Sunday, August 31, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

অন্ধকার আলোর কাছে হেরে যায় (এম এ ওয়াহাব)

alorfoara by alorfoara
February 22, 2023
in সংখ্যা ২৬ (০১-০২-২০২৩), সম্পাদকীয়
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

স্যাটানিক ভার্স নামক পুস্তকের প্রণেতা হলেন স্যার আহমেদ সালমান রুশদী, যিনি ভারতীয় বংশোদ্ভুত বৃটিশ ও আমেরিকার নাগরিক। তাঁর উক্ত বইটি নিয়ে গোটা মুসলিম বিশ্বে মারাত্মক হুলুস্থুল বেধে গিয়েছিল। কথিত আছে, ইরান নাকি তার মুন্ডের মুল্য পঞ্চাল লাখ ডলার ঘোষণা দিয়েছিল। মিলিছের পর মিছিল নিয়ে তাদের ঘৃণা প্রকাশ করেছে আমজনতা থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় পন্ডিতগণ পর্যন্ত।

 

মজার বিষয় হলো, মিছিলকারী অধিকাংশ লোক ছিল রবাহুত মাত্র। কোনো এক ব্যক্তিকে মিছিলের কারণ নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে জবাবে উষ্মা প্রকাশ করে বললো, স্যাটানিকভার্সকে পেলে কেটে টুকরো টুকরো করে ছাড়বে। এমন হলো তাদের ঘৃণা ও উষ্মার কারণ। বেচারা (আন্দোলনকারী) জানেইনা, ঘৃণা কার বিরুদ্ধে; স্যাটানিনক ভার্স হলো একটা পুস্তক আর তার লেখক হলেন সালমান রুশদী।

 

সাধারণ জনতা আমোদে, আনন্দে, উষ্মা, জিঘাংসা, প্রতিরোধে ক্ষণিকের জন্য হয়ে ওঠে পাগলপারা। উগ্রতার মুহুর্তে শিকারকে হাতের কাছে পেলে হিতাহিত জ্ঞানহারা অবস্থায় ন্যায়–অন্যায় অনেক কিছু করে বসে যা পরবর্তী মুহুর্তে ঘাতক পস্তাতে থাকে। সেজন্য কোনো কিছুই করার পূর্বে  অবশ্যই বিবেচনা করে তবে পদক্ষেপ দিতে হবে বাস্তবতার নিরীখে। মানুষ কতল করার মাধ্যমে ন্যায়, সত্য সুন্দরে প্রেম শান্তি প্রতিষ্ঠা বা জয়গান হতে পারে কী?

 

গোটা পৃথিবী পরিবর্তনশীল একটি বাস্তবতা। তবে এর নির্মাতা হলেন অব্যয় অক্ষয় চিরজাগ্রত সুমহান প্রেমাকর, যিনি তাঁর সৃষ্টিকে আত্মবৎ প্রেম করে থাকেন। মানুষ হলো তাঁর যোগ্য প্রতিনিধি, যাকে স্বীয় সুরতে সৃষ্টি করেছেন, তাঁরই পক্ষে দূতীয়ালি করার নিমিত্তে। তবে দুঃখজনক ঘটনা হলো, মানুষ প্রথমেই প্রতারিত হলো খোদার চরম দুষমণ ইবলিসের দ্বারা, মানুষ হয়ে পড়লো খোদাদ্রোহী, লুফে নিল অভিশপ্ত ইবলিসের কুটচাল, যা কেবল খুন–খারাবী ও বিনাশ করা। মানুষের ধমণীতে নিয়ত বয়ে চলছে ক্ষতিকারক কুটবুদ্ধি, যার প্রমান মানবদেহের সর্বত্র হচ্ছে প্রতিভাত। নরঘাতী যুদ্ধ–বিগ্রহগুলো হলো এর প্রকাশ্য প্রমান। যেহেতু মানুষের মগজে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে ইবলিসের চালবোল তাই তাদের সর্ববিধ কর্মকান্ড মন্দ আর মন্দ। নবী যিশাইয়ের পুস্তকে দেখা যায়, “আমরা প্রত্যেকে নাপাক লোকের মত হয়েছি আর আমাদের সব সৎ কাজ নোংরা কাপড়ের মত। আমরা সবাই পাতার মত শুকিয়ে গেছি, আমাদের গুনাহ বাতাসের মত করে আমাদের উড়িয়ে নিয়ে গেছে” (যিশাইয়া ৬৪ অধ্যায় ৬পদ)।

 

সকলেই গুনাহগার, সকলেই পতীত, তথাপি মানুষ নিত্যদিন ধার্মিকতার মহড়া দিয়ে ফিরছে, নিজেদের ভুলাচ্ছে ও সমাজের সাধারণ লোকদের বোকা বানাচ্ছে, অন্তসারশুণ্য কাজ করে হচ্ছে উৎসাহিত। অনেক ধর্মে দেখা যায়, একজন সাধারণ অনুসারী মতবাদের আদিঅন্ত কিছুই বোঝে না, তথাপি নেতার পিছনে মহড়া দিয়ে ফিরছে নিজেকে ভাগ্যবান ধার্মিক ব্যক্তি ভেবে। খোদা যেক্ষেত্রে তাগিদ দিচ্ছেন এবং নিজেরা অর্থ না বুঝে আউড়ে ফিরছে পবিত্রতার পথে অগ্রসরমান ভেবে। ভাষাজ্ঞানের অভাবে প্রতিজ্ঞাত বাক্য পরিত্যাগ করে বাস্তবে তারা হাটছে সম্পূর্ণ বিপরীত মুখে। কালাম কেবল শুনিলেই চলবে না, সেইমত জীবনে অবশ্যই প্রয়োগ করতে হবে (ইয়াকুব ১অধ্যায় ২২ থেকে ২৫পদ)।

 

মানুষ খোদার হাতে স্বীয় প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্ট। সৃষ্টিলগ্নে প্রথম মানুষটি ছিলেন পূতপবিত্র, ছিল খোদার সাথে প্রাণবন্ত নিবীড় মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক। পথিমধ্যে ইবলিসের ধোকায় সে তেমন সম্পর্ক হারিয়ে ফেলেছে, পবিত্র স্থান থেকে হয়েছে বিতাড়িত, কথায় কাজে, আচার–আচরণে খাস ইবলিসের প্রতিনিধিত্ব করে গোটা বিশ্ব একটি মারাত্মক নরককুন্ডে পরিণত করে রেখেছে। খোদাবন্দ হযরত ঈসা মসিহ তাই সমাজটাকে তুলনা করেছেন ‘চুনকাম করা সাদা কবরের তুল্য’ যার বাহিরটা হলো ধবধবে সাদা আর ভিতরটা দুর্গন্ধে ভরা পুঁতি  হাড়গোড়ে ভরা।

 

বর্তমানকার মানুষ আমরা, যেমন আছি আর প্রথম মানুষ তেমনই ছিল, কোনো ব্যতিক্রম খুঁজে পাবার উপায় নেই অনন্ত: মনমানসিকতার দিক দিয়ে। যদি মনে সন্দেহ জাগে তবে স্মরণ করবেন, কাবিল তার সহোদর  ভ্রাতা হাবিলকে কী নৃশংসভাবে হত্যা করলো। মানুষের উপর বিপদ আপদ যতোই নেমে আসুক না কেন, সে প্রানান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে চলছে মুক্তির মূল্য পরিশোধ করতে; বিনিময়ে, প্রত্যাশা তার অনন্ত জীবন ও স্বাধীনতা লাভ।

 

মানুষের নির্মাতা অবশ্যই চাচ্ছেন সকল মানুষ পাপের করাল গ্রাস থেকে হোক অবমুক্ত এবং তা চিরস্থায়ী ভাবে। মানুষের হাতে কোনো মূল্য নেই নিজের ঋণ (পাপ) পরিশোধ করার মত। অবশ্যই তাকে খোদার মুখাপেক্ষা করতে হবে নাজাত লাভের জন্য।

 

মাবুদ নিজেও তেমন চিন্তা করে থাকেন (যেরেমিয়া ২৯ অধ্যায় ১১পদ)। মানুষের প্রতি  রয়েছে তাঁর সীমাহিন প্রেম। তিনি মানবের প্রতি তাঁর চুড়ান্ত প্রেম প্রকাশ করেছেন এক অভূতপূর্ব উপায়ে। মানুষের পাপের ঋণ শোধ দেবার জন্য এক মেষ শাবক কোরবানি দিলেন, যার ফলে বিশ্বাসহেতু সকল গুনাহগার পেল অভাবিত নাজাত। আপনি কি জানতে চান, সে কোন ব্যবস্থা যার দ্বারা কেবল বিশ্বাসহেতু গুনাহগার পেতে পারে মুক্তি, স্বাধীনতা, অনন্ত নাজাত, পিতার সাথে পুনর্মিলনের মোক্ষম সুযোগ।

 

খোদা স্বীয় কালাম ও পাকরূহ মানুষের বেশে জগতে করলেন প্রেরণ, যিনি হলেন কালেমাতুল্লাহ ও রুহুল্লাহ, অবশ্য তিনি ঈসা মসিহ বলে বহুজনের কাছে হয়ে আছেন পরিচিত। তিনি আদমের ঔরষ দ্বারা জন্মপ্রাপ্ত নন, খোদার কুদরতে পাকরূহ কুমারী মরিয়মের গর্ভে জন্মালেন মানব শিশুরূপে। তিনিই হলেন সেই প্রতিজ্ঞাত ব্যক্তি যিনি ইবলিসের মস্তক চূর্ণ–বিচূর্ণ করে ছাড়বেন (পয়দায়েশ ৩অধ্যায় ১৫পদ, ইশাইয়া ৯অধ্যায় ৬পদ, মথি ১অধ্যায় ২০ থেকে ২১পদ, ইশাইয়া ৭ অধ্যায় ১৪পদ)। সম্পূর্ণ বেগুনাহ ব্যক্তি হলেন এই মসিহ, যার পূতাপবিত্রতা আর খোদার পূতপবিত্রতা, একই পবিত্রতা! যে কারণে তিনি হলেন অদৃশ্য খোদার হুবহু দৃশ্যমান প্রকাশ। কালামপাকে তাই বর্ণীত রয়েছে, ‘আমাকে আমাকে দেখেছে সে পিতাকেও দেখেছে’ (ইউহোন্না ১৪ অধ্যায় ৯পদ)।

 

আদম বংশে জাত কোনো ব্যক্তির পক্ষে এমন দাবি জ্ঞাপন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি, কেননা পুরো আদমকুল হলো চরমভাবে কলুষিত। সকলে পাপ করেছে  এবং খোদার গৌরব হারিয়ে বসেছে (রোমীয় ৩অধ্যায় ২৩পদ ও যিশাইয়া ৬৪ অধ্যায় ৬পদ)।

 

বাহ্যিক কোনো চিহ্ন দিয়ে আমরা হৃদয়ের পরিবর্তন বা পবিত্রতার প্রমাণ বহন করতে পারি না। পবিত্র হৃদয়ের প্রকাশ হবে পবিত্র নিষ্কাম আচরণের মাধ্যমে। যে ব্যক্তি অপসারিত হয়ে গেছে, (যিহিষ্কেল ৩৬অধ্যায় ২৬পদ) উক্ত ব্যক্তি বতৃমানে পাকরূহের দ্বারা হচ্ছেন পরিচালিত, রয়েছেন নিয়ন্ত্রিত মসিহের দ্বারা, যে কথা হযরত পৌল প্রকাশ করেছেন তার পত্রে, ‘আমাকে মসিহের সংগে ক্রুশের উপরে হত্যা করা হয়েছে। তাই আমি জীবিত নই, মসিহই আমার মধ্যে জীবিত আছেন’ (গালাতীয় ২ অধ্যায় ২০পদ)।

 

উক্ত বক্তব্যের প্রকৃত তাৎপর্য হলো, পৌল স্বীয় প্রাধিকার সম্পূর্ণ মসিহের উপর সমর্পণ করেছিলেন, তাই মসিহ তাকে পরিচালনা করার দায়িত্বভার নিজ হাতে তুলে নিয়েছিলেন, যা পৌলের জন্য ছিল মহাপ্রাপ্ত। ফলে তিনি খোলাখুলি প্রকাশ করেছিলেন পূর্বের সকল প্রাপ্তী, যা ছিল পার্থীব গর্বের কারণ, তা মসিহের তুরনায় শ্রেফ মলবৎ।

 

প্রেম পত্রের লেফাফায় প্রেম থাকে না, ভিতরের কাগজে প্রেম থাকে না, যে কালি দিয়ে পত্র লেখা হয় তাতেও কোনো প্রেমের গন্ধ শুকে পাওয়া যাবে না, এমনকি পুরো পত্রে কোথাও প্রেমের সুরভী খুঁজে পাবার কোনো উপায় নেই; প্রেম থাকে পত্র প্রেরকের হৃদয় জুড়ে যা প্রাপকের হৃদয়ে অভিষেক করার জন্য থাকেন ব্যাকুল।

 

প্রেম হলো হৃদয়ে থেকে হৃদয়ে প্রেরণযোগ্য অনুভূতি। মানুষ ও খোদার সাথে এমন নিবীড় প্রেমের সঞ্চালন করে চলছেন পাকরূহ নিজেই। সে কারণে বলা হয়, খোদা প্রেম, যে প্রেমে বাস করে সে খোদার হৃদয় জুড়ে অবস্থান করে। আমরা জানি আল্লাহ আমাদের মহব্বত করেন, আর তাঁর মহব্বতের উপর আমাদের ভরসা ও বিশ্বাস আছে। আল্লাহ নিজেই মহব্বত। মহব্বতের মধ্যে যে থাকে সে আল্লাহর মধ্যে থাকে এবং আল্লাহ তার মধ্যে থাকেন’ (১ম ইউহোন্না ৪ অধ্যায় ১ থেকে ৬পদ)।

 

অন্ধকারের ঘণঘটা যতোই মারাত্মক হোক না কেন, সৎসাহসে একটি প্রজ্জ্বলিত মোম নিয়ে দাড়ান, দেখবেন ধন্বন্তরী ফল ফলে গেছে। কালামপাকে তাই যথার্থ বর্ণীত রয়েছে, ‘সেই নূর অন্ধকারের মধ্যে জ্বলে উঠলো, কিন্তু অন্ধকার তা নির্বাপিত করতে পারলো না।’ অন্ধকার আলোর কাছে হেরে যায়, যেতে বাধ্য (ইউহোন্না ১ অধ্যায় ৫পদ)।

 

কয়েকটি আয়াত তুলে ধরছি, পাঠককুল বিশ্বাসের গুরুত্ব বুঝতে পারবেন। ‘খৎনা করানো বা না করানোর কোনো দামই নেই, মসিহের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টি হয়ে ওঠাই হল বড় কথা’ (গালাতীয় ২ অধ্যায় ১৫পদ), ‘আল্লাহ মানুষকে এত মহব্বত করলেন যে, তাঁর একমাত্র পুত্রকে তিনি দান করলেন, যেন যে কেউ সেই পুত্রের উপর ঈমান আনে সে বিনষ্ট না হয় কিন্তু অনন্ত জীবন পায়। আল্লাহ মানুষকে দোষী প্রমাণ করবার জন্য তাঁর পুত্রকে দুনিয়াতে পাঠান নি, বরং মানুষ যেন পুত্রের দ্বারা নাজাত পায় সেজন্য তিনি তাঁকে পাঠিয়েছেন’ (ইউহোন্না ৩অধ্যায় ১৬ থেকে ১৭পদ), ‘যদি কেউ মসিহের সংগে যুক্ত হয়ে থাকে তবে সে নতুনভাবে সৃষ্ট হল। তার পুরানো সব কিছু মুছে গিয়ে নতুন হয়ে উঠেছে’ (২করিন্থীয় ৫অধ্যায় ১৭পদ), ‘কিন্তু আল্লাহ যেমন নূরে আছেন আমরাও যদি তেমনি নূরে চলি তবে আমাদের মধ্যে যোগাযোগ–সম্বন্ধ থাকে আর তাঁর পুত্র ঈসার রক্ত সমস্ত গুনাহ থেকে আমাদের পাক–সাফ করে’ (১ইউহোন্না ১ অধ্যায় ৭পদ), ‘এই সব নিয়মগুলো দেখতে মনে হয় বেশ জ্ঞানেপূর্ণ কারণ কি করে এবাদত করা যায়, কিভাবে কিভাবে নিজেদের নীচু করা যায়, কিভাবে নিজের শরীরকে কষ্ট দেওয়া যায়, তা এই নিয়মগুলোর কোন মূল্যই নেই’ (কলসীয় ২ অধ্যায় ২৩পদ), ‘তোমরা যখন মুনাজত কর তখন ভন্ডদের মত কোরো না, কারণ তারা লোকদের কাছে নিজেদের দেখাবার জন্য মজলিসখানায় ও রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে মুনাজাত করতে ভালবাসে। আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, তারা তাদের পুরস্কার পেয়ে গেছে’ (মথি ৬অধ্যায় ৫পদ), ‘ভন্ড আলেম ও ফরীশীরা, ঘৃণ্য আপনারা! আপনারা চুনকাম করা কবরের মত, যার বাইরের দিকটা সুন্দর কিন্তু ভিতরটা মরা মানুষের হাড়–গোড় ও সব রকম ময়লায় ভরা। ঠিক সেভাবে, বাইরে আপনারা লোকদের চোখে ধার্মিক কিন্তু ভিতরে ভণ্ডামী ও গুনাহে পূর্ণ’ (মথি ২৩ অধ্যায় ২৭ থেকে ২৮পদ), ‘যে ভিত্তি আগেই গাঁথা হয়ে গেছে সেটা ছাড়া আর কোন ভিত্তি কেউ গাঁথতে পারে না। ঈসা মসিহই হলেন সেই ভিত্তি। সেই ভিত্তির উপরে সোনা, রূপা, দামী পাথর, কাঠ, খড় বা বিচালি দিয়ে যদি লোকে গড়ে তোলে, তবে সে কি রকম কাজ করেছে তা ভাল করে দেখা যাবে। রোজ হাশরেই তা প্রকাশিত হবে, কারণ সেই দিনের প্রকাশ আগুনের মধ্য দিয়েই হবে।  কার কাজ কি রকম তা আগুনই যাচাই করবে। যে যা গড়ে তুলেছে তা যদি টিকে থাকে তবে সে পুরস্কার পাবে; আর যদি তা পুড়ে যায় তবে তার ক্ষতি হবে। অবশ্য সে নিজে নাজাত পাবে, কিন্তু তার অবস্থা এমন লোকের মত হবে যে আগুনের মধ্য দিয়ে পার হয়ে এসেছে’ (১করিন্থীয় ৩ অধ্যায় ১১ থেকে ১৫পদ), ‘সেই দিন অনেকে আমাকে বলবে, ‘প্রভু, প্রভু, তোমার নামে কি আমরা নবী হিসাবে কথা বলি নি? তোমার নামে কি ভূত ছাড়াই নি? তোমার নামে কি অনেক অলৌকিক কাজ করি নি? তখন আমি সোজাসুজিই তাদের বলব, ‘আমি তোমাদের চিনি না। দুষ্টের দল! আমার কাছ থেকে তোমরা দূর হও’ (মথি ৭ অধ্যায় ২২ থেকে ২৩পদ), ‘আমি মাবুদ, এই আমার নাম। আমি অন্রকে আমার গৌরব কিংবা মূর্তিকে আমার পাওনা প্রশংসা পেতে দেব না’ (ইশাইয়া ৪২ অধ্যায় ৮পদ), ‘কারণ  সবাই গুনাহ করেছে এবং আল্লাহর প্রশংসা পাবার অযোগ্য হয়ে পড়েছে’ (রোমীয় ৩অধ্যায় ২৩পদ), ‘যে লোক সমস্ত শরীয়ত পালন করেও মাত্র একটা বিষয়ে গুনাহ করে সে সমস্ত শরীয়ত অমান্য করেছে বলতে হবে’ (ইয়াকুব ২অধ্যায় ১০পদ), ‘যারা নিজেদের ধার্মিক মনে করে অন্যদের তুচ্ছ করত তাদের শিক্ষা দেবার জন্য ঈসা এই কথা বললেন। দু’জন লোক মুনাজাত করবার জন্য বায়তুল–মোকাদ্দসে গেলেন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন ফরীশী ও অন্যজন খাজনা–আদায়কারী। সেই ফরীশী দাঁড়িয়ে নিজের বিষয়ে এই মুনাজাত করলেন, ‘হে আল্লাহ, আমি তোমাকে শুকরিয়া জানাই যে, আমি অন্য লোকদের মত ঠগ, অসৎ ও জেনাকারী নই, এমন কি, ঐ খাজনা আদায়কারীর মতও নই। আমি সপ্তায় দু’বার রোজা রাখি এবং আমার সমস্ত আয়ের দশ ভাগের এক ভাগ তোমাকে দিই। সেই সময় সেই খাজনা আদায়কারী কিছু দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। আসমানের দিকে তাকাবারও তার সাহস হল না; সে বুক চাপড়ে বলল, ‘হে আল্লাহ! আমি গুনাহগার; আমার প্রতি মমতা কর।’ আমি তোমাদের বলছি, সেই খাজনা–আদায়কারীকে আল্লাহ ধার্মিক বলে গ্রহণ করলেন আর সে বাড়ী ফিরে গেল। কিন্তু সেই ফরীশীকে তিনি ধার্মিক বলে গ্রহণ করলেন না। যে কেউ নিজেকে উঁচু করে তাকে নীচু করা হবে এবং যে নিজেকে নীচু করে তাকে উঁচু করা হবে’ (লুক ১৮ অধ্যায় ১ থেকে ১৪পদ)। ‘যদি আমরা নিজেদের বিচার করে দেখি তবে আমরা প্রভুর বিচারের হাত থেকে রেহাই পাই’ (১করিন্থীয় ১১ অধ্যায় ৩১পদ), ‘তোমরা নিজেদের পরীক্ষা করে দেখ তোমরা সত্যি করে মসিহের উপর ঈমান এনেছ কি না। তোমরা নিজেদের যাচাই করে দেখ। তোমরা কি বোঝ না যে, মসিহ ঈসা তোমাদের দিলে আছেন? অবশ্য যাচাই করবার ফলে তোমরা যদি অখাঁটি বলে ধরা না পড়’ (২করিন্থীয় ১৩অধ্যায় ৫পদ), ‘সাবধান, লোককে দেখাবার জন্য ধর্ম–কর্ম কোরো না; যদি কর তবে তোমাদের বেহেশতী পিতার কাছ থেকে কোন পুরস্কার পাবে না’ (মথি ৬অধ্যায় ১পদ) ‘তবুও নেতাদের মধ্যে অনেকে তাঁর উপর ঈমান আনলেন, কিন্তু ফরীশীরা সমাজ থেকে তাঁদের বের করে দেবেন সেই ভয়ে তাঁরা তা স্বীকার করলেন না। তাঁরা আল্লাহর কাছ থেকে প্রশংসা পাওয়ার চেয়ে মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা পেতে বেশি ভালবাসতেন’ (ইউহোন্না ১২ অধ্যায় ৪২ থেকে ৪৩পদ), ‘মাবুদ বলছেন, এহুদার গুনাহ লোহার যন্ত্র দিয়ে লেখা হয়েছে, হীরার কাঁটা দিয়ে তাদের দিলের ফলকে, তাদের বেদীর শিংয়ের উপরে খোদাই করা হয়েছে’ (যেরোমিয়া ১৭অধ্যায় ১পদ), ‘হে আল্লাহ, তুমি আমাকে ভাল করে পরীক্ষা করে দেখ, আর আমার অন্তরের অবস্থা জেনে নাও; আমাকে যাচােই করে দেখ, আর আমার দুশ্চিন্তার কথা জেনে নাও। তুমি দেখ আমার মধ্যে এমন কিছু আছে কি না যা দুঃখ দেয়; তুমি আমাকে ানন্ত জীবনের পথে চালাও’ (জবুর শরীফ ১৩৯ অধ্যায় ২৩ থেকে ২৪পদ), ‘যার মন তোমার উপর স্থির আছে তাকে তুমি পূর্ণ শান্তিতে রাখবে, কারণ সে তোমার উপর ভরসা করে’ (ইশাইয়া ২৬ অধ্যায় ৩পদ)।

 

ShareTweet
Next Post

সৌরভ গাঙ্গুলি আসছেন

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

August 31, 2025
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

August 31, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা