অযাচিত হয়ে দেখা দিলে তুমি
প্রেমের নির্ঝরে
না চিনে মোরা ঠেলে দিয়েছি তোমায়
ঘরের বাহির।
অশুচি যেমন তাড়িত হয়
হয় উঠে ঘৃণিত
মোদের তরে তুমি হলে প্রভু
সলীবে আহত।
বদকারেরা গুনল তোমায়
পাপীর সারিতে
ভাবলো না কেউ এসেছিলে তুমি
পাতকী তারিতে।
যাদের মাঝে এসছিলে হায়
হল যে তারা বৈরী
একতা হয়ে বুনলো জাল
ফেলতে তোমায় মারি।
তুমি যে তখন হাসতে হাসতে
দিলে নিজ প্রাণ
জানতে তুমি তোমার কোরবানী
বাঁচাবে হাজার জান।
সলীব পরেতে (তাই) কোমল কণ্ঠে
বললে জগৎ–স্বামী
অজান্তে পাপ করেছে এরা
দাও সবারে ক্ষমি।
মৃত্যুকেও তুমি পেলে না যে ভয়
পতিত সন্তানের তরে
প্রেমের গভীরতা কত যে তোমার
মাপিতে কে তা পারে।
সেই প্রেম হতে কনা ভাগ নিতে
এসেছি তোমার দ্বারে
পেয়ে যেন তা অকাতরে দান
(সবে) পারি করিবারে।
চাহিবার আগে দিলে যে কখন
দেখিনু সে লগন
অনুভূতি জাগে ব্যাথিতের তরে
কাঁদছে আমার মন।
জগৎ হতে ব্যথা কালিমা
ঘুচাতে মোরা চাই
বন্ধুর পথে চলতে গিয়ে
তোমাকে দেখতে পাই।
অনাহুত চিন্তা অশুভ কামনা
ছিল যত অন্তরে
ভেসে গেল সব প্রেমের বন্যায়
তোমার সেবার তরে।
এখন আমরা নবীন হয়েছি
নব সংঙ্গীত গাই
নতুন বিশ্বে অহিনকুল সনে
পেয়েছি তোমাতে ঠাঁই।
কেহ নাই আর শক্তিধর ভবে
মোদের কাড়িবার তরে
নতুন পল্লবে নতুন পুষ্পে
গিয়েছে জগৎ ভরে।