ফটিকছড়ি সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ভ–ারী মুলা নামে খ্যাত জাপানি মুলা হাট বাজারে আগাম বেচা বিক্রি শরু হয়েছে। মাঘের মেলার জন্য অপেক্ষা না করে বেশি লাভের আশায় কৃষকরা আগাম বেচা বিক্রি শুরু করেছেন বলে জানা যায়। হযরত গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারীর (ক.) ১০ মাঘ বার্ষিক ওরশ শরীফকে কেন্দ্র করে ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার এলাকাজুড়ে বসে সাপ্তাহব্যাপী গ্রামীণ বা লোকজ পণ্যের মেলা। যা মাঘের মেলা হিসেবে পরিচিত। আর এ মেলার অন্যতম আর্কষণ হল মুলা। স্থানীয় ও আশেপাশের এলাকা থেকে চাষিরা তাদের উৎপাদিত বড় বড় আকারের মুলা (স্থানীয় ভাষায় জাপানি মুলা) মেলায় বিক্রি করার জন্য নিয়ে আসে।
কারণ আশেক ভক্তদের মাঝে এ অঞ্চলের মুলার আলাদা কদর রয়েছে, বিক্রিও হয় ভালো। তাই প্রতিবছর কৃষকরা উপমহাদেশের প্রখ্যাত অলীয়ে কামেল মাইজভান্ডারী ত্বরিকার প্রবর্তক হযরত শাহছুফী মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ (ক.) মাইজভান্ডারীর ১০ মাঘের ওরশ শরীফে মুলা বিক্রির আশায় থাকেন। কিন্তু এ বছর পরিলক্ষিত হচ্ছে ভিন্ন দৃশ্য।মাঘের মেলার জন্য অপেক্ষা না করে মাস দুই মাস আগে থেকে মুলা বিক্রি শুরু করেছেন চাষিরা। কারন হিসেবে জানা যায় গত বছর মেলা পরবর্তী প্রচুর মুলা থেকে যায়। যার ফলে কৃষকদের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। তাই এ বছর মেলার আগে থেকে বিক্রি শুরু করছেন তারা। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়,এ বছর মুলা চাষ হয়েছে ৫৫০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছে ১০০৮৩ মেট্রিক টন। উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক জানান,এ বছর মুলার উৎপাদন ভাল হয়েছে। ফটিকছড়িতে বিভিন্ন জাতের মুলার চাষ হয়। তার মধ্যে তাসাকিসান যা জাপানি মুলা হিসেবে পরবচিত। এ মুলা মাইজভা–ারের আশেক ভক্তদের কাছে যথেষ্ট কদর রয়েছে।



