আমি বুঝি না তোমাদের চিন্তা চেতনা কোন অভিজ্ঞতা উপাত্তের উপর নির্ভর করে হচ্ছে পরিচালিত। প্রলোভন ও অবাধ্যতার ফলে প্রথম মানুষ আদম (আ.) স্বপরিবারে বেহেশত থেকে হলেন বিতাড়িত, আর উক্ত প্রলোভন, অবাধ্যতা ও পাপের তাৎক্ষণিক কুফল আমরা শুনতে পেলাম ভ্রাতিৃ হণনের মাধ্যমে হলো সংঘঠিত। গোটা আদম জাতি আজ অবাধ্য, খোদার পবিত্রতা হারিয়ে ইবলিসের তাবেদার অকাল কুষ্মান্ড সেজে বসে আছে।
যদিও আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল, পূতপবিত্র প্রেমের পরাকাষ্টা, আলাহপাকের খাস প্রতিনিধি হিসেবে, রক্ষা করে চলবে বাতেনি আলাহপাকের বহিপ্রকাশিত প্রতিচ্ছবি অর্থাৎ সুরত; কিন্তু অভিশপ্ত ইবলিসের ধোকা খেয়ে বিরোধী কাজ করে বসলো, এ যেন নিজের পায়ে নিজেই হানলো কুঠারাঘাত। কতকাল যে তেমন জাহেলিয়াত চলছে তার হিসেব একমাত্র খোদা নিজেই জানেন। তবে সহজেই বলা চলে কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়া পর্যন্ত উক্ত এলাকা অবশ্যই আঁধারের রাজ্য বলে বিবেচনা করতে হবে। মূলতঃ পৃথিবীটা অন্ধকারে ডুবে ছিল মহোজ্যোতি দিবাকর স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত। খোদা এক মহোজ্যোতি স্থাপন করলেন, গোটা বিশ্ব আলোকিত করার জন্য, যা আমরা সূর্য নামে চিহ্নিত করে থাকি। ঠিক একইভাবে আদমের স্খলনের পর থেকে গোটা বিশ্ববাসি অন্ধকার ও পাপের অমানিশায় বিচরণ করে চলতে হলো বাধ্য। তারা স্বীয় প্রচেষ্টায় নিজেদের ধার্মিক সাজাতে গিয়ে জন্ম দিল ৩৩ কোটি দেব-দেবি। চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-নক্ষত্র, অতিকায় প্রাণিকুল, সাপ, কুমির এমনকি লিঙ্গ পর্যন্ত পূজা দিয়ে তারা নিজেদের জীবন খোদার পাশাপাশি নিয়ে আসার জন্য নিয়ত সাধনা করে চলছে। পাথর পূজা, স্থান-কাল-লগ্ন পূজা নিত্য নৈমিত্তিক সর্বজনগ্রাহ্য আরাধনার বিষয়। তারা আবার স্বগর্বে ঘোষণা দিচ্ছে, এ সকলের মাধ্যমেই তারা অদৃশ্য মাবুদের আরাধনা করে ফিরছে। অথচ উক্ত দেবতাদের জীবনাচরণের মধ্যে পবিত্রতার যে কিছুই খুঁজে পাবার নয়, তা বুঝতে হলে অবশ্যই একজন পূতপবিত্র ব্যক্তির উপস্থিতি থাকতে হবে হাতের কাছে। যেমন জাল নোট (টাকা) বুঝতে হলে অবশ্যই আসল নোটের সাথে থাকতে হবে পরিচিতি!
মানুষ কতকাল অন্ধকারে হাবুডুবু খেতে থাকবে? খোদা দয়াপরবশ হয়ে এক অভিনভ ব্যবস্থা প্রেরণ করলেন মানুষের কাছে, যিনি হলেন সম্পূর্ণ বেগুনাহ ব্যক্তি, যিনি আদমে কলুষিত বীর্য থেকে জন্মপ্রাপ্ত নন, বরং পূতপবিত্র মাবুদের পাকরূহের মানবরূপ ধারণ, যার মাধ্যমে বাতেনি আলাহপাকের হুবহু প্রকাশ মানুষ দেখতে পেল। তিনি মানুষকে কটু বাক্যটুকু বলেন নি বরং গোটা বিশ্ববাসির পাপের কাফফারা পরিশোধ করার জন্য জিনের প্রাণের কোরবানি দিলেন। প্রেমের পরাকাষ্টা প্রকাশ করলেন যেন গুনাহগার ব্যক্তিবর্গ কাফফারা সাধনকারী তাঁর পবিত্র রক্তের মূল্যে হতে পারে গুনাহমুক্ত।
মসিহ হলেন এমন এক অভাবিত ব্যবস্থা যার মাধ্যমে অনুতপ্ত গুনাহগার ব্যক্তি হতে পারে মুক্তপাপ, স্নাতশুভ্র খোদার সাথে পুনর্মিলিত ব্যক্তি।
মসিহ এসেছেন হারানো সন্তানদের উদ্ধার করার জন্য, রক্ষা করার জন্য, খোদার মনোনীত সন্তান খোদার হাতে ফিরিয়ে দেবার জন্য। কেবল বিশ্বাসহেতু প্রত্যেক ব্যক্তি মসিহের মাধ্যমে খোদার আদুরে সন্তানে পরিণত হতে পারে, যার জন্য মসিহ এতটা মূল্য দিলেন। কেবল প্রেমের তাগিদে তিনি তা করলেন, আর প্রেমের কারণেই আপনি একমাত্র পূতপবিত্র ব্যক্তির মাধ্যমে লাভ করতে পারেন নব-জীবন। বিশ্বাসহেতু গুনাহগার নাজাত পেল মসিহের মাধ্যমে।
যদিও আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল, পূতপবিত্র প্রেমের পরাকাষ্টা, আলাহপাকের খাস প্রতিনিধি হিসেবে, রক্ষা করে চলবে বাতেনি আলাহপাকের বহিপ্রকাশিত প্রতিচ্ছবি অর্থাৎ সুরত; কিন্তু অভিশপ্ত ইবলিসের ধোকা খেয়ে বিরোধী কাজ করে বসলো, এ যেন নিজের পায়ে নিজেই হানলো কুঠারাঘাত। কতকাল যে তেমন জাহেলিয়াত চলছে তার হিসেব একমাত্র খোদা নিজেই জানেন। তবে সহজেই বলা চলে কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়া পর্যন্ত উক্ত এলাকা অবশ্যই আঁধারের রাজ্য বলে বিবেচনা করতে হবে। মূলতঃ পৃথিবীটা অন্ধকারে ডুবে ছিল মহোজ্যোতি দিবাকর স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত। খোদা এক মহোজ্যোতি স্থাপন করলেন, গোটা বিশ্ব আলোকিত করার জন্য, যা আমরা সূর্য নামে চিহ্নিত করে থাকি। ঠিক একইভাবে আদমের স্খলনের পর থেকে গোটা বিশ্ববাসি অন্ধকার ও পাপের অমানিশায় বিচরণ করে চলতে হলো বাধ্য। তারা স্বীয় প্রচেষ্টায় নিজেদের ধার্মিক সাজাতে গিয়ে জন্ম দিল ৩৩ কোটি দেব-দেবি। চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-নক্ষত্র, অতিকায় প্রাণিকুল, সাপ, কুমির এমনকি লিঙ্গ পর্যন্ত পূজা দিয়ে তারা নিজেদের জীবন খোদার পাশাপাশি নিয়ে আসার জন্য নিয়ত সাধনা করে চলছে। পাথর পূজা, স্থান-কাল-লগ্ন পূজা নিত্য নৈমিত্তিক সর্বজনগ্রাহ্য আরাধনার বিষয়। তারা আবার স্বগর্বে ঘোষণা দিচ্ছে, এ সকলের মাধ্যমেই তারা অদৃশ্য মাবুদের আরাধনা করে ফিরছে। অথচ উক্ত দেবতাদের জীবনাচরণের মধ্যে পবিত্রতার যে কিছুই খুঁজে পাবার নয়, তা বুঝতে হলে অবশ্যই একজন পূতপবিত্র ব্যক্তির উপস্থিতি থাকতে হবে হাতের কাছে। যেমন জাল নোট (টাকা) বুঝতে হলে অবশ্যই আসল নোটের সাথে থাকতে হবে পরিচিতি!
মানুষ কতকাল অন্ধকারে হাবুডুবু খেতে থাকবে? খোদা দয়াপরবশ হয়ে এক অভিনভ ব্যবস্থা প্রেরণ করলেন মানুষের কাছে, যিনি হলেন সম্পূর্ণ বেগুনাহ ব্যক্তি, যিনি আদমে কলুষিত বীর্য থেকে জন্মপ্রাপ্ত নন, বরং পূতপবিত্র মাবুদের পাকরূহের মানবরূপ ধারণ, যার মাধ্যমে বাতেনি আলাহপাকের হুবহু প্রকাশ মানুষ দেখতে পেল। তিনি মানুষকে কটু বাক্যটুকু বলেন নি বরং গোটা বিশ্ববাসির পাপের কাফফারা পরিশোধ করার জন্য জিনের প্রাণের কোরবানি দিলেন। প্রেমের পরাকাষ্টা প্রকাশ করলেন যেন গুনাহগার ব্যক্তিবর্গ কাফফারা সাধনকারী তাঁর পবিত্র রক্তের মূল্যে হতে পারে গুনাহমুক্ত।
মসিহ হলেন এমন এক অভাবিত ব্যবস্থা যার মাধ্যমে অনুতপ্ত গুনাহগার ব্যক্তি হতে পারে মুক্তপাপ, স্নাতশুভ্র খোদার সাথে পুনর্মিলিত ব্যক্তি।
মসিহ এসেছেন হারানো সন্তানদের উদ্ধার করার জন্য, রক্ষা করার জন্য, খোদার মনোনীত সন্তান খোদার হাতে ফিরিয়ে দেবার জন্য। কেবল বিশ্বাসহেতু প্রত্যেক ব্যক্তি মসিহের মাধ্যমে খোদার আদুরে সন্তানে পরিণত হতে পারে, যার জন্য মসিহ এতটা মূল্য দিলেন। কেবল প্রেমের তাগিদে তিনি তা করলেন, আর প্রেমের কারণেই আপনি একমাত্র পূতপবিত্র ব্যক্তির মাধ্যমে লাভ করতে পারেন নব-জীবন। বিশ্বাসহেতু গুনাহগার নাজাত পেল মসিহের মাধ্যমে।