Tuesday, February 24, 2026
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

ঈদের নামাজে অংশ নিতে জাতীয় ঈদগাহে যাবেন না

alorfoara by alorfoara
February 24, 2026
in তথ্য, বাংলাদেশ, সংখ্যা ১৬৫ (২১-০২-২০২৬)
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

চব্বিশের ৫ই আগস্ট । হাসিনা সরকারের পতনের দিন কেমন ছিল বঙ্গভবনের পরিবেশ। সেদিন কী কী হয়েছিল । পরবর্তী সরকার গঠন নিয়ে বৈঠকেই বা কী আলোচনা হয়। এর বাইরেও সেদিন জরুরি অবস্থা বা সামরিক শাসন জারি করা হবে কিনা তা নিয়ে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন। ঢাকার দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সবিস্তারে এই প্রসঙ্গগুলো তুলে ধরেছেন। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কেও প্রেসিডেন্ট তার মূল্যায়ন প্রকাশ করেছেন।  অভ্যুত্থানের দিনের কথা স্মরণ করে প্রেসিডেন্ট বলেন, বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে। তখন আমাকে জানানো হয়, যেকোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী(শেখ হাসিনা) বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টায় জানানো হলো উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে, আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি। সিকিউরিটির দায়িত্বরতরা পজিশন নিয়ে নিল। কিন্তু সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, না, উনি আসছেন না। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন।

সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।  পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে সাহাবুদ্দিন বলেন, ওইদিন বেলা ৩টার দিকে প্রথমে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা জানান।  এরপর সেনাপ্রধান টেলিভিশনে ব্রিফিং দিলেন। বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। পরে সেনাপ্রধান জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান—তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। আমার সঙ্গে আলোচনায় বসলেন।  দুই থেকে তিন ঘণ্টা আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। আমরা আবার বৈঠকে বসি। সেখানে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় এবং অন্তর্বর্তী সরকার এই তিন প্রস্তাব। সে সময় জরুরি অবস্থা জারি বা সামরিক শাসন শুরু হতে যাচ্ছে এমন গুঞ্জন প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট বলেন, এমন কোনো আলাপ ওঠেনি। বরং আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি আমাদের সেনাবাহিনী এখানে যে ভূমিকা রেখেছিল, তা অবশ্যই স্মরণীয়। এই কারণে যে সঠিক সময়ে সঠিক ভূমিকা রেখেছে তারা।

তারা ইচ্ছা করলে মার্শাল ল, জরুরি অবস্থা দিতে পারত। যেটা দেয়ার জন্য চাপ ছিল আমার ওপর। বিভিন্ন পর্যায় থেকে, নানাভাবে জরুরি অবস্থা জারি করতে প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছিল। ওই সময় একটা প্রতিবিপ্লব ঘটানোর উদ্যোগও ছিল। একটি জটিলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অসাংবিধানিক কিছু করার চেষ্টা চালিয়েছে। আমার কানে বারবার বলা হচ্ছিল, যেন ইমার্জেন্সি দিই। তবে তিন বাহিনীর প্রধানরা এটার সম্পূর্ণ বিরোধী ছিলেন। সামরিক আইন জারি করার ব্যাপারে বিরোধী, জাতীয় সরকার গঠন করার ব্যাপারে বিরোধী এবং ইমার্জেন্সি দেয়ার ব্যাপারেও তারা বিরোধী ছিলেন। তারা বলছিলেন, এভাবেই কন্টিনিউ করে নিয়ে নির্বাচন পর্যন্ত যাওয়া যায় কি না। এ কারণে আমি সেসব শক্ত হাতে দমন করতে পেরেছি। উপদেষ্টদের তালিকা প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশে ফেরা নিশ্চিত হলে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঢাকায় অবতরণ করার পর বিমানবন্দরের লাউঞ্জে বসেই সশস্ত্র বাহিনী প্রধানরা তার সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানেই উপদেষ্টাদের নাম চূড়ান্ত হয়ে যায়।

আমরা আগে থেকে একটি খসড়া তালিকা করে রেখেছিলাম। সেখান থেকে ড. ইউনূস কিছু বাদ দিয়ে নিজের পছন্দের কয়েকটি নাম যুক্ত করেন। আপনাদের তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন কারা? জবাবে প্রেসিডেন্ট বলেন, এটা বিচিত্র। বাদ দেয়া হয়েছে। আবার ড. ইউনূস নিজে কিছু নাম দিয়েছেন। যারা এনজিও থেকে এসেছিলেন। মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ইন্ধন ছিল কিনা বা এর বিরুদ্ধে তাদের পদক্ষেপ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন, ইন্ধন ছিল কি না জানি না। তবে তারা নীরব ছিল দেখেছি। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কেও প্রেসিডেন্ট তার মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন। সাহাবুদ্দিন বলেন, আমার তো খুব অল্প সময় তাঁকে দেখা। টুকটাক কথা হয়েছে। রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি তার মধ্যে আছে। এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একটা কথা আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। এই কয় দিনের যে কার্যক্রম, তাতে আশাবাদী হওয়া যায়, বিশেষ করে উনার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত বইছে। তাই দেশের ভালো করবেন তিনি, এই বিশ্বাস রাখি। তাঁর বাবা ছিলেন রাষ্ট্রপতি, মা ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। আমি বিশ্বাস করি না যে আমরা কোনো নতুন দুর্যোগে পড়ব। তিনি যেন আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে যান, এটাই আমার কামনা।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বঙ্গভবনে তার নিজের মুহূর্তগুলো সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাকে যেন এই প্রাসাদে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল। ঈদের নামাজে প্রেসিডেন্ট জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু ড. ইউনূসের সরকার সেই রেওয়াজে প্রতিবন্ধকতা দিয়েছে। আমাকে দুইটা ঈদের নামাজে অংশ নিতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যেতে দেয়নি। আমাকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়, আপনি ঈদের নামাজে অংশ নিতে জাতীয় ঈদগাহে যাবেন না। বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে মূল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বঙ্গভবনেই হয়ে থাকে। দিবসগুলোতে প্রধান উপদেষ্টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াত দিলেও তিনি আসেননি।  দেশের বাইরে প্রেসিডেন্ট তার চিকিৎসা প্রসঙ্গে বলেন, সিঙ্গাপুরে আমার বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। সেখানে আমার ফলোআপের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল। সময়মতো আমি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিই।

কিন্তু আমাকে সরাসরি নিষেধ করে দেওয়া হয়। বলা হয়, প্রয়োজনে বিদেশ থেকে চিকিৎসক আনার ব্যবস্থা করা হবে তবু বিদেশ যাওয়া যাবে না। একইরকমভাবে লন্ডনেও চিকিৎসার জন্য যেতে দেয়া হয়নি বলে জানান প্রেসিডেন্ট। তিনি আক্ষেপ করে বলেন দেড় বছরে প্রধান উপদেষ্টা ১৪ বার বিদেশে গেছেন। অথচ আমি চিকিৎসার জন্য যেতে পারিনি। মূলত আমি যেন মনস্তাত্ত্বিকভাবে ভেঙে পড়ি, এটাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। আমি ভেঙে পড়ে যাতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করি; এতে তারা অসাংবিধানিকভাবে পছন্দের কাউকে বসাতে পারবে। আর এটা করতে পারলেই নির্বাচন বিলম্ব করানো বা নিজেদের ক্ষমতা বেশিদিন ধরে রাখা যেত। নিজেদের মনমতো রাষ্ট্রপতি হলে যা ইচ্ছা তা–ই করা যায়—এই ভাবনা থেকেই আমার ওপর মানসিক পীড়ন চালিয়েছেন তাঁরা।

ShareTweet
Next Post
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অর্থনৈতিক সংস্কার

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অর্থনৈতিক সংস্কার

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

February 24, 2026
জাহানারার যৌন হয়রানির অভিযোগের ভিত্তিতে মঞ্জুরুলকে নিষিদ্ধ করলো

জাহানারার যৌন হয়রানির অভিযোগের ভিত্তিতে মঞ্জুরুলকে নিষিদ্ধ করলো

February 24, 2026
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা