সমস্ত বিতর্কের একটি সুষ্ঠু সমাধান মিলে যায় পাক-কালাম থেকে দুটো আয়াত পাঠ করা হলে, যেথা খোদ খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ নিজেই বলেছেন, “তোমরা আমাকে বেছে নাও নি, কিন্তু আমি তোমাদের বেছে নিয়ে কাজে লাগিয়েছি যাতে তোমাদের জীবনে ফল ধরে আর তোমাদের সেই ফল যেন টিকে থাকে। তাহলে আমার নামে পিতার কাছে যা কিছু চাইবে তা তিনি তোমাদের দেবেন। এই হুকুম আমি তোমাদের দিচ্ছি যে, তোমরা একে অন্যকে মহব্বত কোরো” (ইউহোন্না ১৫ : ১৬, ১৭)।
আমরা যারা আমন্ত্রিত ব্যক্তি, ক্ষেত্র বিশেষে অনেক সময় কেউ কাওকে চিনি না, জানি না, হয়তোবা সম্পূর্ণ অপরিচিত, কিন্তু যিনি হোস্ট বা নিমন্ত্রণকর্তা তিনি অবশ্যই জানেন, রয়েছে তাঁর সাথে আমন্ত্রিতদের সখ্যতা, তাই আমরা আমন্ত্রিত, যতটা সম্ভব প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে শালীনতা বজায় রেখে চলতে হবে, মনে রাখতে হবে, আমার অচেনা ব্যক্তিটিও আমন্ত্রিত সম্মানিত ব্যক্তি।
অদ্যকার আলোচ্য বিষয়ের আলোকে মসিহ যাদের আহŸান জানিয়েছেন, তাঁর প্রেমের ক্রোড়ে যাদের আসন গ্রহণ করার সুযোগ দিয়েছেন, তাদের আমরা সহ্য করতে পারবো না এমন তো কথা আসতেই পারে না।
মানুষের চিরশত্রু হলো অভিশপ্ত ইবলিস, সে সদা-সর্বদা মানুষকে বিভ্রান্ত করে চলছে, কতগুলো ফালতু বিষয়ের প্রতি আকৃষ্ট করে চলছে, যেন মানুষ সঠিক পথে চলতে গিয়ে পায়ে পায়ে জড়িয়ে পড়ে, গতি থেমে যায, রুদ্ধ হয়।
অবশ্য আমাদের চিরসহায় রয়েছেন চিরঞ্জীব, চিরজাগ্রত প্রেমের কান্ডারি পুনরুত্থিত ঈসা মসিহ, যিনি হলেন খোদার জীবন্ত পবিত্র কালাম ও পাকরূহ, গোটা বিশ^ তো নির্মিত হয়েছে এই কালাম ও রূহের দ্বারা, আর সেই কালাম ও রূহ নিয়ত বাস করে চলছেন প্রত্যেকটি বিশ্বাসি ব্যক্তির হৃদয় জুড়ে।
মসিহিদের বিভ্রান্ত বা পরাভুত করার ক্ষমতা ইবলিসের হাতে নেই, যদিও দূর থেকে ভেংচি কাটতে পারে, প্রলুব্ধ করতে পারে, কিন্তু ব্যক্তি যদি মাবুদের উপর স্থির অবিচল বিশ্বস্ত থাকে, তবে ভুতের দাদারও সাধ্য নেই বিশ্বাসির ঈমানে ফাটল ধরাতে পারে বা প্রকম্পিত করার ক্ষমতা রাখে।
আমি বলব না, কথা অনুযায়ী আমার জীবন সদা-সর্বদা নির্ভুল পথে রয়েছে, না, তেমন দাবি করা হবে খোদার কালাম মিথ্যা প্রমান করার হীনপ্রচেষ্টা। আমি নিজে একজন গুনাহগার, বর্তমানে যা কিছু দৃষ্ট হচ্ছে, তাঁর সবটুকুই মাবুদের করুনার হস্তের দান, আমি তাঁর মনোনীত, তিনি আমাকে বেছে নিয়ে নতুন সৃষ্টি হিসেবে গড়ে তুলেছেন, এ যেন জগদ্দল পাথর কেটে কেটে সুন্দর ভাষ্কর্য নির্মাণ করার প্রক্রিয়া। কতটুকু ছেটে ফেলতে হবে, মুল পাথরটির ওজন কতটা কমবে, ভাষ্করের সবটাই রয়েছে জানা, এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে তিনি তাঁর কর্ম চালিয়ে চলছেন দিবানিশি। যিনি বাছাই করেছেন, পূর্ণাঙ্গ গঠন দেবার দায়িত্ব একমাত্র তিনিই অধিকারে রাখেন। একটি পাথর যেমন আর একটি পাথর দেখে কোনো মন্তব্য করার অধিকার রাখে না।
একইভাবে, আমরা খোদার আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ সকলের সাথে সৎভাব শালীনতা বজায় রেখে তবে দাওয়াত কবুল করবো, এর অধিক বা অতিরিক্ত কিছুই করার নেই আমাদের।
আমরা যারা আমন্ত্রিত ব্যক্তি, ক্ষেত্র বিশেষে অনেক সময় কেউ কাওকে চিনি না, জানি না, হয়তোবা সম্পূর্ণ অপরিচিত, কিন্তু যিনি হোস্ট বা নিমন্ত্রণকর্তা তিনি অবশ্যই জানেন, রয়েছে তাঁর সাথে আমন্ত্রিতদের সখ্যতা, তাই আমরা আমন্ত্রিত, যতটা সম্ভব প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে শালীনতা বজায় রেখে চলতে হবে, মনে রাখতে হবে, আমার অচেনা ব্যক্তিটিও আমন্ত্রিত সম্মানিত ব্যক্তি।
অদ্যকার আলোচ্য বিষয়ের আলোকে মসিহ যাদের আহŸান জানিয়েছেন, তাঁর প্রেমের ক্রোড়ে যাদের আসন গ্রহণ করার সুযোগ দিয়েছেন, তাদের আমরা সহ্য করতে পারবো না এমন তো কথা আসতেই পারে না।
মানুষের চিরশত্রু হলো অভিশপ্ত ইবলিস, সে সদা-সর্বদা মানুষকে বিভ্রান্ত করে চলছে, কতগুলো ফালতু বিষয়ের প্রতি আকৃষ্ট করে চলছে, যেন মানুষ সঠিক পথে চলতে গিয়ে পায়ে পায়ে জড়িয়ে পড়ে, গতি থেমে যায, রুদ্ধ হয়।
অবশ্য আমাদের চিরসহায় রয়েছেন চিরঞ্জীব, চিরজাগ্রত প্রেমের কান্ডারি পুনরুত্থিত ঈসা মসিহ, যিনি হলেন খোদার জীবন্ত পবিত্র কালাম ও পাকরূহ, গোটা বিশ^ তো নির্মিত হয়েছে এই কালাম ও রূহের দ্বারা, আর সেই কালাম ও রূহ নিয়ত বাস করে চলছেন প্রত্যেকটি বিশ্বাসি ব্যক্তির হৃদয় জুড়ে।
মসিহিদের বিভ্রান্ত বা পরাভুত করার ক্ষমতা ইবলিসের হাতে নেই, যদিও দূর থেকে ভেংচি কাটতে পারে, প্রলুব্ধ করতে পারে, কিন্তু ব্যক্তি যদি মাবুদের উপর স্থির অবিচল বিশ্বস্ত থাকে, তবে ভুতের দাদারও সাধ্য নেই বিশ্বাসির ঈমানে ফাটল ধরাতে পারে বা প্রকম্পিত করার ক্ষমতা রাখে।
আমি বলব না, কথা অনুযায়ী আমার জীবন সদা-সর্বদা নির্ভুল পথে রয়েছে, না, তেমন দাবি করা হবে খোদার কালাম মিথ্যা প্রমান করার হীনপ্রচেষ্টা। আমি নিজে একজন গুনাহগার, বর্তমানে যা কিছু দৃষ্ট হচ্ছে, তাঁর সবটুকুই মাবুদের করুনার হস্তের দান, আমি তাঁর মনোনীত, তিনি আমাকে বেছে নিয়ে নতুন সৃষ্টি হিসেবে গড়ে তুলেছেন, এ যেন জগদ্দল পাথর কেটে কেটে সুন্দর ভাষ্কর্য নির্মাণ করার প্রক্রিয়া। কতটুকু ছেটে ফেলতে হবে, মুল পাথরটির ওজন কতটা কমবে, ভাষ্করের সবটাই রয়েছে জানা, এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে তিনি তাঁর কর্ম চালিয়ে চলছেন দিবানিশি। যিনি বাছাই করেছেন, পূর্ণাঙ্গ গঠন দেবার দায়িত্ব একমাত্র তিনিই অধিকারে রাখেন। একটি পাথর যেমন আর একটি পাথর দেখে কোনো মন্তব্য করার অধিকার রাখে না।
একইভাবে, আমরা খোদার আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ সকলের সাথে সৎভাব শালীনতা বজায় রেখে তবে দাওয়াত কবুল করবো, এর অধিক বা অতিরিক্ত কিছুই করার নেই আমাদের।