ব্যক্তিত্ব বলতে নিজস্ব, গাম্ভীর্য, মানবস্বভাব, ব্যক্তিত্বব্যাঞ্জক, ব্যক্তিত্বশালী অর্থাৎ ব্যক্তিটি কোন মনের, কোন চরিত্রের ইত্যাদি দেখানোর জন্য উক্ত শব্দ সমূহ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। গোটা পৃথিবী মানুষে ভরা, আর তাই হলো খোদার চাহিদা। তবে খোদা মানুষকে নিজের ব্যক্তিত্বে সৃষ্টি করেন যেন সে সুন্দরভাবে শ্রষ্টার প্রতিনিধিত্ব বজায় রেখে চলে।
জন প্রতিনিধি জনগণের কথা বলবে বলেই জনগণ তাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়ে থাকে। নাম কেবল নামেই নয়, নাম দিয়ে ব্যক্তিকে, তার মনমানসিকতা, চিন্তাচেতনা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। যেমন কারো নাম ‘জাফর’ থাকতে পারে, তবে বর্তমানে উক্ত নামটি কিছুটা দুষিত হয়ে পড়ছে, বিশেষ করে ‘মীর’ বংসের কাছে। যথা মীর পরিবারে যদি কোনো পুত্রের নাম জাফর রাখা হয় তবে কয়েকদিনের মধ্যেই তাকে ‘মীর জাফর’ বলে ডাকতে শুরু করবে, আর বাংলার ইতিহাসে ওটা হরেলা নিন্দনীয় একটা নাম। পাঠকবর্গ তা সম্ভবত আপনাদের কিছুটা জানা রয়েছে।
মানুষের সুন্দর নাম নিয়ে বড়াই করার কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ দেখি না, তবে মানুষের কর্ম, অবদান, চিন্তা চেতনা নিয়ে আলোচনার প্রশংসার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
যেমন একনামে যাকে চেনা যায় তেমন এক ব্যক্তি হলেন মহাত্মাগান্ধি, তাঁর আসল নাম হলো মোহনদাস করমচান্দ গান্ধি যিনি ভারতবর্ষকে বৃটিশের শোষণ নির্যাতন থেকে মুক্ত করার আন্দোলনের অগ্রনায়ক ছিলেন। তাঁর জন্ম তারিখ ২ অক্টেবর ১৮৬৯ আর তাঁকে হত্যা করা হয় ৩০ জানুয়ারী ১৯৪৮।
তাই আজ আমরা কেবল নাম শুনেই বর্তে যাবো না, আমাদের জানতে হবে ব্যক্তিটিকে, তার মনের ভিতরের মানুষটিকে। জানতে হবে, মানুষের আকৃতি অবয়ব নিয়ে সে প্রকৃত মানুষ কিনা, না মানুষের রূপে কোনো ইবলিসের সমাগম হলো কিনা, জানতে হবে উক্ত মানুষটির দ্বারা জমাজের আর দশজন ভিতসন্ত্রস্থ থাকে না দশের কল্যাণের জন্য তিনি নিজে প্রাণ কোরবানি দিতেও থাকে সদাপ্রস্তুত।
মানুষ মানুষকে ধোকা দিতে পারে, দিয়ে থাকে যা হারহামেসা সমাজে ঘটে চলছে। বর্তমানে যারা ভাগ্যন্বেষণে সাগরে ডুবে মরছে, তাদের পিছনেও দালালচক্র নিয়ত রয়েছে ব্যস্ত, তাই আমাদের নচে নিতে হবে উক্ত দালালদের। ধর্মের নামে এক শ্রেণির দালাল রয়েছে যারা মানুষকে ধোকা দিয়ে করে চলছ সর্বশান্ত। মানুষ আজ ধর্মের নামে কতকগুলো বাক্য দিবানিশি আওড়াচ্ছে অথচ উক্ত বাক্যের মূল অর্থ হলো মানুষের মাঝে শান্তি স্থাপন করা, একে অন্যকে সাহায্য করা, মানুষের কল্যাণে সদাসর্বদা এগিয়ে আসা, যা কিছু আছে কল্যানকর্মে তা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া, সর্বান্তকরণে খোদার উপর নির্ভর করা ও প্রতিবেশি ভাইবোনদের আত্মবৎ প্রেম করা।
মানুষ যে এক পরিবার থেকে উৎপন্ন তা তাকে জানতে হবে, মানুষ হলো খোদার প্রতিনিধি যার অর্থ হলো খোদা যাকিছু করে চলেন, যাকিছু তাঁর কাম্য উক্ত ব্যক্তিকেও খোদার প্রেম সহমর্মিতা আদর্শ নিয়ে চলবে। এখানে কথা বলা আছে, খোদা হলেন এক রুহানি সত্ত্বা, তাই তাকে জাহির করার জন্য অবশ্যই রক্ত মাংসের এক ব্যক্তি চাই, আর উক্ত ব্যক্তি হলেন প্রথম মানুষ হযরত আদম (আ.)। কিন্তু তিনি অভিশপ্ত ইবলিসের দাগায় পড়ে গোটা জাতিকে পাপের সাগরে ডুবিয়ে দিলেন। বর্তমানের মানুষ হলো পাপাক্রান্ত বিক্রিত মন-মানুষিকতার প্রকাশ। মানুষ কিছুই বাকি রাখেনি খোদার পবিত্রতার, তাকে দেখে আজ আর খোদার প্রতিচ্ছবি দেখা সম্ভব নয় বরং সে এখন অবিকল ইবলিসের চেলা। কষ্ট করে নিত্যদিনের খবরটুকু জেনে নিন, তবে আমাকে আর অতোটা বয়ান দিতে হবে না।
ধর্মধামগুলো সকলেই এক খোদার জিগির তুললেও তারা নিজেদের মধ্যে হিংসা-বিদ্ধেষে নিয়ত জ্বলে মরছে, একজন, আর একজনকে সহ্য করতে অপার। আজ ধমৃ খুঁজে পাবেন পোশাকে, যা থাকা উচিত ছিল জীবনাচরণে। তার নাম নাম সর্বস্ব! কেবল মানুষ জবাই দিচ্ছে ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে, অথচ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হবে হৃদয়ে, কেননা খোদা হলেন এক রুহানি সত্ত্বা, তাই তাঁর বন্দেগি কেবল রূহে ও সত্যে হতে হবে সাধিত। দৈহিক অঙ্গভঙ্গির এক্ষেত্রে প্রয়াশ কোথা?
ইট-কাঠের গৃহে খোদা বাস করেন না, বরং তিনি খুঁজে ফিরছেন ভক্তের হৃদয়, কেননা একজন খোদাভক্তের হৃদয় হলো খোদার দরবার। তিনি তো মানুষ খুঁজে ফিরছেন, নিয়ত দ্বারে দ্বারে করাঘাত করে চলছেন। একটি সন্তান হারিয়ে যাক, বখে যাক, গোমরাহ হয়ে অনন্ত আজাবে জ্বলতে থাকুক তা তাঁর কাম্য নয়, ওটা হলো কেবল ইবলিসের অভিলাস। ইবলিস তো কষ্মিনকালেও মানুষের কল্যাণ কামনা করেনি, করতেও পারে না, ও কুলটা তো প্রধান ফেরেস্তা ছিল, কথায় বলে তকাব্বরিতে আজাজিলের পয়দা অর্থাৎ আত্ম অহংকারে সুমহান পজিশন থেকে হলো বিতাড়িত। সেই সুবাদে মানুষের ক্ষতি করা ওর একমাত্র ব্রত।
ইবলিসের বাহারি পোশাকে আমরা মুগ্ধ হতে পারি না, ওর চাতুর্যপূর্ণ বয়ানেও ধরা দেব না, বরং মানবকল্যাণে যে শক্তি নিয়ত ব্যস্ত থাকে তাঁকেই আমরা সম্মান দেব, কাছে আসব এবং করবো তার পদাঙ্ক অনুসরণ। আমাদের সত্যের পথে করো পরিচালনা, তাই অবশ্যই প্রকৃত সত্য আমাদের চিনে নিতে হবে। সত্য চিরন্তন সত্য, যার মধ্যে মিথ্যার, ছলচাতুরির অথবা লৌকিকতার কোনো বালাই নেই। খোদা আমাদের জন্য তেমন ‘একক সত্য’ জগতে প্রেরণ করেছেন আর তা মানুষ রূপে, যিনি হলেন গোটা বিশ্ববাসির জন্য এক বিশেষ রহমত। যার মধ্য দিয়ে হারানো সন্তানগণ ফিরে আসতে পারে পিতৃগৃহে, পিতার ক্রোড়ে। তিনি হলেন কালেমাতুলাহ, যিনি খোদার রূহ যাকে রুহুলাহ বলা হয়। তিনি একমাত্র সত্য ও আত্মা মানবরূপে ঐশি মেষ হিসেবে হলেন জগতে আবির্ভূত। উদ্দেশ্য, গোটা বিশ্বের পাপের কাফফার পরিশোধ করা।
গোটা বিশ্ব আজ পাপের ছোবলে আক্রান্ত, ধুকে ধুকে মরছে, মৃত্যুর ক্ষণ গুনছে, ছোকে নেই কোনো আশার আলো, নেই কেউ তাদের শান্তনা বা অভয়বাণী দান করে, নিশ্চয়তা দিতে পারে অনন্ত জীবনের, কেননা আদম বংশোদ্ভুত প্রত্যেকটি ব্যক্তি পাপের নিগড়ে বন্দি, সকলেই আদমের অবাধ্য রক্তের ধারক বাহক। কিন্তু নাজাতদাতা আগদমরূপে বটে তবে আদমের ঔরষ থেকে তার জন্ম হয় নি। তিনি খোদার জীবন্ত কালাম ও রূহ যাকে পাপ ও দিয়াবল স্পর্শ করতে পারে নি। মানবজাতির জন্য তিনি হলেন মুক্তিদাতা। তিনি বিশেষভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, সকল পরিশ্রান্ত ভারাক্রান্তদের উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তার কাছে আশ্রয় নেবার জন্য। তিনি সকলকে এক নতুন সৃষ্টি হিসেবে গড়ে তুলেন। আর বিরুদ্ধাচারীদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, কেউ কি আছে তাঁকে গুনাহগার বলে প্রমান করতে। আজ পর্যন্ত কোনো দুর্মুখ তাঁকে পাপী বলার হিম্মত দেখাতে পারে নি।
গোটা বিশ্বের পাপের কাফফারা শোধ দিয়েছেন নিজের মর্মবিদারক সলিবে নিজের পূতপবিত্র রক্তের মূল্যে। কেবল বিশ্বাসহেতু হলো আজ সকলেই মুক্তপাপ। খোদার রহমতে ঈমান আনিবার মাধ্যমে সকলে নাজাত প্রাপ্য (ইফিষীয় ২ ঃ ৮-১০)
জন প্রতিনিধি জনগণের কথা বলবে বলেই জনগণ তাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়ে থাকে। নাম কেবল নামেই নয়, নাম দিয়ে ব্যক্তিকে, তার মনমানসিকতা, চিন্তাচেতনা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। যেমন কারো নাম ‘জাফর’ থাকতে পারে, তবে বর্তমানে উক্ত নামটি কিছুটা দুষিত হয়ে পড়ছে, বিশেষ করে ‘মীর’ বংসের কাছে। যথা মীর পরিবারে যদি কোনো পুত্রের নাম জাফর রাখা হয় তবে কয়েকদিনের মধ্যেই তাকে ‘মীর জাফর’ বলে ডাকতে শুরু করবে, আর বাংলার ইতিহাসে ওটা হরেলা নিন্দনীয় একটা নাম। পাঠকবর্গ তা সম্ভবত আপনাদের কিছুটা জানা রয়েছে।
মানুষের সুন্দর নাম নিয়ে বড়াই করার কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ দেখি না, তবে মানুষের কর্ম, অবদান, চিন্তা চেতনা নিয়ে আলোচনার প্রশংসার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
যেমন একনামে যাকে চেনা যায় তেমন এক ব্যক্তি হলেন মহাত্মাগান্ধি, তাঁর আসল নাম হলো মোহনদাস করমচান্দ গান্ধি যিনি ভারতবর্ষকে বৃটিশের শোষণ নির্যাতন থেকে মুক্ত করার আন্দোলনের অগ্রনায়ক ছিলেন। তাঁর জন্ম তারিখ ২ অক্টেবর ১৮৬৯ আর তাঁকে হত্যা করা হয় ৩০ জানুয়ারী ১৯৪৮।
তাই আজ আমরা কেবল নাম শুনেই বর্তে যাবো না, আমাদের জানতে হবে ব্যক্তিটিকে, তার মনের ভিতরের মানুষটিকে। জানতে হবে, মানুষের আকৃতি অবয়ব নিয়ে সে প্রকৃত মানুষ কিনা, না মানুষের রূপে কোনো ইবলিসের সমাগম হলো কিনা, জানতে হবে উক্ত মানুষটির দ্বারা জমাজের আর দশজন ভিতসন্ত্রস্থ থাকে না দশের কল্যাণের জন্য তিনি নিজে প্রাণ কোরবানি দিতেও থাকে সদাপ্রস্তুত।
মানুষ মানুষকে ধোকা দিতে পারে, দিয়ে থাকে যা হারহামেসা সমাজে ঘটে চলছে। বর্তমানে যারা ভাগ্যন্বেষণে সাগরে ডুবে মরছে, তাদের পিছনেও দালালচক্র নিয়ত রয়েছে ব্যস্ত, তাই আমাদের নচে নিতে হবে উক্ত দালালদের। ধর্মের নামে এক শ্রেণির দালাল রয়েছে যারা মানুষকে ধোকা দিয়ে করে চলছ সর্বশান্ত। মানুষ আজ ধর্মের নামে কতকগুলো বাক্য দিবানিশি আওড়াচ্ছে অথচ উক্ত বাক্যের মূল অর্থ হলো মানুষের মাঝে শান্তি স্থাপন করা, একে অন্যকে সাহায্য করা, মানুষের কল্যাণে সদাসর্বদা এগিয়ে আসা, যা কিছু আছে কল্যানকর্মে তা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া, সর্বান্তকরণে খোদার উপর নির্ভর করা ও প্রতিবেশি ভাইবোনদের আত্মবৎ প্রেম করা।
মানুষ যে এক পরিবার থেকে উৎপন্ন তা তাকে জানতে হবে, মানুষ হলো খোদার প্রতিনিধি যার অর্থ হলো খোদা যাকিছু করে চলেন, যাকিছু তাঁর কাম্য উক্ত ব্যক্তিকেও খোদার প্রেম সহমর্মিতা আদর্শ নিয়ে চলবে। এখানে কথা বলা আছে, খোদা হলেন এক রুহানি সত্ত্বা, তাই তাকে জাহির করার জন্য অবশ্যই রক্ত মাংসের এক ব্যক্তি চাই, আর উক্ত ব্যক্তি হলেন প্রথম মানুষ হযরত আদম (আ.)। কিন্তু তিনি অভিশপ্ত ইবলিসের দাগায় পড়ে গোটা জাতিকে পাপের সাগরে ডুবিয়ে দিলেন। বর্তমানের মানুষ হলো পাপাক্রান্ত বিক্রিত মন-মানুষিকতার প্রকাশ। মানুষ কিছুই বাকি রাখেনি খোদার পবিত্রতার, তাকে দেখে আজ আর খোদার প্রতিচ্ছবি দেখা সম্ভব নয় বরং সে এখন অবিকল ইবলিসের চেলা। কষ্ট করে নিত্যদিনের খবরটুকু জেনে নিন, তবে আমাকে আর অতোটা বয়ান দিতে হবে না।
ধর্মধামগুলো সকলেই এক খোদার জিগির তুললেও তারা নিজেদের মধ্যে হিংসা-বিদ্ধেষে নিয়ত জ্বলে মরছে, একজন, আর একজনকে সহ্য করতে অপার। আজ ধমৃ খুঁজে পাবেন পোশাকে, যা থাকা উচিত ছিল জীবনাচরণে। তার নাম নাম সর্বস্ব! কেবল মানুষ জবাই দিচ্ছে ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে, অথচ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হবে হৃদয়ে, কেননা খোদা হলেন এক রুহানি সত্ত্বা, তাই তাঁর বন্দেগি কেবল রূহে ও সত্যে হতে হবে সাধিত। দৈহিক অঙ্গভঙ্গির এক্ষেত্রে প্রয়াশ কোথা?
ইট-কাঠের গৃহে খোদা বাস করেন না, বরং তিনি খুঁজে ফিরছেন ভক্তের হৃদয়, কেননা একজন খোদাভক্তের হৃদয় হলো খোদার দরবার। তিনি তো মানুষ খুঁজে ফিরছেন, নিয়ত দ্বারে দ্বারে করাঘাত করে চলছেন। একটি সন্তান হারিয়ে যাক, বখে যাক, গোমরাহ হয়ে অনন্ত আজাবে জ্বলতে থাকুক তা তাঁর কাম্য নয়, ওটা হলো কেবল ইবলিসের অভিলাস। ইবলিস তো কষ্মিনকালেও মানুষের কল্যাণ কামনা করেনি, করতেও পারে না, ও কুলটা তো প্রধান ফেরেস্তা ছিল, কথায় বলে তকাব্বরিতে আজাজিলের পয়দা অর্থাৎ আত্ম অহংকারে সুমহান পজিশন থেকে হলো বিতাড়িত। সেই সুবাদে মানুষের ক্ষতি করা ওর একমাত্র ব্রত।
ইবলিসের বাহারি পোশাকে আমরা মুগ্ধ হতে পারি না, ওর চাতুর্যপূর্ণ বয়ানেও ধরা দেব না, বরং মানবকল্যাণে যে শক্তি নিয়ত ব্যস্ত থাকে তাঁকেই আমরা সম্মান দেব, কাছে আসব এবং করবো তার পদাঙ্ক অনুসরণ। আমাদের সত্যের পথে করো পরিচালনা, তাই অবশ্যই প্রকৃত সত্য আমাদের চিনে নিতে হবে। সত্য চিরন্তন সত্য, যার মধ্যে মিথ্যার, ছলচাতুরির অথবা লৌকিকতার কোনো বালাই নেই। খোদা আমাদের জন্য তেমন ‘একক সত্য’ জগতে প্রেরণ করেছেন আর তা মানুষ রূপে, যিনি হলেন গোটা বিশ্ববাসির জন্য এক বিশেষ রহমত। যার মধ্য দিয়ে হারানো সন্তানগণ ফিরে আসতে পারে পিতৃগৃহে, পিতার ক্রোড়ে। তিনি হলেন কালেমাতুলাহ, যিনি খোদার রূহ যাকে রুহুলাহ বলা হয়। তিনি একমাত্র সত্য ও আত্মা মানবরূপে ঐশি মেষ হিসেবে হলেন জগতে আবির্ভূত। উদ্দেশ্য, গোটা বিশ্বের পাপের কাফফার পরিশোধ করা।
গোটা বিশ্ব আজ পাপের ছোবলে আক্রান্ত, ধুকে ধুকে মরছে, মৃত্যুর ক্ষণ গুনছে, ছোকে নেই কোনো আশার আলো, নেই কেউ তাদের শান্তনা বা অভয়বাণী দান করে, নিশ্চয়তা দিতে পারে অনন্ত জীবনের, কেননা আদম বংশোদ্ভুত প্রত্যেকটি ব্যক্তি পাপের নিগড়ে বন্দি, সকলেই আদমের অবাধ্য রক্তের ধারক বাহক। কিন্তু নাজাতদাতা আগদমরূপে বটে তবে আদমের ঔরষ থেকে তার জন্ম হয় নি। তিনি খোদার জীবন্ত কালাম ও রূহ যাকে পাপ ও দিয়াবল স্পর্শ করতে পারে নি। মানবজাতির জন্য তিনি হলেন মুক্তিদাতা। তিনি বিশেষভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, সকল পরিশ্রান্ত ভারাক্রান্তদের উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তার কাছে আশ্রয় নেবার জন্য। তিনি সকলকে এক নতুন সৃষ্টি হিসেবে গড়ে তুলেন। আর বিরুদ্ধাচারীদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, কেউ কি আছে তাঁকে গুনাহগার বলে প্রমান করতে। আজ পর্যন্ত কোনো দুর্মুখ তাঁকে পাপী বলার হিম্মত দেখাতে পারে নি।
গোটা বিশ্বের পাপের কাফফারা শোধ দিয়েছেন নিজের মর্মবিদারক সলিবে নিজের পূতপবিত্র রক্তের মূল্যে। কেবল বিশ্বাসহেতু হলো আজ সকলেই মুক্তপাপ। খোদার রহমতে ঈমান আনিবার মাধ্যমে সকলে নাজাত প্রাপ্য (ইফিষীয় ২ ঃ ৮-১০)