প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্ক থেকে রওনা দেওয়ার সময় ট্রাম্প সবার সামনেই এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে ওঠেন। কিন্তু বিমানে ওঠার কিছুক্ষণ পরেই তাকে খুব সতর্কতার সাথে পেছনের দরজা দিয়ে বের করে একটি খাবার সরবরাহের ট্রাকের (ক্যাটারিং ট্রাক) ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেই ট্রাকের মাধ্যমে তাকে গোপন একটি ছোট সামরিক বিমানে তুলে নেওয়া হয়। এদিকে যে বড় বিমানে ট্রাম্প প্রথমে উঠেছিলেন, সেটিকেই মূলত ‘ফাঁদ’ বা ‘ডেকয়’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।
সাংবাদিক এবং অনেক কর্মকর্তা জানতেন না যে ট্রাম্প আসল বিমান ছেড়ে অন্য বিমানে উঠে গেছেন; সবাই ভেবেছিলেন ট্রাম্প ওই বড় বিমানটিতেই আছেন। এমনকি যাত্রার সময় সাংবাদিকদের বিমানের জানালার পর্দা পর্যন্ত নামিয়ে রাখতে বলা হয়েছিল। পরে গোপন সেই সামরিক বিমানটি প্রথমে ব্রিটেনের একটি ঘাঁটিতে নামে এবং সেখান থেকে ট্রাম্প নিরাপদে ওয়াশিংটনে ফেরেন। মূলত ইরানের পক্ষ থেকে প্রাণনাশের সুনির্দিষ্ট হুমকি পাওয়ার কারণেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তায় এমন নজিরবিহীন ও গোপন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।



