সেনেগালের বিপক্ষে জয়ের গেরো অবশেষে খুলতে পারল ব্রাজিল। আগের দুইবারের দেখায় জয় না পেলেও, তৃতীয় প্রচেষ্টায় এসে আফ্রিকার দলটিকে হারাল রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। শনিবার রাতে লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে কার্লো আনচেলত্তির দল ২–০ গোলে জিতেছে। প্রথমার্ধে সাত মিনিটের ব্যবধানে গোল দুটি করেন তরুণ উইঙ্গার এস্তেভাও ও অধিনায়ক কাসেমিরো। গত মাসে জাপানের কাছে ৩–২ গোলে হেরে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছিল সেলেসাওরা। সেই হার সামলে এই জয়ে স্বস্তি ফিরল ব্রাজিল শিবিরে। শুধু তাই নয়, সেনেগালের বিপক্ষেও এটি তাদের প্রথম জয়।
২০১৯ সালে প্রথম দেখায় ১–১ গোলে ড্র করার পর, দুই বছর আগে সবশেষ সাক্ষাতে ৪–২ গোলে হেরেছিল ব্রাজিল। এবার সেই হারের ক্ষতে প্রলেপ দিল তারা। এদিন এস্তেভাও, মাতেউস কুনিয়া, রদ্রিগো ও ভিনিসিয়ুসকে নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ দিয়ে উড়ন্ত শুরু করে ব্রাজিল। ম্যাচের প্রথম ১৭ মিনিটের মধ্যেই দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুবার পোস্টে বল লাগান কুনিয়া। তবে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ২৮তম মিনিটে কাসেমিরোর পাস থেকে বল পেয়ে ডি–বক্সে ঢুকে পড়েন এস্তেভাও এবং জোরালো শটে জাল কাঁপান। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার দশম ম্যাচে চতুর্থ গোল।
এর মাত্র সাত মিনিট পর রদ্রিগোর ফ্রি–কিক থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক কাসেমিরো। প্রথমার্ধে আক্রমণের বন্যা বইয়ে দিলেও দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের খেলার ধার কিছুটা কমে যায়। সেনেগালও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৭ নম্বরে থাকা ব্রাজিল পুরো ম্যাচে ১৪টি শট নেয় (৬টি লক্ষ্যে)। জয় পেলেও ৬৪তম মিনিটে ডিফেন্ডার গাব্রিয়েলের চোট কিছুটা অস্বস্তি হয়ে থাকল ব্রাজিলের জন্য। চলতি বছরে নিজেদের শেষ প্রীতি ম্যাচে আগামী মঙ্গলবার ফ্রান্সের মাটিতে আফ্রিকার আরেক দেশ তিউনিসিয়ার মুখোমুখি হবে আনচেলত্তির দল।



