Saturday, May 23, 2026
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

চাই বৃন্তযুক্ত থাকা (এম এ ওয়াহাব)

alorfoara by alorfoara
May 23, 2026
in সংখ্যা ১৭২ (২৩-০৫-২০২৬), সম্পাদকীয়
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

আমরা ডাব নারকেল চিনি এবং ঝুণা নারকেলও চিনি। ডাব দিয়ে এক গ্লাস পানি পাওয়া যায়, আর উক্ত ডাবটিকে যদি সুযোগ দেয়া হতো, তবে একই বৃন্তে থেকে পরিপক্ক হতে পারতো, ঝুনা নারকেল ছাড়া তো বেছন বা পরিপক্ক বীজ হবে না।

 

উক্ত বিষয়টি যদি ধর্মীয় ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় তবে তেমন ক্ষেত্রে আমরা কি শিক্ষা লাভ করতে পারি?

 

কালাম ভিত্তিক যাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জন্মেছে, তাদের পক্ষেই সম্ভব, একজন নতুন মানুষকে, সুশিক্ষা দিয়ে, অভিজ্ঞ প্রাজ্ঞ বিশ্বাসি হিসেবে দাঁড় করানো!

 

আজ আমাদের সমাজে খোদার কালামের উপর অধ্যয়ন, যথেষ্ঠ দেখা যায় না। ঐশি নির্দেশনাবলি বুঝতে পারা; আর একটি ভাষাকে সুন্দরভাবে জানতে পারা কি কখনো এক কথা হতে পারে? কালাম শুনলে অনেক লাভ হয়, যদি তা অক্ষরে অক্ষরে, ব্যক্তি জীবনে প্রয়োগ করা সম্ভব হতো। কিন্তু যে ভাষা ওস্তাদ–সাগরেদ কেউই বুঝতে পারে না, কেবল সুর আর মুখস্ত করেই সমাজটাকে মাত করে রেখেছে, তার দ্বারা কোনো শুভ ফল বইয়ে আনতে পারে না, বরং যা হবার তাতো আমরা প্রকাশ্য দিবালোকে প্রত্যক্ষ করে চলছি; আর এমন নৃশংশ কর্মকান্ড দেখে দেখে আমাদের বিবেক অষাঢ় হয়ে পড়েছে। আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলো না, বুঝতে পারলো না, আমার পদাঙ্ক অনুসরণ করছে না, তেমন ক্ষেত্রে সমাধান কি হতে পারে, শানিত তরবারির এক ঘায়ে করা মুন্ডপাত। হায়রে ধর্মান্ধ নর–পিশাচের দল! শিক্ষিত সমাজ পর্যন্ত আদাজল খেয়ে, তেমন মাতালের পক্ষে সাফাই গেয়ে চলছে, শুধু পার্থিব স্বার্থ ও মাংসিক কামনা বাসনা চরিতার্থ করার তাগিদে। পেষির বল প্রয়োগ করে গোটা সমাজ আজ দাবিয়ে রাখা হচ্ছে। আফ্রিকার কতিপয় গহিন অরণ্য রয়েছে, সে সব স্থানে সূর্যালোক পৌছাতে পারে না, অদ্যাবধি সমাজে এমন এমন মুর্খ মানব রয়েছে বসবাসরত, যারা সদা থাকে মিথ্যাচারে ঢাকা, যাদের মধ্যে ঐশি নূর প্রবেশ করার কোনো ফাকফোকর অবশিষ্ট রাখা হয় নি। কিছু কিছু মাদ্রাসা আছে, পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রীদের ‘জাতীয় সংগীত’ পর্যন্ত গাইতে দেয়া হয় না। তাদের শিক্ষার মান ও মাধ্যম হলো আরবি ও ফারসি ভাষা। কিছুদিন পূর্বেও ফতোয়া ছিলা, বাংলাভাষা কাফেরদের ভাষা, আর আরবি ভাষা হলো মুমেনের ভাষা, আল্লাহর ভাষা। অথচ ভাষা সৃষ্টি হয়েছে মানুষের মেধা বিকাশের কারণে, নেহায়েত প্রয়োজনের তাগিদে। যেকোনো যন্ত্রের ম্যানুয়াল/ব্যবহারবিধি আর যন্ত্রটি যেমন এক নয়, তদ্রুপ জীবন ও জীবনবিধান এক করে দেখা ঠিক হবে না। শিক্ষাদীক্ষায় উৎকর্ষ ও আর্থিক প্রবৃদ্ধি লাভের ফলে মানুষের জীবনমান তথা কৃষ্টিকালচার বদলে যায়। বিজ্ঞানের অবদানের ফলে, আজ আমরা সহজে বুঝতে পেরেছি, সূর্যের তাপ দিয়ে আরও কিছু পাওয়া সম্ভব। আর সূর্যটা আমাদের চারদিকে ঘুরছে না, বরং তার উল্টো; আমরাই সূর্যের চার দিকে ঘুরছি, যার সময়সীমা পর্যন্ত নিকেশ দেয়া আছে। আর আমরা নিজ দন্ডের উপর দাঁড়িয়ে ২৪ঘণ্টায় একবার পাকখাচ্ছি, এ কথাটি ছেলেপুলেরাও বুঝতে পারে। গ্রহ–নক্ষত্র সবই মানুষের সেবা দিয়ে ফিরছে; কালামের আলোকে বিষয়টি বড়ই স্পষ্ট। আন্দাজ অনুমানের উপর ভিত্তি করে যতগুলো সিদ্ধান্ত ইতোপূর্বে টানা হয়েছে, বর্তমানে সুশিক্ষার আলোকে, তেমন কল্পনাপ্রসূত ধারণাগুলো পিয়াজের শুকনো খোসার মতো, জনমনে বাতিল বলে গণ্য হচ্ছে। সূর্য সাগরের জলে অবগাহন নেয় না অথবা সেথা থেকে উদয়ও হয় না। উক্ত মতবাদ কোন আহাম্মক চালু করেছিল, আর সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুবাদে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল তা ক্ষতিয়ে দেখা হলে ‘ফতোয়া বাণিজ্যে’ ভাটা পড়তে বাধ্য।

 

জলভাগ ও স্থলভাগকে কতকগুলো কাল্পনিক ভাগে মানুষ ভাগ করে রেখেছে। প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর উত্তর ও দক্ষিণ সাগর, বঙ্গপসাগর। আমি জানতে চাই, কে এমন বিভাগ করেছে, আর সীমাপ্রাচীরই বা কোথায় অবস্থিত? সাগরের গোটা জলরাশি নিয়ে সৃষ্ট হয়েছে জলভাগ যা মানুষের হাতে সৃষ্ট হয় নি, মানুষ তা উপভোগ করে মাত্র। ঠিক একইভাবে, খোদা একজন মানুষ সৃষ্টি করেছেন নিজ হাতে, তারপর তাকে আশির্বাদ করলেন, ক্ষমতা দিলেন প্রজাবন্ত ও বহুসংখ্যায় বৃদ্ধি লাভ করার জন্য।

 

হীনস্বার্থ, ভ্রান্ত মতবাদ ও পার্থিব নানা কারণে, মানুষ মানুষকে ঘৃণা করতে শুরু করলো, একজন আর একজনের উপর ক্রুদ্ধ হয়ে খুন করে বসলো; শুরু হলো, ঐশি পরিকল্পনা ধ্বংশকারী, নৃশংস আচরণ। ইতিহাসের চেয়েও নির্ভরযোগ্য তথ্য মিলবে কিতাবুল মোকাদ্দসে। উন্নাসিকতা পরিহার করে, আন্তরিকভাবে উক্ত কিতাব পাঠ করা হলে, ব্যক্তিজীবনে স্তুপিকৃত ভ্রান্ত ধারণাগুলো অবশ্যই বিলীন হতে বাধ্য। বিশ্বনির্মাতা খোদা হলেন মেহেরবান, মহব্বতের পারাবার। তিনি যে কেবল অদৃশ্য অমীত শক্তির অধিকারী, কেবল তাই নন, তিনি যুগযুগ ধরে, নিজের অবস্থান, জনসম্মুখে তুলে ধরেছেন একে একে, যেন তাঁর বিষয়ে মানুষের মনে একটা প্রাঞ্জল ধারণা জন্মাতে পারে। সবিশেষ জানতে না পারলে সখ্য গড়ে তোলা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

 

যদিও খোদা এক বিমূর্ত রুহানি সত্ত্বা, তথাপি তাঁকে মূর্তমান অবিকল দেখা সম্ভব, আর তা সম্ভব হয়েছে মানবরূপে আগত খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহের জীবনাচরণ ও শিক্ষাকলাপের মাধ্যমে। মসিহ তাই যথার্থ দাবি করেছেন, যে আমাকে দেখেছে সে পিতাকেও দেখেছে (ইউহোন্না ১৪:৯)। আপনি কি মসিহকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন? আমাদের মনের জটিল কুটিল প্রশ্নের সুষ্ঠু সমাধান খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহই দিয়ে থাকেন।

 

মসিহের সাথে বাক্যালাপ করার জন্য হিব্রু বা গ্রীক ভাষা শেখার প্রয়োজন নেই। আপনি আপনার মনের ভাষা, অর্থাৎ প্রেম, ভক্তি শ্রদ্ধার ভাষায় তার সাথে বাক্যালাপ শুরু করে দিন। আপনি বর্তমানে, যে স্থানে অবস্থানরত আছেন, উক্ত স্থানটিই হলো উপযুক্ত মোক্ষম স্থান। মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা অথবা বটের তলে, তথা কোনো গুহাভ্যন্তরে ছুটাছুটির প্রয়োজন নেই, কালবিলম্ব বা ইতস্তত: না করে, ঠিক এই মূহুর্তে শুরু করে দিন তাঁর সাথে বাক্যালাপ। আর তা একান্ত নিজের মনের গভীরতম স্থান থেকে হতে হবে উৎসারিত! আমি নিশ্চিত এবার সুফল লাভে ধন্য হবেন। আমার জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে রহস্যটি খুলে বললাম।

 

চাই জীবনের সর্বক্ষেত্রে পরিপক্কতা। কথায় বলে ‘নীমে হাকিম খতরায়ে জান, আর নীমে এলেম খতরায়ে ঈমান’। এটি একটি প্রবাদ বাক্য যার অর্থ হলো, অনভিজ্ঞ হাতুড়ে ডাক্তারের হাতে জীবন থাকে বিপন্ন, তদ্রুপ কালামের গুঢ় অর্থ যারা জানেনা, তাদের কাছ থেকে ফতোয়া গ্রহন করা হলে, ব্যক্তির জীবনে গ্লাণী ছাড়া আর কি আসতে পারে।

 

খোদা মহান, প্রেম ও ক্ষমাসুন্দর, স্বীয় সুরতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। মানুষ হলো খোদার যোগ্য প্রতিনিধি। মানুষ ইবলিসের চালে পড়ে হলো অবাধ্য, অবশ্য লোভ লালসার শিকার হলো। হলো সর্বহারা! সুস্থ্য ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হতেই পারে, আবার রোগের চিকিৎসাও রয়েছে যথাযথ। কথায় বলে, রোগ থাকে শরীরে আর নিরাময়কারী ঔষধী থাকে বাহিরে, জঙ্গলে!

 

পতিত বিশ্বাসিকে স্নাতশুভ্র করার জন্য, তিনি অপূর্ব অভাবিত অতি উত্তম ব্যবস্থা স্থাপন করলেন, যার বিষয় তিনি আদমের পতনের সাথে সাথে ঘোষণা দিয়েছিলেন; আর তা হলো, স্বীয় কর্মক্ষম অব্যার্থ ‘কালাম ও পাকরূহ’ মানবরূপে করবেন প্রেরণ, তিনি মানুষের ক্রীতপাপের ঋণ শোধ দিবেন, করবেন তাদের মুক্তপাপ, আজীবন রক্ষা করবেন, পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দিবেন স্বীয় পূতপবিত্র রক্তের মূল্যে। মানুষ নিরুপায়, অসহায়, বন্দি হয়ে আছে কুলটা ইবলিসের খাঁচায়। খাঁচা ভাঙ্গার ক্ষমতা কারো হাতে নেই, কেবল মসিহ রাখেন তেমন মোক্ষম অমীত ক্ষমতা।

 

আপনি বর্তমানে বন্দি অবস্থায় জীবন যাপন করছেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই! শিকল ভাঙ্গার গান গেয়ে চলছেন প্রতিনিয়ত, একই স্লোগান একাধিকবার আওড়াচ্ছেন অশুভ শক্তির হাতে কব্জাবদ্ধ অবস্থায়, এ হলো প্রত্যেকটি ব্যক্তি জীবনের রোজনামচা!

 

আপনাকে মুক্ত স্বাধীন ও রূপান্তরিত করার জন্য খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ চূড়ান্ত মাসুল দিয়েছেন। আপনি শতভাগ মুক্ত ও সুরক্ষিত কেবল তারই হাতে (ইউহোন্না ৮ : ৩৬)।

 

আপনার হৃদয়ের খবর আর কেউ জানবে না, কেবল মসিহ জানবেন। ডাবের পরিবর্তন কখন কিভাবে যে হলো, তা অবশ্যই রহস্যাবৃত! তবে, বৃন্তেযুক্ত থাকতে হয়েছে, পরিপক্কতা লাভের জন্য, ঝুণা নারকেলটি আজ আর ডাব নয়, বরং হাজার হাজার নারকেল বীথি রচনা করার ক্ষমতা তাকে দেয়া হয়েছে। আজ তা নারকেলের বেছন, পরিপক্ক বীজ, হিসেবে গণ্য মান্য।

 

কেবল বিশ্বাস নিয়ে বৃন্তে যুক্ত থাকুন (ইফিষীয় ২ : ৮–১০)।

ShareTweet

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

চাই বৃন্তযুক্ত থাকা (এম এ ওয়াহাব)

চাই বৃন্তযুক্ত থাকা (এম এ ওয়াহাব)

May 23, 2026
থানার নাকের ডগায় রাস্তা দখল করে পশুর হাট

থানার নাকের ডগায় রাস্তা দখল করে পশুর হাট

May 23, 2026
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা