৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বাম দিক থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের উঁচু করে বাড়ানো ক্রসে নিখুঁত হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন কেইন। ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি–এনজাউ বলটি স্পর্শ করলেও সেটি ঠেকাতে ব্যর্থ হন। এই গোলের পর নতুন উদ্যমে জয়সূচক গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে থ্রি লায়ন্সরা। সমতায় ফেরার পরপরই কৌশলগত পরিবর্তন আনে ডিআর কঙ্গো। ৭৬তম মিনিটে দুটি বদলি করেন কোচ। মাঠ ছাড়েন নোয়া মুকাউ ও প্রথমার্ধে গোল করা বেনি সিপেঙ্গা। তাদের জায়গায় নামানো হয় থিও বংগোন্ডা ও এদো কায়েম্বেকে, যাতে মাঝমাঠ ও আক্রমণে নতুন গতি আনা যায়। পরে ৮৬তম মিনিটে আবারও জালে বল জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। বক্সের সামান্য বাইরে গর্ডনের কাছ থেকে বল পেয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন, এরপর ডান পায়ের জোরাল শটে পাঠিয়ে দিয়েছেন জালে। ১৫ মিনিট আগেও ১–০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ড এখন ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে। ১১ মিনিটের মধ্যে দুটি গোলই করেছেন কেইন।



