রাজধানীর পেট্রোলপাম্পগুলোতে তেলের জন্য ভোক্তাদের অপেক্ষা ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাম্পগুলোর সামনে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলের সারিও লম্বা হচ্ছে, বাড়ছে দুর্ভোগ। তীব্র রোদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরেও চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। সরকার রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে অনেক পাম্পেই সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাম্প মালিকদের দাবি, সরবরাহ থাকলেও অতিরিক্ত চাপে সবার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। গতকাল সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ যানবাহনের লাইন দেখা যায়। মিরপুরের কালশীর সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন এলাকায় প্রাইভেট কারের লাইন ইসিবি চত্বর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। মোটরসাইকেলের জন্য ছিল আলাদা দীর্ঘ সারি। এতে আশপাশ এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে ইসিবি চত্বর পেরিয়ে ফ্লাইওভার হয়ে র্যাডিসন হোটেল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। কিছু পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে কর্মচারীদের সঙ্গে চালকদের বাগ্বিতণ্ডা এমনকি হাতাহাতিও ঘটেছে। বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশন, আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশন ও সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন ঘুরেও একই চিত্র দেখা গেছে।
ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশন থেকে মহাখালীমুখী সড়ক পর্যন্ত দীর্ঘ লাইন ছিল। অনেকে রোদ এড়াতে ছাতা ব্যবহার করলেও গরমে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর মোটরসাইকেল চালকদের সর্বোচ্চ ৫ লিটার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশন থেকে জিয়া উদ্যান ঘুরে বিজয় সরণির মেট্রোরেল স্টেশন পর্যন্ত যানবাহনের সারি দেখা গেছে। সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন এলাকার লাইন গিয়ে ঠেকেছে মোহাম্মদপুর টাউন হলমুখী সড়কে। লাইনে দাঁড়ানো মোটরসাইকেল চালক শাহাদাত হোসেন জানান, সকাল ৯টা থেকে অপেক্ষা করেও তেল পাইনি।



