আদম জাতিকে নিয়ে কথা; প্রথম মানুষ হলেন আদম, একজন পুরুষ যাকে সৃষ্টি করা হয়েছে খোদার নিজের সুরতে, তাঁরই প্রতিনিধিত্ব বহন করার জন্য। দুঃখ জনক হলেও রূঢ় বাস্তবতা, তিনি হলেন খোদার অবাধ্য, ইবলিসের হাতে বন্দি, যাকে দিয়ে করানো হচ্ছে খোদার সুমহান পরিকল্পনা বিনাশসাধন!
প্রেমের পারাবার মাবুদ মাওলা প্রতিজ্ঞা করলেন। বখে যাওয়া মানুষ পুনরায় ফিরিয়ে নিবেন স্বীয় ক্রোড়ে; ফলে তাদের স্নাতশুভ্র গুনাহমুক্ত করার জন্য তথা তাদের কৃত পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দেবার জন্য কোরবানিযোগ্য একক ঐশি মেষ জগতে প্রেরণ করলেন। খোদার কালাম মানরূপে আগত কালেমাতুল্লাহ। খোদার পাকরূহ মানবদেহে আবির্ভুত হলেন, যিনি হলেন রূহল্লাহ খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। মসিহ তাই ঘোষণা দিলেন, মনুষ্যপুত্র সেবা পাবার জন্য আগত নন বরং সেবা করতে অর্থা’ৎ নিজের প্রাণের কোরবানির মাধ্যমে গুনাহগারদের গুনাহমুক্ত করার জন্য হয়েছেন নিরুপিত (মথি ২০ : ২৮)।
মসিহ গোটা বিশ্ববাসির জন্য নিষ্ঠুর সলিবে হলেন কোরবানি, ফলে কেবল বিশ্বাসহেতু (ইফিষীয় ২:৮-১৩) আজ গোটা বিশ্ববাসি গুনাহমুক্ত হবার এক অপূর্ব অভাবিত অনন্ত সুযোগ পেল পিতার সাথে পুনমির্লিত হবার জন্য। কেবল বিশ্বাসহেতু প্রত্যেকে খোদার সন্তান হবার অধিকার ও সম্মান লাভ করল (ইউহোন্না ১ : ১২)।
কবর থেকে পুনরুত্থানের পরে মসিহ বর্তমানে প্রতিজ্ঞাত পাকরূহের মাধ্যমে তাঁর ভক্তবৃন্দদের পরিচালনা করে চলছেন। দৃষ্টান্ত হতে পারে মটির গড়া আদম যখনই খোদার কাছ থেকে প্রাণ বায়ু লাভ করলেন, অমনি তিনি জীবিত কর্মচঞ্চল মানুষে পরিণত হলেন, ঠিক একই ভাবে মসিহের উপর বিশ^াসিগণ যখনই পাকরূহের অভিষেক লাভ করলেন অমনি তারা ঐশি ক্ষমতায় হলেন ক্ষমতাবান (প্রেরিত ২ : ১-১৪)।
ইউহোন্না ১৪ : ২৬
সেই সাহায্যকারী, অর্থাৎ পাক-রূহ্ যাঁকে পিতা আমার নামে পাঠিয়ে দেবেন, তিনিই সব বিষয়ে তোমাদের শিক্ষা দেবেন, আর আমি তোমাদের যা কিছু বলেছি সেই সব তোমাদের মনে করিয়ে দেবেন।
ইউহোন্না ১৫ : ২৬
যে সাহায্যকারীকে আমি পিতার কাছ থেকে তোমাদের কাছে পাঠিয়ে দেব, তিনি যখন আসবেন তখন তিনিই আমার বিষয়ে সাক্ষ্য দেবেন। ইনি হলেন সত্যের রূহ্ যিনি পিতার কাছ থেকে আসবেন।
ইউহোন্না ১৪ : ১৬
আমি পিতার কাছে চাইব, আর তিনি তোমাদের কাছে চিরকাল থাকবার জন্য আর একজন সাহায্যকারীকে পাঠিয়ে দেবেন।
১ ইউহোন্না ২ : ২৭
কিন্তু তোমরা মসীহের কাছ থেকে অভিষেক পেয়েছ, অর্থাৎ পাক-রূহ্কে পেয়েছ। তিনি তোমাদের অন্তরে থাকেন। এইজন্য অন্য কারও শিক্ষার তোমাদের দরকার নেই। সমস্ত বিষয়ে পাক-রূহ্ই তোমাদের শিক্ষা দিচ্ছেন। তিনি সত্য, মিথ্যা নন। সেইজন্যই যেভাবে তিনি তোমাদের মসীহের মধ্যে থাকতে শিক্ষা দেন সেইভাবেই মসীহের মধ্যে থাক।
১ করিন্থীয় ২ : ১০-১৩
কিন্তু আল্লাহ্ তাঁর রূহের মধ্য দিয়ে সেগুলো আমাদের কাছে প্রকাশ করেছেন, কারণ পাক-রূহের অজানা কিছুই নেই; এমন কি, তিনি আল্লাহর গভীর বিষয়ও জানেন। মানুষের মধ্যে এমন কে আছে, যে অন্য মানুষের মনের কথা জানতে পারে? মানুষের মধ্যে যে রূহ্ আছে সে-ই কেবল তার নিজের মনের কথা জানে। সেই রকম, আল্লাহর রূহ্ ছাড়া আল্লাহর মনের কথা অন্য কেউ জানতে পারে না। আমরা দুনিয়ার রূহ্কে পাই নি, বরং আল্লাহর কাছ থেকে তাঁর রূহ্কে পেয়েছি, যেন আল্লাহ্ আমাদের যে সব দান দিয়েছেন তা বুঝতে পারি; আর সেই দানগুলোর কথাই আমরা বলি। তা বলবার জন্য আমরা যে সব কথা ব্যবহার করি তা মানুষের জ্ঞান থেকে শিক্ষা পেয়ে বলি না, কিন্তু পাক-রূহের দ্বারা শিক্ষা পেয়েই বলি। রূহানী সত্য ব্যাখ্যা করবার জন্য আমরা রূহানী কথাই ব্যবহার করি।
প্রেমের পারাবার মাবুদ মাওলা প্রতিজ্ঞা করলেন। বখে যাওয়া মানুষ পুনরায় ফিরিয়ে নিবেন স্বীয় ক্রোড়ে; ফলে তাদের স্নাতশুভ্র গুনাহমুক্ত করার জন্য তথা তাদের কৃত পাপের প্রায়শ্চিত্ত শোধ দেবার জন্য কোরবানিযোগ্য একক ঐশি মেষ জগতে প্রেরণ করলেন। খোদার কালাম মানরূপে আগত কালেমাতুল্লাহ। খোদার পাকরূহ মানবদেহে আবির্ভুত হলেন, যিনি হলেন রূহল্লাহ খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ। মসিহ তাই ঘোষণা দিলেন, মনুষ্যপুত্র সেবা পাবার জন্য আগত নন বরং সেবা করতে অর্থা’ৎ নিজের প্রাণের কোরবানির মাধ্যমে গুনাহগারদের গুনাহমুক্ত করার জন্য হয়েছেন নিরুপিত (মথি ২০ : ২৮)।
মসিহ গোটা বিশ্ববাসির জন্য নিষ্ঠুর সলিবে হলেন কোরবানি, ফলে কেবল বিশ্বাসহেতু (ইফিষীয় ২:৮-১৩) আজ গোটা বিশ্ববাসি গুনাহমুক্ত হবার এক অপূর্ব অভাবিত অনন্ত সুযোগ পেল পিতার সাথে পুনমির্লিত হবার জন্য। কেবল বিশ্বাসহেতু প্রত্যেকে খোদার সন্তান হবার অধিকার ও সম্মান লাভ করল (ইউহোন্না ১ : ১২)।
কবর থেকে পুনরুত্থানের পরে মসিহ বর্তমানে প্রতিজ্ঞাত পাকরূহের মাধ্যমে তাঁর ভক্তবৃন্দদের পরিচালনা করে চলছেন। দৃষ্টান্ত হতে পারে মটির গড়া আদম যখনই খোদার কাছ থেকে প্রাণ বায়ু লাভ করলেন, অমনি তিনি জীবিত কর্মচঞ্চল মানুষে পরিণত হলেন, ঠিক একই ভাবে মসিহের উপর বিশ^াসিগণ যখনই পাকরূহের অভিষেক লাভ করলেন অমনি তারা ঐশি ক্ষমতায় হলেন ক্ষমতাবান (প্রেরিত ২ : ১-১৪)।
ইউহোন্না ১৪ : ২৬
সেই সাহায্যকারী, অর্থাৎ পাক-রূহ্ যাঁকে পিতা আমার নামে পাঠিয়ে দেবেন, তিনিই সব বিষয়ে তোমাদের শিক্ষা দেবেন, আর আমি তোমাদের যা কিছু বলেছি সেই সব তোমাদের মনে করিয়ে দেবেন।
ইউহোন্না ১৫ : ২৬
যে সাহায্যকারীকে আমি পিতার কাছ থেকে তোমাদের কাছে পাঠিয়ে দেব, তিনি যখন আসবেন তখন তিনিই আমার বিষয়ে সাক্ষ্য দেবেন। ইনি হলেন সত্যের রূহ্ যিনি পিতার কাছ থেকে আসবেন।
ইউহোন্না ১৪ : ১৬
আমি পিতার কাছে চাইব, আর তিনি তোমাদের কাছে চিরকাল থাকবার জন্য আর একজন সাহায্যকারীকে পাঠিয়ে দেবেন।
১ ইউহোন্না ২ : ২৭
কিন্তু তোমরা মসীহের কাছ থেকে অভিষেক পেয়েছ, অর্থাৎ পাক-রূহ্কে পেয়েছ। তিনি তোমাদের অন্তরে থাকেন। এইজন্য অন্য কারও শিক্ষার তোমাদের দরকার নেই। সমস্ত বিষয়ে পাক-রূহ্ই তোমাদের শিক্ষা দিচ্ছেন। তিনি সত্য, মিথ্যা নন। সেইজন্যই যেভাবে তিনি তোমাদের মসীহের মধ্যে থাকতে শিক্ষা দেন সেইভাবেই মসীহের মধ্যে থাক।
১ করিন্থীয় ২ : ১০-১৩
কিন্তু আল্লাহ্ তাঁর রূহের মধ্য দিয়ে সেগুলো আমাদের কাছে প্রকাশ করেছেন, কারণ পাক-রূহের অজানা কিছুই নেই; এমন কি, তিনি আল্লাহর গভীর বিষয়ও জানেন। মানুষের মধ্যে এমন কে আছে, যে অন্য মানুষের মনের কথা জানতে পারে? মানুষের মধ্যে যে রূহ্ আছে সে-ই কেবল তার নিজের মনের কথা জানে। সেই রকম, আল্লাহর রূহ্ ছাড়া আল্লাহর মনের কথা অন্য কেউ জানতে পারে না। আমরা দুনিয়ার রূহ্কে পাই নি, বরং আল্লাহর কাছ থেকে তাঁর রূহ্কে পেয়েছি, যেন আল্লাহ্ আমাদের যে সব দান দিয়েছেন তা বুঝতে পারি; আর সেই দানগুলোর কথাই আমরা বলি। তা বলবার জন্য আমরা যে সব কথা ব্যবহার করি তা মানুষের জ্ঞান থেকে শিক্ষা পেয়ে বলি না, কিন্তু পাক-রূহের দ্বারা শিক্ষা পেয়েই বলি। রূহানী সত্য ব্যাখ্যা করবার জন্য আমরা রূহানী কথাই ব্যবহার করি।