বীজধান সংরক্ষণ অথবা যে কোনো বীজই হোক না কেন, আর তা জমিতে রোপন করণ কষ্মিমকালেও এক কাজ হতে পারে না। ধান সংরক্ষণ করে রাখা হয় আবাদের সময় ইতোমধ্যে কর্ষিত জমিতে রোপন করার জন্য। আর সেজন্য ফসল কর্তনের সময় কিয়দংশ বেছনের জন্য অর্থাৎ বীজ হিসেবে আলাদা করে রাখতেই হবে।
তা আপনি বস্তা বন্দি করে রাখুন বা বীজভান্ডারে ফেলে রাখুন, তা আপনি বড়জোর ৩মাস রাখার সুযোগ পাবেন, কেননা পুনরায় বীজ রোপনের সময় হাজির হয়ে পড়বে। আধুনিক উন্নত চাষাবাদ প্রণালির বদৌলতে সহজেই তিনটে ফসল ঘরে তোলার ব্যবস্থা হয়ে গেছে।
খোদার কালামকে জীবন্ত বীজের সাথে তুলনা করা হয়ে থাকে। খোদার কালাম যা মানুষকে জীবন দান করে তা মানুষের হৃদয় ক্ষেত্রে বপন করতে হবে। আপনার যদি চাষাবাদ করার অভিজ্ঞতা থেকে থাকে তবে জমি প্রস্তুত করার নিয়মাবলি নিয়েও বুঝতে হবে। এক মুঠো বীজ নিয়ে যে কোনো জংলা জমিতে ছুড়ে মারলেন, আর তাতে যে ফসল ফলবে তার জন্য অপেক্ষা করবেন তা বিবেচকের ভূমিকা বলে গণ্য হবার নয়। জমি প্রস্তুত করা আবশ্যক বপনের পূর্বে। বপনের পরবর্তী যত্নাদি দিয়ে উক্ত চারা সুরক্ষা ও প্রবৃদ্ধির সহায়ক পদক্ষেপও আপনাকে নিতে হবে। বীজ অংকুরোদ্গমের ক্ষেত্রে আবশ্যক উপযুক্ত কর্ষিত ভূমি, কোনোভাবেই তা দলগত থাকার প্রয়োজন পড়ে না। যথাযথ তাপ পেয়ে ডিম থেকে যেমন ছানা বের হয়, একইভাবে জীব আর্দ্র মাটির পরশ পাবার সাথে তার ভিতরে অর্থাৎ শুপ্ত জীবনে দোলা লাগে, কলায় কলায় বিকাশিত হতে শুরু করে, লাভ করে প্রবৃদ্ধি আর এক সময় খোলস ভেদ করে নতুন জীবন হয় বিকাশিত। কোনো পাথর লাভার চাপ ঠেকাতে পারে কি? আর পারে না বলেই আগ্নেগিরির সৃষ্টি। বীজ আবৃত রাখার খোলস এক সময় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় যদি বীজটি জীবন্ত থাকে ও খাঁটি জীবনের পরশ লাভে ধন্য হতে পারে।
কথায় বলে হযরত পিতর ততক্ষণ পর্যন্ত জলের উপর দিয়ে হাটতে পেরেছিলেন যতক্ষণ পর্যন্ত ছিল তার দৃষ্টি কেবল মসিহের উপর নিবদ্ধ। জানেন তো হযরত পৌল আচমকা ঘোড়ার পিঠ থেকে ভূমিতে পড়ে গিয়ে ছিলেন খোদার নূরের দ্বারা পরিবেষ্টিত হবার সময়। তবে উক্ত ঘটনার উপর ভিত্তি করে যতোটাই পুস্তক-পুস্তিকা হয়েছে বিরচিত, সেগুলো পাঠ করার ফলে কোনো ব্যক্তির-জীবনে এমন আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই, তবে বহুক্ষেত্রেই পাকরূহের পরশে ব্যক্তি জীবনে নেমে এসেছে আমূল পরিবর্তন, তেমন ক্ষেত্রে মসিহের জন্য তারা নিজেদের জীবন পর্যন্ত করেছেন কোরবান।
বীজ যেমন এককভাবে অংকুরতি হয়, দলগত প্রভাব তাতে থাকার কথা নয়, ধর্ম হলো তদ্রুপ ব্যক্তিগত অভিব্যক্তি, কিতাবে তাই যথার্থ বর্ণিত রয়েছে, ‘যদি কেউ মসিহের সঙ্গে যুক্ত হয়ে থাকে তবে সে নতুনভাবে সৃষ্ট হল। তার পুরানো সব কিছু মুছে গিয়ে সব নতুন হয়ে উঠেছে। ইংরেজিতে আয়াতটি এমনভাবে সাজানো রয়েছে ‘It any one…’
আপনি চাইলেও পরিপক্ক বীজ গাছে ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন না, যথা সময় সে বৃক্ষ থেকে আগলা হয়ে মাটিতে পড়বে, প্রাকৃতিক বনবনানি সেভাবেই বৃদ্ধি লাভ করে।
কেউই দুই নৌকায় পা রাখতে পারে না। মসিহ যখন আপনাকে স্পর্শ করেন তখন আপনি তার একান্ত নিজস্ব সম্পদ হয়ে গেলেন, আপনি তাঁর হয়ে ঐশি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য হলেন আহুত ও মনোনিত।
তা আপনি বস্তা বন্দি করে রাখুন বা বীজভান্ডারে ফেলে রাখুন, তা আপনি বড়জোর ৩মাস রাখার সুযোগ পাবেন, কেননা পুনরায় বীজ রোপনের সময় হাজির হয়ে পড়বে। আধুনিক উন্নত চাষাবাদ প্রণালির বদৌলতে সহজেই তিনটে ফসল ঘরে তোলার ব্যবস্থা হয়ে গেছে।
খোদার কালামকে জীবন্ত বীজের সাথে তুলনা করা হয়ে থাকে। খোদার কালাম যা মানুষকে জীবন দান করে তা মানুষের হৃদয় ক্ষেত্রে বপন করতে হবে। আপনার যদি চাষাবাদ করার অভিজ্ঞতা থেকে থাকে তবে জমি প্রস্তুত করার নিয়মাবলি নিয়েও বুঝতে হবে। এক মুঠো বীজ নিয়ে যে কোনো জংলা জমিতে ছুড়ে মারলেন, আর তাতে যে ফসল ফলবে তার জন্য অপেক্ষা করবেন তা বিবেচকের ভূমিকা বলে গণ্য হবার নয়। জমি প্রস্তুত করা আবশ্যক বপনের পূর্বে। বপনের পরবর্তী যত্নাদি দিয়ে উক্ত চারা সুরক্ষা ও প্রবৃদ্ধির সহায়ক পদক্ষেপও আপনাকে নিতে হবে। বীজ অংকুরোদ্গমের ক্ষেত্রে আবশ্যক উপযুক্ত কর্ষিত ভূমি, কোনোভাবেই তা দলগত থাকার প্রয়োজন পড়ে না। যথাযথ তাপ পেয়ে ডিম থেকে যেমন ছানা বের হয়, একইভাবে জীব আর্দ্র মাটির পরশ পাবার সাথে তার ভিতরে অর্থাৎ শুপ্ত জীবনে দোলা লাগে, কলায় কলায় বিকাশিত হতে শুরু করে, লাভ করে প্রবৃদ্ধি আর এক সময় খোলস ভেদ করে নতুন জীবন হয় বিকাশিত। কোনো পাথর লাভার চাপ ঠেকাতে পারে কি? আর পারে না বলেই আগ্নেগিরির সৃষ্টি। বীজ আবৃত রাখার খোলস এক সময় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় যদি বীজটি জীবন্ত থাকে ও খাঁটি জীবনের পরশ লাভে ধন্য হতে পারে।
কথায় বলে হযরত পিতর ততক্ষণ পর্যন্ত জলের উপর দিয়ে হাটতে পেরেছিলেন যতক্ষণ পর্যন্ত ছিল তার দৃষ্টি কেবল মসিহের উপর নিবদ্ধ। জানেন তো হযরত পৌল আচমকা ঘোড়ার পিঠ থেকে ভূমিতে পড়ে গিয়ে ছিলেন খোদার নূরের দ্বারা পরিবেষ্টিত হবার সময়। তবে উক্ত ঘটনার উপর ভিত্তি করে যতোটাই পুস্তক-পুস্তিকা হয়েছে বিরচিত, সেগুলো পাঠ করার ফলে কোনো ব্যক্তির-জীবনে এমন আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই, তবে বহুক্ষেত্রেই পাকরূহের পরশে ব্যক্তি জীবনে নেমে এসেছে আমূল পরিবর্তন, তেমন ক্ষেত্রে মসিহের জন্য তারা নিজেদের জীবন পর্যন্ত করেছেন কোরবান।
বীজ যেমন এককভাবে অংকুরতি হয়, দলগত প্রভাব তাতে থাকার কথা নয়, ধর্ম হলো তদ্রুপ ব্যক্তিগত অভিব্যক্তি, কিতাবে তাই যথার্থ বর্ণিত রয়েছে, ‘যদি কেউ মসিহের সঙ্গে যুক্ত হয়ে থাকে তবে সে নতুনভাবে সৃষ্ট হল। তার পুরানো সব কিছু মুছে গিয়ে সব নতুন হয়ে উঠেছে। ইংরেজিতে আয়াতটি এমনভাবে সাজানো রয়েছে ‘It any one…’
আপনি চাইলেও পরিপক্ক বীজ গাছে ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন না, যথা সময় সে বৃক্ষ থেকে আগলা হয়ে মাটিতে পড়বে, প্রাকৃতিক বনবনানি সেভাবেই বৃদ্ধি লাভ করে।
কেউই দুই নৌকায় পা রাখতে পারে না। মসিহ যখন আপনাকে স্পর্শ করেন তখন আপনি তার একান্ত নিজস্ব সম্পদ হয়ে গেলেন, আপনি তাঁর হয়ে ঐশি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য হলেন আহুত ও মনোনিত।