শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হামিরদী ইউনিয়নে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে প্রায় পৌনে ৮টা পর্যন্ত চলতে থাকে দুপক্ষের ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া। সর্বশেষ রাত ৮টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্ৰামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করে। সে সময় খাপুরা গ্ৰাম, সিংগারডাক গ্ৰাম ও মাঝিকান্দা গ্ৰামের কয়েকজন বাসিন্দা তাকে লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার সূত্র ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে এলোপাথাড়ি মেরে আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন। মুনসুরাবাদ গ্ৰামবাসীর মধ্যে এই খবর ছড়িয়ে পড়লে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়।
অন্যদিকে খাপুরা গ্ৰাম, সিংগারডাক গ্ৰাম ও মাঝিকান্দা গ্ৰামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুইপক্ষ। সন্ধ্যার পর অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় অনেকে টর্চ জ্বালিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেয়। ভাঙ্গা থানার এসআই মামুন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করি। রাত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে উভয়পক্ষকে পিছু হটাতে সক্ষম হয়েছি। পরবর্তীতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সড়কের দুইপাশে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।



