রোববার (২ আগস্ট) উপজেলার গুপ্তেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। সহকারী শিক্ষক ও ফুড ম্যানেজার আশিকুর রহমান বলেন, প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মধ্যে প্রথমে ডিম বিতরণ করা হয়। ডিমের খোসা ছাড়ানোর সময় প্রচুর দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে শ্রেণিকক্ষে। ডিমের ভেতরে কালছে ও শক্ত, কোনটির ভিতরে পচা দুর্গন্ধযুক্ত পানি। ডিমগুলো একেবারে খাওয়ার অনুপযোগী। তাই শিশুরা ফেলে দিয়েছে। এর আগেও এই স্কুলে দুইবার পচা ডিম দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল হক বলেন, ছাত্র–ছাত্রীদের জন্য রোববার ২১৮টি পচা ডিম স্কুলে সরবরাহ করেন ঠিকাদারের লোকজন। পরে তাদেরকে ডিম পচা জানানো হলে, দুপুর ২টার দিকে তারা পচা ডিম তুলে স্কুল থেকে নিয়ে যায়। স্কুলফিডিং কর্মসূচিতে ডিম ছাড়াও বন রুটি, প্যাকেটজাত দুধ, বিস্কুট এবং মৌসুমি ফল দেওয়া হয়।



