে তাও বললেন।
রোমীয় ১০:১৪–১৭
কিন্তু যাঁর উপর তারা ঈমান আনে নি তাঁকে কেমন করে ডাকবে? যাঁর বিষয় তারা শোনে নি তাঁর উপর কেমন করে ঈমান আনবে? তবলিগকারী না থাকলে তারা কেমন করেই বা শুনবে? তা ছাড়া কেউ না পাঠালে কেমন করে তবলিগকারীরা তবলিগ করবে? পাক–কিতাবে লেখা আছে, “ধন্য তাদের পা যারা উপকারের সুসংবাদ তবলিগ করতে আসে।” কিন্তু সবাই সেই সুসংবাদে সাড়া দেয় নি। নবী ইশাইয়া বলেছেন, “মাবুদ, আমাদের দেওয়া সুসংবাদের উপর কে ঈমান এনেছে?” তাহলে দেখা যায়, আল্লাহ্র কালাম শুনবার ফলেই ঈমান আসে, আর মসীহের বিষয় তবলিগের মধ্য দিয়ে সেই কালাম শুনতে পাওয়া যায়।
১পিতর ১:৫
তোমরা সম্পূর্ণভাবে নাজাত না পাওয়া পর্যন্ত আল্লাহ্র শক্তিতে ঈমানের মধ্য দিয়ে তোমাদের নিরাপদে রাখা হচ্ছে। শেষ সময়ে প্রকাশিত হবার জন্য সেই নাজাতের আয়োজন করে রাখা হয়েছে।
ফিলিপীয় ১:২৯
তোমাদের রহমত দান করা হয়েছে যেন তোমরা যে কেবল মসীহের উপর ঈমান আনতে পার এমন নয়, তাঁর জন্য কষ্টভোগও করতে পার।
মথি ১৬:১৭
জবাবে ঈসা তাঁকে বললেন, “শিমোন ইব্নে ইউনুস, ধন্য তুমি, কারণ কোন মানুষ তোমার কাছে এটা প্রকাশ করে নি; আমার বেহেশতী পিতাই প্রকাশ করেছেন।
প্রেরিত ১৫: ৭–৯
অনেক আলোচনার পর পিতর উঠে তাঁদের বললেন, “ভাইয়েরা, আপনারা তো জানেন যে, অনেক দিন আগে আপনাদের মধ্য থেকে আল্লাহ্ আমাকে বেছে নিয়েছিলেন যাতে অ–ইহুদীরা আমার মুখ থেকে সুসংবাদের কথা শুনে ঈমান আনে। আল্লাহ্ সকলের দিল জানেন। তিনি আমাদের যেমন পাক–রূহ্ দান করেছিলেন, অ–ইহুদীদেরও সেইভাবে পাক–রূহ্ দান করে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যে, তারাও নাজাত পেয়েছে। তিনি আমাদের ও তাদের মধ্যে আলাদা বলে কিছুই রাখেন নি, কারণ তারা ঈমান এনেছে বলে তিনি তাদেরও দিল পরিষ্কার করেছেন।
২থিষলনীকিয় ১:৯
প্রভু যখন আসবেন তখন তাদের এমন শাস্তি দেওয়া হবে যার ফলে তারা তাঁর উপস্থিতি এবং মহা শক্তির বাইরে পড়ে চিরদিন ধরে ধ্বংস হতে থাকবে। সেই দিন তাঁর নিজের লোকদের মধ্য দিয়ে তাঁর মহিমা প্রকাশিত হবে এবং যারা ঈমান এনেছে তাদের সকলের মধ্য দিয়ে তাঁর গৌরব হবে। তোমরাও সেই ঈমানদারদের মধ্যে আছ, কারণ তোমরা আমাদের সাক্ষ্য শুনে ঈমান এনেছ।
প্রেরিত ১৬:১৪
যাঁরা শুনছিলেন তাঁদের মধ্যে থুয়াতীরা শহরের লুদিয়া নামে একজন স্ত্রীলোক ছিলেন। তিনি বেগুনী রংয়ের কাপড়ের ব্যবসা করতেন। ইহুদী না হলেও তিনি আল্লাহ্র এবাদত করতেন। প্রভু লুদিয়ার দিল এমনভাবে খুলে দিলেন যাতে তিনি পৌলের কথা মন দিয়ে শুনে ঈমান আনেন।


