সাইফের পর বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে পারেননি আরেক ওপেনার তানজিদ হাসানও। ভালো শুরুর পরও লিটন দাস পারেননি ইনিংস লম্বা করতে। তবে উইকেটে এসেই ঝড় তুলেছেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। এই জুটি থেকে এরই মধ্যে ১৪ বলে এসেছে ৩৫ রান। ৭ বলে ১৬ রানে ইমন ও ১২ বলে ২৭ রানে হৃদয় ব্যাট করছেন। লিটন ১৫ বলে ২১ এবং তানজিদ ২৫ বলে ২০ রান করেছেন। দুজনই স্পিনার ইস শোধির শিকার।
সবশেষ স্কোর: বাংলাদেশ ১২.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১১২ রান। জিততে বাংলাদেশের আর দরকার ৪৫ বলে ৭১ রান।
ধীর শুরুর পর ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন সাইফ
প্রথম পাঁচ ওভারে উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। তবে রানও আসেনি প্রত্যাশা মত। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সাইফ হাসান। প্রথম উইকেট হারাল বাংলাদেশ। দলীয় ৪১ রানে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সাইফ। তার অবদান ১৬ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ রান। ১৮ বলে ১৬ রান নিয়ে ব্যাটিং করা তানজিদের নতুন সঙ্গী লিটন দাস।
সবশেষ: ১৮৩ রানের লক্ষ্যে ৬ ওভারে বাংলাদেশেরসংগ্রহ ১ উইকেটে ৪৪ রান।
বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল নিউজিল্যান্ড
তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। চট্টগ্রামের বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ করেছে সফরকারী দলটি। দ্বিতীয় উইকেটে ক্লার্ক ও ক্লেভারের ৮৮ রানের জুটি ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। দুজনই ফিরেছেন ব্যক্তিগত ৫১ রান করে। ৪ ওভারে ৩২ রানে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার রিশাদ হোসেন। ৩১ রানে ১টি নিয়েছেন আরেক স্পিনার মেহেদি হাসান। অন্যটি তানজিম হাসান সাকিবের। মূল জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া রিপন মন্ডল ৪ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে চিলেন উইকেটশূন্য।
তবে দুর্দান্ত শেষ ওভারে তিন দেন স্রেফ ৬ রান। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৬১ রান তোলে কিউইরা। দশ ওভারে তোলে ১০০। এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে তাদের রানের গতিতে টান পড়ে। শেষ ৫ ওভারে ঘুরে দাঁড়িয়ে ১ উইকেটে ৫২ রান তোলে কিউইরা। দ্বিতীয় ওভারে সরাসরি থ্রোয়ে টিম রবিনসনকে রান আউট করেন তাওহীদ হৃদয়। পাওয়ার প্লেতে আর সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। এরপর তরতরিয়ে রান বাড়িয়েছেন ক্লার্ক ও ক্লেভার। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৫০ বলে ৮৮ রান। ২৮ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫১ রান করা ক্লেভারকে এলবিডব্লিউ করে জুটি ভাঙেন রিশাদ।
নিজের পরের ওভারে ক্লার্ককেও শিকারে পরিণত করেন এই লেগ স্পিনার। ৩৭ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫১ রান করে পয়েন্টে হৃদয়কে সহজ ক্যাচ দেন ক্লার্ক। এরপর বেভন জ্যাকোবস (২ বলে ১) ও ডিন ফক্সক্রফটকে (৭ বলে ৩) দাঁড়াতে দেননি যথাক্রমে তানজিম ও মেহেদি। নেতৃত্বে অভিষেক হওয়া নিক কেলিকে ফিরিয়ে ১৭ বলে ৩২ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি ভাঙেন বোলিংয়ে ফেরা শরিফুল। জশ ক্লার্কসন ১৪ বলে ২৭ রানে এবং নাথান স্মিথ ৪ বলে ২ রানে অপরাজিত থাকেন। ইনিংস বিরতিতে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন বলেছেন, উইকেট বেশ ভালো, জয়ের ব্যাপারে তারা আশাবাদী



