Sunday, August 31, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

ঠিক এই মুহুর্ত (এম এ ওয়াহাব)

alorfoara by alorfoara
December 3, 2022
in সংখ্যা ২২ (৩০-১১-২০২২), সম্পাদকীয়
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter
সময়ের সর্ব-কনিষ্ঠ অংশ হলো সেকেন্ড! তাও অতিদ্রæত হয়ে যায় অতিক্রান্ত, পরিবর্তে আর এক সেকেন্ড এসে হাজির হয়; এমনি করে মিনিট ঘন্টা দিন সপ্তাহ আমাদের জীবনকে ছুঁয়ে যায়, আর আমরা হয়ে পড়ি বৃদ্ধ-বৃদ্ধা! একদিন ইহকালের পালা ফুরিয়ে যায়, যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে গড়িয়ে পড়ি পরপারে।

তবে যে ক্ষণটুকু এই মূহুর্তে করছি আমি উপভোগ, ধন্যবাদ দিতে হবে মহানায়কের দরবারে, আর রাখতে হবে আর্জী, যদি আর একটু সুযোগ পাওয়া যায়!

যে মুহুর্তটুকু জীবন থেকে অতিক্রান্ত হলো, জীবনের সবকিছু নিয়ে, অর্থাৎ দেনা-পাওনা নিয়ে, আমার জীবন থেকে তা হয়ে গেল বিগত; আমাকে আর উদ্বেগাকুল থাকতে হবে না উন্নত বা পতীত অতীতকে নিয়ে। বর্তমান নিয়ে আমি থাকবো বড়ই হুশিয়ার। মজার বিষয় হলো, আমি আর আমার সুমহান নির্মাতা, যিনি তাঁর স্বীয় প্রতিবিম্বে আমাকে সৃষ্টি করেছেন এক বিশেষ প্রয়োজনে; অবশ্য আমাকে বলেছেন, যেন আমি তাঁর বিষয়টা নিয়ে অতি যতেœ বাস্তবায়নের জন্য ব্যস্ত থাকি। তিনি সৃষ্টি করেই কানে কানে চুপিসারে বললেন ‘প্রজাবন্ত হও, গোটাবিশ্ব ভরে তোল’ (পয়দায়েশ ১ অধ্যায় ২৬ থেকে ২৮ পদ)। আমি জেনে নিয়েছি আমার পরিচয়! এ জ্ঞান আমাকে উৎফুল্ল করে তুলেছে, মনোবল শতগুণ বৃদ্ধি করে দিয়েছে। চলার পথে পুনরায় ঘোষণা দিলেন, যুগের শেষ পর্যন্ত তিনি আমার সাথে সাথে থাকবেন। সে কারণেই গানের সুরে হৃদয় হলো আনন্দিত, “চলতে পথে পিছলে পড়েছি যতবার প্রভু আমি, কোমল হস্ত বাড়িয়ে সদা তুলে নিয়েছো তুমি।

তুমি নিজেই প্রেম আর প্রেম বিকাশের জন্য আমাকে সৃষ্টি করেছো, যা আমি মর্মে মর্মে অনুধাবন করতে পেরেছি। তোমার গ্রন্থে তেমন বাণী খুজলে ছত্রে ছত্রে দেখা যাবে। আমরা যাত্রা শুরু করেছি অবাধ্যতায়, তোমাকে তুচ্ছজ্ঞান করে, পরিবর্তে কুলটা ইবলিসকে সালাম জানিয়ে, ইবলিসের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা হৃদয়ে রয়েছে অটুট, যা হলফ করে বলা চলে। ইবলিসের শিক্ষা হলো ভ্রান্ত শিক্ষা, আমাদের গোটা জীবন কেটেছে তেমন ভ্রান্ত পথে।

কেবল তুমিই খুলে দিলে আমাদের অন্তর্চোখ; আজ আমরা দেখতে পাই, সবকিছু পরিষ্কার। তোমার সাথে কারো কোনো তুলনা চলে না। জগতে এমন কেউ নেই যাকে বলা চলে তোমার ফটোকপি। তোমার তুলনা তুমি নিজেই।

সেই তুমি, অদৃশ্য তুমি নিজেকে প্রকাশ করার তাগিদে আমাকে সৃষ্টি করলে যেন আমার কথায় কাজে জীবনাচরণে লোকজন তোমাকে প্রত্যক্ষ করার সুযোগ লাভ করে। যদিও কথাটা হীমালয়ের চেয়েও অধিক ভারি, তবুও তোমার মুখ থেকে হয়েছে তা নির্গত! “আমরা আমাদের মত করে এখন মানুষ সৃষ্টি করি” এমন একটি ঘোষণা দিয়েই তুমি সৃষ্টি করলে মাত্র একজন মানুষ যিনি হলেন আমাদের আদি পিতা। আদম!

আমি জানি না, তিনি আর কোনো দ্বিতীয় মানুষ তেমনভাবে সৃষ্টি করেছেন কিনা! বিবি হাওয়ার প্রশ্নে অনেকেই তর্ক জুড়ে দেয়, বিবি হাওয়া হলেন দ্বিতীয় মানুষ। তর্ক না করে প্রশ্ন করি, খোদা মাটি দিয়ে যেভাবে আদমকে সৃষ্টি করলেন, তিনি কি সেই একই পদ্ধতিতে বিবি হাওয়াকে সৃষ্টি করেছেন? না! তিনি আদমের পঞ্জরের হাড় দিয়ে বিবি হাওয়াকে সৃষ্টি করেছেন। তারপর প্রথম আজ্ঞা দিলেন, দোয়া করলেন, ক্ষমতা দিলেন প্রজননের মাধ্যমে স্বজাতি উৎপাদন করার জন্য।

খোদা প্রেম! মানুষের অবাধ্যতা দেখে তিনি বড়ই ব্যাথা পেলেন। মানুষ যে প্রতারিত তা তিনি জানেন। ধোকা খাওয়া বোকা বুড়োকে রক্ষা করার জন্য তিনি এক অভিনব ব্যবস্থা উদ্ভাবন করলেন, যা কোনো মানুষের মাথায় আসতে পারে না। স্বার্থপর মানুষ সদা ব্যস্ত থাকে নিজেকে নিয়ে, স্বীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য খুন রাহাজানি পর্যন্ত করে আসছে প্রথম দিন থেকে। আদমের পুত্র কাবিল স্বীয় ভ্রাতা হাবিলকে খুন করে বসলো। আদম অবাধ্য হয়ে তাঁর কি লাভ হলো? গোটা জীবন পস্তানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই তার; আর তার ঔরষজাত সন্তাগণ আজ একই প্রক্রিয়ায় গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে চলছে গোটা জীবন।

তোমার আদুরে সৃষ্টি এভাবে রসাতলে বিলীন হয়ে যাবে, আর তুমি বসে বসে দেখবে তা কি করে ভাবা যায়। তুমি সাথে সাথে হাতে নিলে, অভিনব উপায় প্রকাশ করলে, ঘোষণা দিলে মানব জাতির পাপের কাফফারা পরিশোধ দিয়ে তাদের পুনরায় স্নাতশুভ্র করে তুলবে, ফিরিয়ে দিবে হারানো অধিকার, মানমর্যাদা (২করিন্থীয় ৫ অধ্যায় ২১ পদ)। আর কোরবানির মেষ অবশ্যই হতে হবে নিষ্কলুশ, নিখুঁত, নির্দোষ সার্বিক দিক দিয়ে পরিপূর্ণ।

আদম বংশের মধ্য থেকে তেমন কাওক খুঁজে পাওয়া গেল না বা পাওয়া আদৌ সম্ভব নয়। আদম নিজেই হলেন প্রতারিত, অভিশপ্ত ইবলিসের দ্বারা আবিষ্ট; যিনি কুলটা ইবলিসের কুটচাল উত্তম ভেবে খোদার সুমহান পরিকল্পনা তুচ্ছজ্ঞান ও পাদপিষ্ট করে ইবলিসের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চললেন। ফলে মান-মর্যাদা ঐশি প্রাধিকার সব হারিয়ে আজ নেমে গেল নরকের কুন্ডে। যা হলো; ধর্ম রক্ষার করার জন্য নগর জনপদ কচুকাটা করে আসছে সেই প্রথম ঘণ্টা থেকে।

পৃথিবীতে ধর্মের নামে যতগুলো যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে তার শিকির শিকিও যদি কোনো সুস্থ মানুষ সম্যক বুঝতে পারতো, তবে বোধকরি প্রকৃত সুস্থাবস্থায় সমাজে বাস করা তার পক্ষে আর সম্ভব হতো না। নরঘাতি যুদ্ধের বিবরণ নাইবা দিলামÑ ওটা হলো অভিশপ্ত ইবলিসের কুটচাল, খোদার সৃষ্টি ধ্বংস করে দেবার ব্রত পালন।

আমরা সুস্থ নেই যা প্রত্যয়ের সাথে বলতে পারি। লোভ হিংসা বিদ্বেষের বিষ আমাদের চিত্তটি তেতো ও কালো করে ফেলেছে; উপায় নেই প্রেমের সাথে কথা বলার, ক্ষমাশুলভ আচরণ করার।

আমরা আদৌ ভালোই নেই। আমরা হারিয়ে ফেলেছি সেই আদি ইমেজ-ভাবমূর্তি, প্রতিবিম্ব, ঐশি মনোভাব যা সৃষ্টিলগ্নে খোদা আমাদের মধ্যে স্থাপন করে দিয়েছিলেনÑ ঘোষণা দিলেন সৃষ্টির সর্বোত্তম সৃষ্টি হিসেবে। এখন আর কেউ আমাদের দেখা মাত্র অদৃশ্য খোদাকে দেখতে পায় না। খোদার পরিকল্পনা চরমভাবে হয়ে পড়েছে ভন্ডল, পরাভুত।

প্রথমেই বলেছি, মাবুদ হলেন প্রেম ও ক্ষমার অনন্ত আঁধার, তিনি অবশ্যই সর্বশক্তিমান, সর্বদর্শী সর্বত্র বিরাজমান, প্রেমের অসীম দরিয়া। মানুষের উপর তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তার মুন্ডপাত করা হলো কেবল ইবলিসের একক দায়িত্ব, ব্রত।

তিনি মানুষকে অনন্তকালের জন্য প্রেম করেছেন, এক চিরস্থায়ী প্রেম দিয়ে নিজের কাছে জুড়ে রেখেছেন (ইয়ারমিয়া ৩১ অধ্যায় ৩ পদ)। তিনি অপূর্ব প্রেম প্রকাশ করেছেন স্বীয় কালাম ও পাকরূহের মাধ্যমে। মানুষের পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দেবার জন্য খোদার কালাম আজ মানবরূপ ধারণ করে হলেন ধরাপৃষ্ঠে আবির্ভুত।

মানবের প্রতি খোদার দৃশ্যমান চূড়ান্ত প্রেম প্রকাশ পেল খোদাবন্দ হযরত ঈসা কালেমাতুল্লাহর মানবরূপ ধারণ করার মাধ্যমে। তিনি মানুষকে প্রেম করেছেন চুড়ান্ত মূল্যে। তিনি কাওকে দোষারোপ করার জন্য আগত নন, বরং মানুষের পাপের কাফফারা পরিশোধ দেবার জন্য নিজের পূতপবিত্র নিখুঁত জীবন দিলেন কোরবান (মথি ২০ অধ্যায় ২৮ পদ)।

জগতের পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দেবার পরে তিনি মৃত্যু থেকে পুনরায় জীবিত হলেন এবং অদ্যাবধি গোটা বিশ^বাসিকে নিত্যদিন প্রেরণা যুগিয়ে ফিরছেন; তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, “দেখ, আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আঘাত করছি। কেউ যদি আমার গলার আওয়াজ শুনে দরজা খুলে দেয় তবে আমি ভিতরে তার কাছে যাব এবং তার সংগে খাওয়া-দাওয়া করব, আর সে-ও আমার সঙ্গে খাওয়া দাওয়া করবে” (প্রকাশিত কালাম ৩ অধ্যায় ২০ পদ)। এমন অপূর্ব ঘোষণার তাৎপর্য তাহলে কী দাঁড়াল? মানুষ চরমভাবে খোদাদ্রোহী, পর্দার বাহিরে সকলেই ধার্মিক আসলে পর্দার অন্তরালে জঘন্য খুনি। নরঘাতি যুদ্ধগুলো তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ।

খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহের মুখে কোনো ছলনা, ধোকা, কুবচন বা অপভাষা পর্যন্ত ছিল না। অবশ্য তিনি প্রকাশ করেছেন, সুস্থদের চিকিৎসকের প্রয়োজন নেই বরং অসুস্থদেরই প্রয়োজন। জগতের সকলেই যে পাপী, পাপ করেছে, খোদার গৌরব নষ্ট করেছে, সে বিষয় তো তাঁর জানা রয়েছে। তাই তিনি স্বীয় প্রাণ কোরবানি দিয়েছেন গোটাবিশে^র পাপের প্রায়শ্চিত্ত পরিশোধ দেবার জন্য।

তিনি হলেন পাপীর অকৃত্রিম বন্ধু। আশাহতদের জন্য আশার আলো, অনাথের নাথ। তিনি এসেছেন মৃতদের জীবন দান করার জন্য। যেমন, তিনি প্রকৃত মৃত ব্যক্তিকে সজোরে ডাক দিয়েছেন, অমনি মৃত ব্যক্তি জীবিত হয়ে উঠেছেন। “লাসার, বের হয়ে এস” (ইউহোন্না ১১ অধ্যায় ৪৩ পদ)।

কোনো গুনাহগার ব্যক্তি স্বীয় ধার্মিকতার বলে কখনোই পরিত্রাণ পেতে পারে না। কেননা ইতোপূর্বে সকল মানুষ পাপে পতীত। কেবল খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ হলেন সম্পূর্ণ বেগুনাহ, সেই কারণেই তার পক্ষে সম্ভব হয়েছে, কোরবানির মেষ স্বরূপ বিশ্বের তাবৎ গুনাহ পরিশোধ দেবার নিমিত্তে নিজেকে কোরবানি দেয়া। তিনি সকলের পক্ষে হত হলেন, যেন আমরা যারা পাপে মৃত ও ডুবন্ত ছিলাম তারা নতুন জীবন লাভ করে পিতার সাথে হতে পারি পুণর্মিলিত।

মানবেহিতাস হলো ধ্বংসের ইতিহাস, যুদ্ধের ইতিহাস, কুটচালের ইতিহাস, ভ্রাত্রি হননের ইতিহাস। মুখে এক কথা আর অন্তরে সম্পূর্ণ বিপরীত কথা, আর তা কৌশলে বাস্তবায়নের জন্য চুরি, ডাকাতি, নরহত্যা প্রভৃতি অপকর্মের ইতিহাস।

অপরদিকে মসিহের জ¦লন্ত ইতিহাস হলো মানুষের কল্যাণ আর কল্যান বয়ে আনার ইতিহাস। আপনি কোন দিকে চলতে চান? সিদ্ধান্ত কেবল জীবদ্দসায় নেয়া সম্ভব!

যা কিছু করা ঠিক এই মুহুর্ত। অতীতকাল বিগত বা পতীত, ভবিষ্যত অনাগত। তবে বর্তমান হলো  আপনার সিদ্ধান্ত নেবার অপূর্ব সুযোগ, অবশ্য তাও দ্রুত বিদায় নিচ্ছে, সময়ের সাথে দৌড় প্রতিযোগীতা দিয়ে পেরে ওঠা বড়ই কঠিন; সুতরাং সিদ্ধান্ত নিতে হবে ঠিক এই মুহুর্তে।

(গণনাপুস্তক ২৩ অধ্যায় ১৯ পদ)
খোদা সদাসর্বদা বিশ^স্ত; তিনি যার কাছে যে প্রতিজ্ঞা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অবশ্যই তা পরিপূর্ণ করবেন, কেননা তিনি হলেন বিশ^স্ত। আমরা অবিশ্বস্ত হলেও তিনি বিশ^স্ত থাকেন। আমাদের সাথে রয়েছে এক অনন্তকালীন চুক্তি। অবশ্যই আমাদের অংশ আমাদের পালন করতে হবে, আর তা হলো, তাঁকে বিশ্বাস করা। বিশ্বাস ছাড়া খোদাকে সন্তুষ্ট করা অসম্ভব।

“ঈমান ছাড়া আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা অসম্ভব, কারণ আল্লাহর কাছে যে যায়, তাকে ঈমান আনতে হবে যে, আল্লাহ আছেন এবং যারা তাঁর ইচ্ছামত চলে তারা তাঁর হাত থেকে তাদের পাওনা পায়” (ইব্রানী ১১ অধ্যায় ৬ পদ)।

“তোমাদের মাবুদ আল্লাহর প্রতি যদি তোমাদের পূর্ণ বাধ্যতা থাকে এবং আজ আমি তাঁর যে সব হুকুম তোমাদের দিচ্ছি তা যদি তোমরা যতেœর সংগে পালন কর, তবে তিনি দুনিয়ার অন্য সব জাতির উপরে তোমাদের স্থান দেবেন। (দ্বিতীয় বিবরণী ২৮ অধ্যায় ১), “তোমাদের দেশে সময়মত বৃষ্টি দিয়ে তোমাদের হাতের সব কাজে দোয়া করবার জন্য মাবুদ তাঁর দানের ভাÐার, অর্থাৎ আসমান খুলে দেবেন। তোমরা অনেক জাতিকে ঋণ দিতে পারবে, কিন্তু কারও কাছ থেকে তোমাদের ঋণ নিতে হবে না। মাবুদ এমন করবেন যাতে তোমরা সকলের মাথার উপরে থাক, পায়ের তলায় নয়। তোমাদের মাবুদ আল্লাহর যে সব হুকুম আজ আমি তোমাদের দিচ্ছি তাতে যদি তোমরা কান দাও এবং যতেœর সংগে পালন কর, তবে সব সময় তোমার স্থান থাকবে উপরে নিচে নয়”  (দ্বিতীয় বিবরণী ২৮ অধ্যায় ১২ থেকে ১৩ পদ)

“ঈসা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমি তোমার জন্য কি বরব? তুমি কি চাও?” অন্ধ লোকটি বলল, “হুজুর, আমি যেন দেখতে পাই।” ঈসা বললেন, “যাও তুমি ঈমান এনেছ বলে ভাল হয়েছ।” তাতে লোকটি তখনই দেখতে পেল এবং পথ দিয়ে ঈসার পিছনে পিছনে চলতে লাগল” (মার্ক ১০ অধ্যায় ৫১ থেকে ৫২ পদ)।

“তোমার বিরুদ্ধে তৈরী করা কোন অস্ত্রই টিকবে না; তোমাকে দোষী করা প্রত্যেকটি লোকের যুক্তি খÐন করে তুমি তাদেরই দোষী করবে। এ-ই হল মাবুদের গোলামদের অধিকার আর তাদের উপযুক্ত পাওনা” (ইশাইয়া ৫৪ অধ্যায় ১৭ পদ)।

“সেই দিনে তোমরা আমাকে কোন কথাই জিজ্ঞাসা করবে না। আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, তোমরা আমার নামে পিতার কাছে যা কিছু চাইবে তা তিনি তোমাদের দেবেন। এখনও পর্যন্ত তোমরা আমার নামে কিছুই চাও নি। চাও, তোমরা পাবে যেন তোমাদের আনন্দ পূর্ণ হয়” (ইউহোন্না ১৬ অধ্যায় ২৩ থেকে ২৪ পদ)।

আল্লাহ আমাদের ভয়ের মনোভাব দেন নি; তিনি আমাদের এমন মনোভাব দিয়েছেন যার মধ্যে শক্তি, মহব্বত ও নিজেকে দমনে রাখবার ক্ষমতা রয়েছে (২তীমথিয় ১ অধ্যায় ৭ পদ)।

ShareTweet
Next Post

প্রকৃত ভোক্তা (এম এ ওয়াহাব)

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

August 31, 2025
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

August 31, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা