টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই নাকানি চুবানি খেল ভারত। নিজেদের ঘরের মাঠ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৮৮ রানের টার্গেট তাড়ায় ভারত হেরে যায় ৭৬ রানের বিশাল ব্যবধানে। রোববার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৮৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে টিম ইন্ডিয়া। মাত্র ২৬ রানেই ভারত হারায় টপঅর্ডার ৩ ব্যাটসম্যানের উইকেট। ভারতের এই উইকেট পতনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে ইনিংসের ১৯তম ওভার পর্যন্ত।
১৫ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেটে মাত্র ৮৮ রান। দলের এমন কঠিন বিপদেও শেষ দিকে চমক দেখাতে ব্যাট চালিয়ে যান শুভম দুবে। কিন্তু তার ৪২ রানের ইনিংসে দলের হারের ব্যবধান কমলেও, পরাজয় এড়ানো সম্ভব হয়নি। ভারত শেষ পর্যন্ত ১৮.৫ ওভারে ১১১ রানে অলআউট হয়। রোববার ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমেই বিপদে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
ইনিংসের প্রথম ৪ ওভারে মাত্র ২০ রানে টপঅর্ডার ৩ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে যায় প্রোটিয়ারা। দলের এমন কঠিন বিপর্যয়ে হাল ধরেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও মিলার কিলার খ্যাত ডেভিড মিলার। চতুর্থ উইকেটে তারা ৫১ বলে ৯৭ রানের জুটি গড়েন। এই জুটি ভাঙার পর ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৯ বলে তিন চার আর তিন ছক্কায় ৪৫ রান করে ফেরেন ব্রেভিস।
৩৫ বলে ৭টি চার আর তিন ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৬৩ রান করে ফেরেন মিলার। তবে ইনিংসের শেষ দিকে ঝর তোলেন ট্রিস্টান স্টাবস। তিনি ২৪ বলে এক চার আর তিন ছক্কায় অপরাজিত ৪৪ রান করেন। ডেভিড মিলার, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, ও ট্রিস্টান স্টাবসের দায়িত্বশীলতায় ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের হয়ে ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন জসপ্রিত বুমরাহ। ৪ ওভারে ২৮ রানে ২ উইকেট শিকার করেন আরেক পেসার আর্শদীপ সিং। প্রসঙ্গত, ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান–নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার সুপার এইটের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যায়। আজ ২২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সুপার ম্যাচে শ্রীলংকাকে তাদের ঘরের মাঠে ৯৫ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে ৫১ রানের দাপুটে জয় পায় ইংল্যান্ড।



