অনলাইন একটি আলোচনা শুনছিলাম কভিট১৯ নিয়ে। সর্বজনে স্বীকৃত ও চরমভীতির কারণও বটে, এ হলো আধুনিক যুগে এক মহাত্রাশ! সরকার লকডাউন দিয়ে জনমানুষকে গৃহবন্দী করে রাখার ব্যবস্থা আপাত:দৃষ্টিতে প্রাথমিক সুরক্ষার ব্যবস্থা হতে পারে। তবে, খোলামাঠে নারদকে স্বেচ্ছায় বিচরণ করার সুযোগ দিলে, সে তো ‘যাকে পাবে তাকে খাবে’ এমন মর্জিমাফিক চলতে থাকবে।
করোনার প্রথম ঢেউ গিলে নিল কয়েক লক্ষ জনগোষ্টি, তারপর সকলে ভেবেছিল আপদ থেকে এ যাত্রা বাঁচা গেল। কিন্তু তেমন ধারণা মুখে ছাই দিয়ে দ্বিগুন ক্ষমতা নিয়ে হামলে পড়লো বিশ^টা নৃশুণ্য করার নিমিত্তে।
তবে ভরসার বিষয় হলো, অনেকগুলো ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে কোভিটের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিক আবিষ্কার করেছে; যা মানবদেহে প্রয়োগ করে জনমনে স্বস্থির আবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছে। বিসয়টি হলো ইতিবাচক, নিঃসন্দেহে! ফাইজার আবিষ্কার করেছে যে ভ্যাকসিন তা দুই ডোজ দুই মাসের ব্যবধানে নিতে হবে। মানুষের মনে একটা প্রশান্তি দেখা গেল। তবে, মনে রাখতে হবে, প্রথমবার ভ্যাকসিন নেয়ার পর যে দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে দ্বিতীয়, ডোজের জন্য, এই ষাট দিন টিকা গ্রহনকারীকে খুবই সাবধানে চলাফেরা করার নির্দেশ রয়েছে। হাটে-বাজারে মাস্ক পরিধান করতে হবে। প্রথম ডোজ টিকা নিবার পর যে ষাট দিন অপেক্ষা করতে হবে উক্ত সময়টি সাবধানতার সময়। জীবন-যাপন করতে হবে তা বলার সময় হয়ে ওঠে নি অদ্যাবধি। সম্ভবত: আপাতত দুটি ডোজ যথেষ্ট হতে পারে কভিড ঠেকাতে।
যে কথা দিয়ে শুরু করছি অদ্যাকার আলোচনা তা হলো বাজারে প্রাপ্ত বর্তমানকার টিকা আসলে রোগ ঠেকাবে, বা প্রতিহত করবে অথবা সমূলে উৎপাটন বা বিনাশ করে জনস্বাস্থ্য ঝুকি মুক্ত করবে, তা আমাদের জানা থাকলে মনে স্বস্থি জাগে।
আলোচকের বক্তব্যে একটি বিষয় পরিষ্কার হলো, ঔষধ প্রস্তুতকারী ধনকুবেরগণ কি কভিটের সুবাদে মবালক হাতিয়ে নেবার ফন্দি ফেঁদে বসে নি তো? কোম্পানী মিলিয়নীয়ার থেকে বিলিয়নীয়ার বনে গেছে; বলতে পারেন,তারা জনগণের পকেট হাতিয়ে একটি পয়সাত্ত কব্জাগত করে নি; জনগণই নিজের প্রয়োজনে তাদের প্রস্তুতকৃত মাস্ক কিনেছে এবং বর্তমানে তা অধিক পরিমাণে কেনাবেচা রয়েছে বাজারে চালু।
আর টিকার বিষয় হলো, যদি এমন হয়, এমনভাবে টিকা দেয়া হলো যা প্রতি বৎসর নিতে হবে, তেমন ক্ষেত্রে ঔষধ কোম্পানীর জন্য একটা চিরস্থায়ী উপার্জনের ঠিকানা হয়ে গেল!
ঔষধ কোম্পানীকে দোষারোপ করে আর কি লাভ বলুন?
দেশে প্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় মতবাদ কেই ঢিমাতলে চলে আসছে যুগের পর যুগ। মতবাদের মর্মকথা কতভাগ লোক সম্যক উপলব্দি অনুধাবণ করতে পেরেছে আজ পর্যন্ত। খোদা তো মাত্র একজন মানুষ (আদম) সৃষ্টি করেছেন; সৃষ্টি করেছেন স্বীয় সুরতে প্রতিনিধি করে; যেন উক্ত ব্যক্তি নিয়ত প্রকাশ করে, চলতে পারে বাতেনী খোদার ঐশি গুনাবলী যা হলো মহব্বত, আনন্দ…। কিন্তু পড়ই পরিতাপের বিষয় হলো, ইবলিসের কুটচালে পড়ে (সতেরা) হারিয়ে বসলো জন্মাধিকার, যা ছিল “আইস আমরা আমাদের মত করে মানুষ সৃষ্টি করি” মানুষের অবস্থান ছিল খোদার দরবারে, যাকে বলা চলে রাজদূত আসলে মানুষ হলো খোদার হাবিব বা বন্ধু। অবাধ্যতা ও দ্রোহের কারণে তাদের জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। মানুষের পদমর্যাদা নেমে গেছে ঈতর প্রাণীর নীচে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কুকুরের ঈমারায় ওঠবশ করতে হয় মানুষকে। আজ খোদার বিষয় নিয়ে বিষদ আলোকপাত করা হবে জ্ঞানপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রথম ও প্রধান কর্তব্য। খোদার পরিচয় জানার পরে বোঝা যাবে ব্যক্তির প্রকৃত অবস্থান। কালামপাকে পরিষ্কার রয়েছে, “আমি পবিত্র বলে তোমরাও পবিত্র হও” (লেবীয় ১১ : ৪৪)।
আমার প্রশ্ন, খোদার সীমাহিন প্রেমের বৃন্ত থেকে মানুষের (আদমের) বিচ্যুতি মানুষকে অমানুষের কাতারে ঠেলে দিয়েছে। আর একাজ হলো খোদ ইবলিসের আজন্ম ব্রত। আর তেমন নৃকুল বিদ্বংসী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে হাতিয়ার হিসেবে মানুষই হয়েছে ব্যবহৃত। কাবিল হল খুনী আর হাবিল হলেন বলি।
আদমের ঐক্য কেবল পাপের কারণে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গোটা বিশে^ ছড়িয়ে পড়লো। প্রত্যেকেই আজ পাপাক্রান্ত। হিসেব নিকেশ, দোয়া কালাম, রেওয়াজ রীতি-নীতির অভাব নেই নিজেদের বিশেষ কিছু প্রমান করার জন্য, তথাপি সকলেই যেন অন্তঃসারশুণ্য। বলা চলে বাধাই করা সদা কবরে তুল্য, যার বহিরাংশ রংবেরং দিয়ে থাকে সাজানো, অথচ কবরে ভিতরে ভরা দুর্গন্ধময় হাড়গোড়। সমাজ আজ বিকারপ্রাপ্ত, চুরি, ডাকাতি, খুন-খারাবী, ধর্ষণ, দূর্ণিতেতে গোটা দেশ আচ্ছাদিত। কথায় বলে, “উপায় হোসেন গোলাম নেই।”
আসলে আমরা সকলেই মানুষ, পতীত অবাধ্য আদমের বংশধর। অবাধ্যতার শক্ত গ্রীব জাতি হলাম আমর। আর সকলেই ঐ একই আদমের ঔরষজাত, যা নিঃসন্দেহে চলা চলে। তাহলে খোদার দুয়ার আমাদের জন্য চিরকালের মত বন্ধ হয়ে গেল। কতই না কান্নাকাটি প্রার্থনা মুনাজাত পেশ করা হচ্ছে মাবুদের দরবারে ওগুলো কোথায় যায়, জানা দরকার।
মাবুদ বলেছেন নোংরা হাতে বয়ে আনা নজরানা আমি গ্রাহ্য করতে পারি না। নিজেদের ধৌত কর। আমি যেমন পবিত্র, তোমাদেরকেও তদ্রæপ পবিত্র হতে হবে। খোদা রূহ, তাই তাঁর উদ্দেশ্যে ভজনা আরাধনা হতে হবে রূহে ও সত্যে। এক্ষেত্রে দৈহিক অঙ্গ সঞ্চালনের কোনো মানে হয় না।
দৈহিক বস্তুর জন্য অবশ্যই কায়িম শ্রমের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। খোদার রূহ যিনি কুমারী মরিয়মের জঠর থেকে মানবরূপধারণ করলেন, তিনিই রূহুল্লাহ ও কালেমাতুল্লাহ খোদা তাকেই মনোনীত করেছেন বিশে^র পাপের কাফফারা পরিশোধকারী কোরবানীর মেষ হিসেবে। প্রেমের তাগিদে তিনি নিজেকে আত্মাহুতী দিলেন শুণ্য করলেন, যেন আমরা সকলে জীবন ফিরে পাই। হতে পারি জীবনদাতার সাথে পূণর্মিলিত।
করোনার প্রথম ঢেউ গিলে নিল কয়েক লক্ষ জনগোষ্টি, তারপর সকলে ভেবেছিল আপদ থেকে এ যাত্রা বাঁচা গেল। কিন্তু তেমন ধারণা মুখে ছাই দিয়ে দ্বিগুন ক্ষমতা নিয়ে হামলে পড়লো বিশ^টা নৃশুণ্য করার নিমিত্তে।
তবে ভরসার বিষয় হলো, অনেকগুলো ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে কোভিটের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিক আবিষ্কার করেছে; যা মানবদেহে প্রয়োগ করে জনমনে স্বস্থির আবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছে। বিসয়টি হলো ইতিবাচক, নিঃসন্দেহে! ফাইজার আবিষ্কার করেছে যে ভ্যাকসিন তা দুই ডোজ দুই মাসের ব্যবধানে নিতে হবে। মানুষের মনে একটা প্রশান্তি দেখা গেল। তবে, মনে রাখতে হবে, প্রথমবার ভ্যাকসিন নেয়ার পর যে দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে দ্বিতীয়, ডোজের জন্য, এই ষাট দিন টিকা গ্রহনকারীকে খুবই সাবধানে চলাফেরা করার নির্দেশ রয়েছে। হাটে-বাজারে মাস্ক পরিধান করতে হবে। প্রথম ডোজ টিকা নিবার পর যে ষাট দিন অপেক্ষা করতে হবে উক্ত সময়টি সাবধানতার সময়। জীবন-যাপন করতে হবে তা বলার সময় হয়ে ওঠে নি অদ্যাবধি। সম্ভবত: আপাতত দুটি ডোজ যথেষ্ট হতে পারে কভিড ঠেকাতে।
যে কথা দিয়ে শুরু করছি অদ্যাকার আলোচনা তা হলো বাজারে প্রাপ্ত বর্তমানকার টিকা আসলে রোগ ঠেকাবে, বা প্রতিহত করবে অথবা সমূলে উৎপাটন বা বিনাশ করে জনস্বাস্থ্য ঝুকি মুক্ত করবে, তা আমাদের জানা থাকলে মনে স্বস্থি জাগে।
আলোচকের বক্তব্যে একটি বিষয় পরিষ্কার হলো, ঔষধ প্রস্তুতকারী ধনকুবেরগণ কি কভিটের সুবাদে মবালক হাতিয়ে নেবার ফন্দি ফেঁদে বসে নি তো? কোম্পানী মিলিয়নীয়ার থেকে বিলিয়নীয়ার বনে গেছে; বলতে পারেন,তারা জনগণের পকেট হাতিয়ে একটি পয়সাত্ত কব্জাগত করে নি; জনগণই নিজের প্রয়োজনে তাদের প্রস্তুতকৃত মাস্ক কিনেছে এবং বর্তমানে তা অধিক পরিমাণে কেনাবেচা রয়েছে বাজারে চালু।
আর টিকার বিষয় হলো, যদি এমন হয়, এমনভাবে টিকা দেয়া হলো যা প্রতি বৎসর নিতে হবে, তেমন ক্ষেত্রে ঔষধ কোম্পানীর জন্য একটা চিরস্থায়ী উপার্জনের ঠিকানা হয়ে গেল!
ঔষধ কোম্পানীকে দোষারোপ করে আর কি লাভ বলুন?
দেশে প্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় মতবাদ কেই ঢিমাতলে চলে আসছে যুগের পর যুগ। মতবাদের মর্মকথা কতভাগ লোক সম্যক উপলব্দি অনুধাবণ করতে পেরেছে আজ পর্যন্ত। খোদা তো মাত্র একজন মানুষ (আদম) সৃষ্টি করেছেন; সৃষ্টি করেছেন স্বীয় সুরতে প্রতিনিধি করে; যেন উক্ত ব্যক্তি নিয়ত প্রকাশ করে, চলতে পারে বাতেনী খোদার ঐশি গুনাবলী যা হলো মহব্বত, আনন্দ…। কিন্তু পড়ই পরিতাপের বিষয় হলো, ইবলিসের কুটচালে পড়ে (সতেরা) হারিয়ে বসলো জন্মাধিকার, যা ছিল “আইস আমরা আমাদের মত করে মানুষ সৃষ্টি করি” মানুষের অবস্থান ছিল খোদার দরবারে, যাকে বলা চলে রাজদূত আসলে মানুষ হলো খোদার হাবিব বা বন্ধু। অবাধ্যতা ও দ্রোহের কারণে তাদের জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। মানুষের পদমর্যাদা নেমে গেছে ঈতর প্রাণীর নীচে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কুকুরের ঈমারায় ওঠবশ করতে হয় মানুষকে। আজ খোদার বিষয় নিয়ে বিষদ আলোকপাত করা হবে জ্ঞানপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রথম ও প্রধান কর্তব্য। খোদার পরিচয় জানার পরে বোঝা যাবে ব্যক্তির প্রকৃত অবস্থান। কালামপাকে পরিষ্কার রয়েছে, “আমি পবিত্র বলে তোমরাও পবিত্র হও” (লেবীয় ১১ : ৪৪)।
আমার প্রশ্ন, খোদার সীমাহিন প্রেমের বৃন্ত থেকে মানুষের (আদমের) বিচ্যুতি মানুষকে অমানুষের কাতারে ঠেলে দিয়েছে। আর একাজ হলো খোদ ইবলিসের আজন্ম ব্রত। আর তেমন নৃকুল বিদ্বংসী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে হাতিয়ার হিসেবে মানুষই হয়েছে ব্যবহৃত। কাবিল হল খুনী আর হাবিল হলেন বলি।
আদমের ঐক্য কেবল পাপের কারণে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গোটা বিশে^ ছড়িয়ে পড়লো। প্রত্যেকেই আজ পাপাক্রান্ত। হিসেব নিকেশ, দোয়া কালাম, রেওয়াজ রীতি-নীতির অভাব নেই নিজেদের বিশেষ কিছু প্রমান করার জন্য, তথাপি সকলেই যেন অন্তঃসারশুণ্য। বলা চলে বাধাই করা সদা কবরে তুল্য, যার বহিরাংশ রংবেরং দিয়ে থাকে সাজানো, অথচ কবরে ভিতরে ভরা দুর্গন্ধময় হাড়গোড়। সমাজ আজ বিকারপ্রাপ্ত, চুরি, ডাকাতি, খুন-খারাবী, ধর্ষণ, দূর্ণিতেতে গোটা দেশ আচ্ছাদিত। কথায় বলে, “উপায় হোসেন গোলাম নেই।”
আসলে আমরা সকলেই মানুষ, পতীত অবাধ্য আদমের বংশধর। অবাধ্যতার শক্ত গ্রীব জাতি হলাম আমর। আর সকলেই ঐ একই আদমের ঔরষজাত, যা নিঃসন্দেহে চলা চলে। তাহলে খোদার দুয়ার আমাদের জন্য চিরকালের মত বন্ধ হয়ে গেল। কতই না কান্নাকাটি প্রার্থনা মুনাজাত পেশ করা হচ্ছে মাবুদের দরবারে ওগুলো কোথায় যায়, জানা দরকার।
মাবুদ বলেছেন নোংরা হাতে বয়ে আনা নজরানা আমি গ্রাহ্য করতে পারি না। নিজেদের ধৌত কর। আমি যেমন পবিত্র, তোমাদেরকেও তদ্রæপ পবিত্র হতে হবে। খোদা রূহ, তাই তাঁর উদ্দেশ্যে ভজনা আরাধনা হতে হবে রূহে ও সত্যে। এক্ষেত্রে দৈহিক অঙ্গ সঞ্চালনের কোনো মানে হয় না।
দৈহিক বস্তুর জন্য অবশ্যই কায়িম শ্রমের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। খোদার রূহ যিনি কুমারী মরিয়মের জঠর থেকে মানবরূপধারণ করলেন, তিনিই রূহুল্লাহ ও কালেমাতুল্লাহ খোদা তাকেই মনোনীত করেছেন বিশে^র পাপের কাফফারা পরিশোধকারী কোরবানীর মেষ হিসেবে। প্রেমের তাগিদে তিনি নিজেকে আত্মাহুতী দিলেন শুণ্য করলেন, যেন আমরা সকলে জীবন ফিরে পাই। হতে পারি জীবনদাতার সাথে পূণর্মিলিত।
Tags: সংখ্যা ১৯ (২১-৫-২০২২)