ইব্রাহিম নবীকে ধরা হয় বিশ্বাসিদের আদি পিতা, অর্থাৎ তিনি অদৃশ্য খোদার উপর নিরঙ্কুশ নিঃশর্ত বিশ্বাস স্থাপন করেছিলেন, আর তা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নিজের জ্ঞাতি কুটুম তথা বিষয়-আসয় পর্যন্ত তুচ্ছজ্ঞান করে খোদার সংগ লাভ উত্তম ভেবে ছিলেন।
ইব্রাহিম নবীর জীবনাচরণ থেকে আমরা অনেক বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করতে পারি।
০১। যদিও খোদা বাতেনি সত্ত¡া, তবুও তিনি তাঁকে বিশ্বাসের চোখে দেখতে পেরেছিলেন, আর তাঁর উপর দৃঢ় আস্থা স্থাপন করতে কালবিলম্ব করলেন না।
০২। জীবদ্দশায় প্রত্যেকটি প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যদ্রব্যসহ অনেক কিছুর প্রয়োজন হয়, ইব্রাহিম নবীর সবটুকু ছিল, কিন্তু খোদার উপর নির্ভর করতে গিয়ে তিনি দৃশ্যমান বস্তু পরিত্যাগ করে খোদার উপর একক নির্ভর করে নিরুদ্দেশের পথে রওয়ানা দিয়েছিলেন; তার চোখ ছিল একমাত্র মাবুদের দিকে।
০৩। যে দেশের কথা খোদা তাদের বলেছিলেন, উক্ত দেশে পৌছাতে তারা ছিলেন পাগলপারা। খোদার ওয়াদার উপর নির্ভর করার ফলেই তারা দৃশ্যমান বস্তুজগতকে পেরেছিলেন তুচ্ছজ্ঞান করতে।
আর খোদাও তাকে ডাক দিয়েছিলেন অনন্তকাল নিজের কাছে ধরে রাখার জন্য। খোদার কাছে তো অজানা নয়, মানুষকে তিনি স্বীয় প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, মানুষ হলো খোদার প্রিয়পাত্র। মানুষ আর খোদার আন্তরিক সহভাগিতা হলো চিরস্থায়ী সহভাগিতা। খোদা মানুষকে প্রেম করেছেন এক চিরস্থায়ী ও চুড়ান্ত মূল্যে। নিজের প্রাণের অধিক তিনি মানুষ ভালবাসেন। এ প্রেম ক্ষণকালের প্রেম নয়, ঐশি প্রেম। তবে অভিশপ্ত ইবলিস তা সহ্য করতে পারলো না, উক্ত বিতাড়িত ইবলিস মানুষের ক্ষতি করার জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা হাতে নিল।
এদন উদ্যান থেকে প্রথম মানুষ আদম হাওয়াকে কুটচাল দিয়ে করলো বিতাড়িত, তারপর কাবিলকে ক্ষিপ্ত করে তুললো সহোদর ভ্রাতা হাবিলকে হত্যা করতে। মানুষের যাত্রা শরু হলো খোদা বিরোধি কর্মকান্ড খুন ও রাহাজানি দিয়ে। মানুষ প্রথম থেকেই সত্য মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করার ক্ষমতা হারিয়ে বসলো, জন্ম হলো তার পাপ ও অন্ধকারে। মানুষ প্রথম থেকেই হলো চরমভাবে ভ্রষ্ট। সত্য মিথ্যার মধ্যে গুলিয়ে চলা তার স্বাভাবিক কাজ। মানুষের হাত রঞ্জিত হয়েছে মানুষের রক্তে। তাই কবি বলেন;
যে হস্ত মানুষের রক্তে হয়েছে রঞ্জিত
শ্রদ্ধাভক্তির রাজে কিভাবে রাখা যায় তাকে আজন্ম সঞ্চিত
জগতের তাড়িত লাঞ্চিত নিগৃহিত ভাগ্যাহত
ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে আজ তারা হয়ে আছে খন্ডিত
মসিহ এলেন জীবন দিলেন হারাধন ফিরায়ে নিতে
আঘাতে নয়, একক তিনিই জানেন অপাত্রে প্রেম বিলাতে।
খোদার পক্ষে আজ যারা হারাধন খুঁজে ফিরছেন তাদের কাছে অনুরোধ র’লো, কেবল মথুরা পার হবার জন্য তাদের খেয়া তরীর মাঝি ভাববেন না, তাদের প্রেম করবেন চিরস্থায়ী ভাবে। যারাই আপনার ডাকে নেমে এসেছেন মসিহের পথে, তাদের সাথে চিরস্থায়ী সম্পর্ক বজায় রেখে চলুন। মসিহ তাই যথার্থ বলেছেন, চোর কেবল চুরি, খুন ও নষ্ট করবার উদ্দেশ্য নিয়েই আসে। আমি এসেছি যেন তারা জীবন পায়, আর সেই জীবন যেন পরিপূর্ণ হয় (ইউহোন্না ১০ ঃ ১০)।
খোদা ও মানুষের মধ্যে গড়ে ওঠা প্রেম হলো অনন্তকালীন প্রেম, যা ক্ষণকালীন ক্রটি-বিচ্যুতিতেও উবে যাবার নয়। অভিশপ্ত ইবলিস মানুষ খুন করে বেড়ায়। তার কর্মকান্ড দেখে জ্ঞানবান লোক সহজেই বুঝতে পারে।
শান্তির প্রতিক কখনোই তরবারী হতে পারে না। মানব কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার চিহ্ন সলিব হলো শান্তি ও প্রেমের প্রতিক।
ইব্রাহিম নবীর জীবনাচরণ থেকে আমরা অনেক বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করতে পারি।
০১। যদিও খোদা বাতেনি সত্ত¡া, তবুও তিনি তাঁকে বিশ্বাসের চোখে দেখতে পেরেছিলেন, আর তাঁর উপর দৃঢ় আস্থা স্থাপন করতে কালবিলম্ব করলেন না।
০২। জীবদ্দশায় প্রত্যেকটি প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যদ্রব্যসহ অনেক কিছুর প্রয়োজন হয়, ইব্রাহিম নবীর সবটুকু ছিল, কিন্তু খোদার উপর নির্ভর করতে গিয়ে তিনি দৃশ্যমান বস্তু পরিত্যাগ করে খোদার উপর একক নির্ভর করে নিরুদ্দেশের পথে রওয়ানা দিয়েছিলেন; তার চোখ ছিল একমাত্র মাবুদের দিকে।
০৩। যে দেশের কথা খোদা তাদের বলেছিলেন, উক্ত দেশে পৌছাতে তারা ছিলেন পাগলপারা। খোদার ওয়াদার উপর নির্ভর করার ফলেই তারা দৃশ্যমান বস্তুজগতকে পেরেছিলেন তুচ্ছজ্ঞান করতে।
আর খোদাও তাকে ডাক দিয়েছিলেন অনন্তকাল নিজের কাছে ধরে রাখার জন্য। খোদার কাছে তো অজানা নয়, মানুষকে তিনি স্বীয় প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, মানুষ হলো খোদার প্রিয়পাত্র। মানুষ আর খোদার আন্তরিক সহভাগিতা হলো চিরস্থায়ী সহভাগিতা। খোদা মানুষকে প্রেম করেছেন এক চিরস্থায়ী ও চুড়ান্ত মূল্যে। নিজের প্রাণের অধিক তিনি মানুষ ভালবাসেন। এ প্রেম ক্ষণকালের প্রেম নয়, ঐশি প্রেম। তবে অভিশপ্ত ইবলিস তা সহ্য করতে পারলো না, উক্ত বিতাড়িত ইবলিস মানুষের ক্ষতি করার জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা হাতে নিল।
এদন উদ্যান থেকে প্রথম মানুষ আদম হাওয়াকে কুটচাল দিয়ে করলো বিতাড়িত, তারপর কাবিলকে ক্ষিপ্ত করে তুললো সহোদর ভ্রাতা হাবিলকে হত্যা করতে। মানুষের যাত্রা শরু হলো খোদা বিরোধি কর্মকান্ড খুন ও রাহাজানি দিয়ে। মানুষ প্রথম থেকেই সত্য মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করার ক্ষমতা হারিয়ে বসলো, জন্ম হলো তার পাপ ও অন্ধকারে। মানুষ প্রথম থেকেই হলো চরমভাবে ভ্রষ্ট। সত্য মিথ্যার মধ্যে গুলিয়ে চলা তার স্বাভাবিক কাজ। মানুষের হাত রঞ্জিত হয়েছে মানুষের রক্তে। তাই কবি বলেন;
যে হস্ত মানুষের রক্তে হয়েছে রঞ্জিত
শ্রদ্ধাভক্তির রাজে কিভাবে রাখা যায় তাকে আজন্ম সঞ্চিত
জগতের তাড়িত লাঞ্চিত নিগৃহিত ভাগ্যাহত
ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে আজ তারা হয়ে আছে খন্ডিত
মসিহ এলেন জীবন দিলেন হারাধন ফিরায়ে নিতে
আঘাতে নয়, একক তিনিই জানেন অপাত্রে প্রেম বিলাতে।
খোদার পক্ষে আজ যারা হারাধন খুঁজে ফিরছেন তাদের কাছে অনুরোধ র’লো, কেবল মথুরা পার হবার জন্য তাদের খেয়া তরীর মাঝি ভাববেন না, তাদের প্রেম করবেন চিরস্থায়ী ভাবে। যারাই আপনার ডাকে নেমে এসেছেন মসিহের পথে, তাদের সাথে চিরস্থায়ী সম্পর্ক বজায় রেখে চলুন। মসিহ তাই যথার্থ বলেছেন, চোর কেবল চুরি, খুন ও নষ্ট করবার উদ্দেশ্য নিয়েই আসে। আমি এসেছি যেন তারা জীবন পায়, আর সেই জীবন যেন পরিপূর্ণ হয় (ইউহোন্না ১০ ঃ ১০)।
খোদা ও মানুষের মধ্যে গড়ে ওঠা প্রেম হলো অনন্তকালীন প্রেম, যা ক্ষণকালীন ক্রটি-বিচ্যুতিতেও উবে যাবার নয়। অভিশপ্ত ইবলিস মানুষ খুন করে বেড়ায়। তার কর্মকান্ড দেখে জ্ঞানবান লোক সহজেই বুঝতে পারে।
শান্তির প্রতিক কখনোই তরবারী হতে পারে না। মানব কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার চিহ্ন সলিব হলো শান্তি ও প্রেমের প্রতিক।