উজবেকিস্তানের বিপক্ষে বড় জয়ের পর তখন মাঠ ছাড়ছিলেন পর্তুগালের ফুটবলাররা। হঠাৎ টিভি ক্যামেরা ধরা হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দিকে। সঙ্গে সঙ্গে পর্তুগিজ তারকা বলে উঠলেন, ‘আই এম ব্যাক!’, ‘আই এম ব্যাক!’ সত্যিকার অর্থেই ফিরেছেন রোনালদো। হিউস্টনে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোলে পর্তুগালের বড় জয়ে রেখেছেন মুখ্য অবদান। একইসঙ্গে গড়েছেন দারুণ কিছু রেকর্ড। ম্যাচ শেষে তাই তিনি নিজেই বলে উঠেছেন, আই এম ব্যাক! ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর স্বাভাবিকভাবেই অনেক কথা উঠে যায় রোনালদোর পারফরম্যান্স ঘিরে।
বয়সের কাটা ৪১ পেরিয়ে তিনি এখন পর্তুগাল দলে বোঝা কিনা, সেই কথাও বলেন অনেকে। সব কিছুর জবাব দিতে মাত্র ৬ মিনিট সময় নেন রোনালদো। মঙ্গলবার রাতের ম্যাচে ষষ্ঠ মিনিটে জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়ে বিশ্ব রেকর্ডও গড়েন পর্তুগিজ সুপারস্টার। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬টি ভিন্ন আসরে গোলের রেকর্ড গড়েন তিনি। সেখানেই থামেননি রোনালদো। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আরেকবার জাল কাঁপিয়ে গড়েন বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এক ম্যাচে জোড়া গোলের রেকর্ড।
একইসঙ্গে বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিকও হয়ে যান তিনি। ফিফা বিশ্বকাপে এত দিন পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ ৯ গোল ছিল ইউসেবিওর। তাকে টপকে ২৪ ম্যাচে ১০ গোল হয়ে গেল রোনালদোর। এছাড়া আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৪৫ গোল নিয়ে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দেড়শ গোলে আরও কাছে পৌঁছে গেছেন রোনালদো। সব মিলিয়ে স্বীকৃত ফুটবলে তার গোল হয়ে গেছে ৯৭৫টি।

