ইউহোন্ন বর্ণীত সুসমাচারে একটি আয়াতের উপর আলোকপাত করতে চাই, আয়াতটি হলো “আল্লাহ মানুষকে দোষী প্রমান করবার জন্য তাঁর পুত্রকে দুনিয়াতে পাঠান নি, বরং মানুষ যেন পুত্রের দ্বারা নাজাত পায় সেজন্যই তিনি তাঁকে পাঠিয়েছেন” (ইউহোন্না ৩ : ১৭)।
ভিন্ন দৃষ্টান্ত দাড় করা যেতে পারে, কোথাও আগুন লেগেছে, দমকল বাহিনী দ্রুততম সময়ে তথা ছুটে এলো, বলুন তাদের আগমনের কারণ অগ্নি নির্বাপন করা নয় কি? জাহাজ ডুবে গেছে উত্তাল সাগরে, লোকজন বাঁচার জন্য প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা করে চলছে, উদ্ধারকারী জাহাজ ছুটে গেল অকুস্থলে; ডুবাতে নয় বরং ডুবন্ত, মৃত-অর্ধমৃত লোকদের উদ্ধার করার জন্য। কয়েদীদের অবমুক্ত করার টিম জেলখানায় গিয়ে তাদের কর্মপ্রনালী পরিচালনা করছে, যদি সম্ভব হয় তাদের রক্ষা করবে, কয়েদমুক্ত করবে, অন্যথা নয়। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে লোকজন পূর্বেই আপতিত বিপন্ন দশায় কাতরাচ্ছে, তাদের আর্তচীৎকার শুনে হৃদয়বান দয়ার্দ্র হলেন, ছুটে গেলেন, মূল্য দিলেন বিপদমুক্ত করার জন্য। গোটা মানব জাতি আজ বিপন্ন; যেমন করোনা-১৯। চরমভাবে শংকিত সকলে, বিশ্বজুড়ে। মানুষের কমন মরণঘাতি শত্রু আজ করোনা, যার হাত বাঁচার জন্য সকলে ঐকমত্যে সামিল; দৃশ্যপট দৃষ্টান্তকারী বটে। মানুষ সকলেই পাপাক্রান্ত, পাইকারীহারে, প্রভেদ নেই! তবে ভাইরাস প্রবেশ করেছে প্রথম মানুষটির মধ্যে, তিনি হলেন প্রলুব্ধ, বিভ্রান্ত, মোহান্ধ, অভিশপ্ত; খোদ নির্মাতার আজ্ঞা অবজ্ঞা করে কুলটা ইবলিসকে সম্মান ও মান্য করতে শুরু করলেন। খোদা অবাধ্য ব্যক্তিদের এদন কানন থেকে বের করে দিলেন; তাদের এক পুত্র নিজ সহোদর ভ্রাতাকে হত্যা করে ফেললো। মানুষ হলো গুনাহে লিপ্ত, হয়ে পড়লো অভিশপ্ত ইবলিসের হাতে বন্দি। সে অবস্থা থেকে যদি নিরপেক্ষ দৃষ্টি, নিয়ে বিশ্বের যাবতীয় ঘটনাপুঞ্জী পর্যালোচনা করে দেখতে পারেন, তবে বুঝতে এতটুকু কষ্ট হবে না, অবাধ্য আদমের বীর্যজাত প্রত্যেকটি ব্যক্তি কলুষিত, আর তা পাইকারীহারে; প্রভেদ নেই, সকলেই সমান, খোদার মহিমা স্বীয় স্বার্থ সুরক্ষার সুবাদে নিজেদের হাতে বিনাশ করে ছেড়েছে। বিপন্ন ব্যক্তি বাঁচতে চাইবে যা বড়ই স্বাভাবিক বিষয়। গর্তে পড়ার পরে একটি ছোট্ট বিড়াল পর্যন্ত যথাসাধ্য প্রচেষ্টা করে চলে, নিজেকে গর্ত থেকে মুক্ত করার জন্য। মানুষ নিজেকে মুক্তপাপ করার জন্য কত কি যে প্রথা ইতোমধ্যে চালু করেছে আর নিজেদের তৈরি প্রেসক্রিপশন সযত্নে পালন করে চলছে, তবুও নিজেরা নিজেদের দোষমুক্ত করতে সম্পূর্ণ অপারগ। গর্তে পড়া কোনো ব্যক্তি নিজেকে তুলে আনার জন্য যদি নিজের মাথা ধরে উপরে তুলে আনার চেষ্টা করে, তবে তেমন ক্ষেত্রে তার প্রচেষ্টা কতোটা ফলপ্রসু হবে বলুন! পারে কি কোনো কয়েদি নিজেকে কারামুক্ত করতে অথবা জামিনে মুক্ত করতে? অসহায় মানবজাতিকেউদ্ধার করার জন্য ঐশি ব্যবস্থার বিকল্প আর কি হতে পারে বলুন? খোদার রহমতে, তাঁর প্রেরিত নির্ভুল ব্যবস্থার মাধ্যমে, আজ মানুষ নিয়ত মুক্তি লাভ করে চলছে। মানুষের দায়িত্ব, বিশ্বাসপূর্বক তা মনে প্রাণে মেনে নেয়া এবং নিজেকে উক্ত ব্যবস্থার উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা। স্পীডবোটে বৈঠা রাখা হয় কেবল ঘাটে বেধে রাখার জন্য, বৈঠাটি দিয়ে বোটটি চালিয়ে নেয়ার জন্য নয়; চলমান বোটে বসে বৈঠা বাইতে চেষ্টা করে দেখুন, ওটা আপনার হাতে থাকে কিনা, শ্রোতের টানে নিমেশেই তা আপনার হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাবে। কোনো গন্তবে কষ্ট ক্লেষে পৌছার পরে পথকষ্ট কেবল স্মৃতি হয়ে থাকে; অতিরিক্ত ছিু নয়। নিত্যদিনের আলোচনার টেবিলে আলোচিত হতে হবে বর্তমানকার প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে আশির্বাদ প্রেম ক্ষমার বিষয় নিয়ে। পতীত অতীতকে নিয়ে রোজনামচা কেবল বিনাশপ্রাপ্ত দেমাগের বিষয়, যা শুনে বুঝা যাবে, ব্যক্তি অদ্যাবধি রয়ে গেছে রোগাক্রান্ত, হিংসা জিঘাংসাকাতর, চাই তার প্রচুর চিকিৎসা, যা খোদার জীবন্ত কালামের পক্ষে সম্ভব।
খোদার কালাম যেমন দ্বিধার খড়গের সাথে তুল্য আবার তা আগুনের সাথে তথা হাতুড়ীর সাথেও তুলনা করা চলে। আপনার জীবন থেকে অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জ্বালিয়ে পুড়ে ছাই করে দিবে; তাতে আপনার হারাবার কিছু নেই বরং আগুনে পোড়া সোনার মত আপনি অধিক খাঁটি হয়ে উঠবেন।
খোদা বিশ্বের তাবৎ মানুষ ভালোবাসেন আর তার প্রেমের পরিমাপ ও দিগ¦লয় ক্ষুদে মানুষ মাপতে পারে না, আর তেমন প্রশ্নও জাগে না। খোদার প্রেমের দরিয়ায় মানুষ সহজেই ডুবে যেতে পারে, যা হলো স্বাভাবিক প্রত্যাশা।
ভিন্ন দৃষ্টান্ত দাড় করা যেতে পারে, কোথাও আগুন লেগেছে, দমকল বাহিনী দ্রুততম সময়ে তথা ছুটে এলো, বলুন তাদের আগমনের কারণ অগ্নি নির্বাপন করা নয় কি? জাহাজ ডুবে গেছে উত্তাল সাগরে, লোকজন বাঁচার জন্য প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা করে চলছে, উদ্ধারকারী জাহাজ ছুটে গেল অকুস্থলে; ডুবাতে নয় বরং ডুবন্ত, মৃত-অর্ধমৃত লোকদের উদ্ধার করার জন্য। কয়েদীদের অবমুক্ত করার টিম জেলখানায় গিয়ে তাদের কর্মপ্রনালী পরিচালনা করছে, যদি সম্ভব হয় তাদের রক্ষা করবে, কয়েদমুক্ত করবে, অন্যথা নয়। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে লোকজন পূর্বেই আপতিত বিপন্ন দশায় কাতরাচ্ছে, তাদের আর্তচীৎকার শুনে হৃদয়বান দয়ার্দ্র হলেন, ছুটে গেলেন, মূল্য দিলেন বিপদমুক্ত করার জন্য। গোটা মানব জাতি আজ বিপন্ন; যেমন করোনা-১৯। চরমভাবে শংকিত সকলে, বিশ্বজুড়ে। মানুষের কমন মরণঘাতি শত্রু আজ করোনা, যার হাত বাঁচার জন্য সকলে ঐকমত্যে সামিল; দৃশ্যপট দৃষ্টান্তকারী বটে। মানুষ সকলেই পাপাক্রান্ত, পাইকারীহারে, প্রভেদ নেই! তবে ভাইরাস প্রবেশ করেছে প্রথম মানুষটির মধ্যে, তিনি হলেন প্রলুব্ধ, বিভ্রান্ত, মোহান্ধ, অভিশপ্ত; খোদ নির্মাতার আজ্ঞা অবজ্ঞা করে কুলটা ইবলিসকে সম্মান ও মান্য করতে শুরু করলেন। খোদা অবাধ্য ব্যক্তিদের এদন কানন থেকে বের করে দিলেন; তাদের এক পুত্র নিজ সহোদর ভ্রাতাকে হত্যা করে ফেললো। মানুষ হলো গুনাহে লিপ্ত, হয়ে পড়লো অভিশপ্ত ইবলিসের হাতে বন্দি। সে অবস্থা থেকে যদি নিরপেক্ষ দৃষ্টি, নিয়ে বিশ্বের যাবতীয় ঘটনাপুঞ্জী পর্যালোচনা করে দেখতে পারেন, তবে বুঝতে এতটুকু কষ্ট হবে না, অবাধ্য আদমের বীর্যজাত প্রত্যেকটি ব্যক্তি কলুষিত, আর তা পাইকারীহারে; প্রভেদ নেই, সকলেই সমান, খোদার মহিমা স্বীয় স্বার্থ সুরক্ষার সুবাদে নিজেদের হাতে বিনাশ করে ছেড়েছে। বিপন্ন ব্যক্তি বাঁচতে চাইবে যা বড়ই স্বাভাবিক বিষয়। গর্তে পড়ার পরে একটি ছোট্ট বিড়াল পর্যন্ত যথাসাধ্য প্রচেষ্টা করে চলে, নিজেকে গর্ত থেকে মুক্ত করার জন্য। মানুষ নিজেকে মুক্তপাপ করার জন্য কত কি যে প্রথা ইতোমধ্যে চালু করেছে আর নিজেদের তৈরি প্রেসক্রিপশন সযত্নে পালন করে চলছে, তবুও নিজেরা নিজেদের দোষমুক্ত করতে সম্পূর্ণ অপারগ। গর্তে পড়া কোনো ব্যক্তি নিজেকে তুলে আনার জন্য যদি নিজের মাথা ধরে উপরে তুলে আনার চেষ্টা করে, তবে তেমন ক্ষেত্রে তার প্রচেষ্টা কতোটা ফলপ্রসু হবে বলুন! পারে কি কোনো কয়েদি নিজেকে কারামুক্ত করতে অথবা জামিনে মুক্ত করতে? অসহায় মানবজাতিকেউদ্ধার করার জন্য ঐশি ব্যবস্থার বিকল্প আর কি হতে পারে বলুন? খোদার রহমতে, তাঁর প্রেরিত নির্ভুল ব্যবস্থার মাধ্যমে, আজ মানুষ নিয়ত মুক্তি লাভ করে চলছে। মানুষের দায়িত্ব, বিশ্বাসপূর্বক তা মনে প্রাণে মেনে নেয়া এবং নিজেকে উক্ত ব্যবস্থার উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা। স্পীডবোটে বৈঠা রাখা হয় কেবল ঘাটে বেধে রাখার জন্য, বৈঠাটি দিয়ে বোটটি চালিয়ে নেয়ার জন্য নয়; চলমান বোটে বসে বৈঠা বাইতে চেষ্টা করে দেখুন, ওটা আপনার হাতে থাকে কিনা, শ্রোতের টানে নিমেশেই তা আপনার হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাবে। কোনো গন্তবে কষ্ট ক্লেষে পৌছার পরে পথকষ্ট কেবল স্মৃতি হয়ে থাকে; অতিরিক্ত ছিু নয়। নিত্যদিনের আলোচনার টেবিলে আলোচিত হতে হবে বর্তমানকার প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধে আশির্বাদ প্রেম ক্ষমার বিষয় নিয়ে। পতীত অতীতকে নিয়ে রোজনামচা কেবল বিনাশপ্রাপ্ত দেমাগের বিষয়, যা শুনে বুঝা যাবে, ব্যক্তি অদ্যাবধি রয়ে গেছে রোগাক্রান্ত, হিংসা জিঘাংসাকাতর, চাই তার প্রচুর চিকিৎসা, যা খোদার জীবন্ত কালামের পক্ষে সম্ভব।
খোদার কালাম যেমন দ্বিধার খড়গের সাথে তুল্য আবার তা আগুনের সাথে তথা হাতুড়ীর সাথেও তুলনা করা চলে। আপনার জীবন থেকে অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জ্বালিয়ে পুড়ে ছাই করে দিবে; তাতে আপনার হারাবার কিছু নেই বরং আগুনে পোড়া সোনার মত আপনি অধিক খাঁটি হয়ে উঠবেন।
খোদা বিশ্বের তাবৎ মানুষ ভালোবাসেন আর তার প্রেমের পরিমাপ ও দিগ¦লয় ক্ষুদে মানুষ মাপতে পারে না, আর তেমন প্রশ্নও জাগে না। খোদার প্রেমের দরিয়ায় মানুষ সহজেই ডুবে যেতে পারে, যা হলো স্বাভাবিক প্রত্যাশা।