Thursday, January 15, 2026
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

বিশ্ব ক্রিকেটের বিষফোঁড়া ভারত

alorfoara by alorfoara
January 8, 2026
in খেলাধুলা, বাংলাদেশ, সংখ্যা ১৫৮ (০৩-০১-২০২৬)
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

ভদ্রলোকের খেলা ক্রিকেটকে যদি এই উপমহাদেশের প্রাণের খেলা বলা হয়, তবে সেই প্রাণের ‘ভোমরা’ এখন ভারত এবং ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) কৌটায় (পড়–ন হাতে) বন্দী। এক সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা অন্যান্য দলগুলোর উত্থান–পতন দেখা গেলেও, আজ ক্রিকেট বিশ্বে ভারত, অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের মতো ধনী দেশগুলো অন্যদের থেকে দ্রুত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে ছোট এবং দরিদ্র ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলো প্রান্তে সরে যাচ্ছে। কিন্তু এই একচ্ছত্র ক্ষমতা শুধু খেলার মাঠেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি এখন বৈশ্বিক ক্রিকেটের প্রশাসন থেকে শুরু করে প্রতিবেশী দেশের খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার পর্যন্ত– সর্বত্রই যেন এক অদৃশ্য ‘খড়গ’ তুলে ধরেছে। মাঠের পারফরম্যান্সে ভারতীয় দলের দাপটের কথা কারও অজানা নয়। এমনকি দেশটির ক্রিকেট সংস্কৃতি তাদের অর্থনৈতিকভাবেও অনেক বেশি লাভবান করে। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির বড় আয়ের উৎসও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যার প্রভাবে আইসিসির থেকে ভারত সুবিধা পায় বলে ক্রিকেটাঙ্গনে অভিযেগের ইয়ত্তা নেই। তবে সেটি উড়িয়ে দেবার মতো লোকও তাদের হাতের মুঠোয় ভরে রেখেছে দেশটি। সবচাইতে পরিতাপের বিষয় হচ্ছে সেই তালিকায় খোদ আইসিসি এমন অভিযোগ রয়েছে। ‘বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের দাদাগিরি’ বরাবরই ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকার’ চেষ্টা করে গেছে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটি। তবে গত বছরের অক্টোবরে ব্রিটিশ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকার ভারতের ক্রিকেট সা¤্রাজ্যে পারমানবিক হামলার মতো বিষ্ফোরিত হয়েছিল। সেটি দিয়েছিলেন আইসিসিরই সাবেক ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড! সুনির্দিষ্ট সময় ও চাপ প্রয়োগকারী ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে ইংল্যান্ডের সাবেক এই ম্যাচ রেফারি বলেন, ‘একটি ম্যাচে ভারত নির্ধারিত সময়ের চেয়ে তিন–চার ওভার পিছিয়ে ছিল, যার জন্য খেলা শেষে (নিয়ম অনুযায়ী) শাস্তি পেতে হতো তাদের। ওই সময় আমি একটি ফোনকল পাই।

বলা হয়– “ক্ষমাশীল হোন, কোনো উপায় বের করুন, কারণ এটি ভারত।” তখন বিষয়টা ছিল এমন– “ওকে, দেখি কী করা যায়। বিষয়টা অন্ধকারেই থাকুক”।’ ২০০৩ সাল থেকে গত বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ২১ বছর আইসিসির ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন ক্রিস ব্রড। ওই সময়কালে তিনি ১২৩ টেস্ট, ৩৬১ ওয়ানডে এবং ১৩৮টি টি–টোয়েন্টি মিলিয়ে মোট ৬২২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করেন। এমন সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার ঝুলি থাকা সত্বেও তাকে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বারবার ভারতীয় ‘দাদাগিরি’র সম্মুখিন হতে হয়েছিল জানিয়ে ব্রড বলেন, ‘একদম পরের ম্যাচেই আবারও একই ঘটনা ঘটল। তিনি (তৎকালীন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি) দ্রুত ওভার শেষ করার বিষয় মানছিলেন না এবং আমি ফোন করে জানতে চাই “এখন আপনি আমাকে কী করতে বলবেন?” তখন আমাকে বলা হয়েছিল– “তার কথা শুনুন’।’ আইসিসির অধীনে কাজ করা ব্যক্তিরাও রাজনৈতিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে দাবি ব্রডের, ‘আমরা ভিন্স ভ্যান ডার বিলের (তৎকালীন আইসিসি আম্পায়ার্স ম্যানেজার) কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছি, যখন তিনি দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ক্রিকেট ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে ওই পর্যায়ে এসেছিলেন, তার বিদায়ের পর ম্যানেজমেন্ট অনেক দুর্বল হয়ে যায়। ভারত টাকা নিয়ে আসে এবং বিভিন্ন উপায়ে আইসিসির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। আমি আনন্দিত যে এখন আর সেখানে থাকতে হচ্ছে না, কারণ বর্তমানে এখানে থাকাটা অনেক বেশি রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখার মতো, যেমনটা আমি আগে কখনও দেখিনি।’ আজ এতদিন পর ফের একবার এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করার উদ্দেশ্য, ভারতের এই ফ্যাসিস্ট আচরণ ক্রিকেটকেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ক্রিস ব্রডের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তার অভিজ্ঞতা দেখিয়ে দিয়েছে– যেখানে অর্থ ও প্রভাব বাড়ে, সেখানে নিয়ম ও ন্যায়বিচার অনেক সময়ই দ্বিতীয় সারিতে চলে যায়। তরেই সাম্প্রতিক শিকার বাংলাদেশ ও দেশটির তারকা ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান। অনেকেরই জানা, ভারতের বিপুল সংখ্যক ক্রিকেটপ্রেমী জনগণের সঙ্গে সংযোগের কারণে বিসিসিআইয়ের যে অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক ক্ষমতা তৈরি হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্য যেকোনো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের চেয়ে ঢের বেশি। কাগজে–কলমে আইসিসি নীতি নির্ধারণের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলেও, বাস্তবে বিসিসিআই হয় নিজেই সেই কাজ সম্পাদন করে, নতুবা তার উপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে। কেননা, বিসিসিআই একাই আইসিসির মোট আয়ের ৭০ শতাংশ তৈরি করে, যার সিংহভাগ আসে তাদের ‘সোনার হাঁস’ আইপিএল থেকে। বিসিসিআই একটি বেসরকারি সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও, এর কার্যকলাপ প্রায়শই ভারতের রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং এটি ভারতের দুর্নীতি দমন আইন বা তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতার বাইরে থাকতে পেরেছে, যা ভারতীয় ক্রিকেটে দুর্নীতি ও স্বার্থের সংঘাতের সংস্কৃতি তৈরি হতে সাহায্য করেছে। বোর্ডের অভ্যন্তরে বছরের পর বছর ধরে ‘স্বার্থের সংঘাত’ একটি মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা নৈতিকতার বিষয় এবং গুরুতর দুর্নীতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। এমনকি একসময় একটি সংশোধিত ধারা (ধারা ৬.২.৪) বোর্ড প্রেসিডেন্টকে আইপিএলে দল রাখার সুযোগ দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিতর্কের জন্ম দেয়। বিসিসিআইয়ের ক্ষমতা এতটাই প্রবল যে তারা আইসিসিকে পর্যন্ত নিজেদের সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য করে। যার প্রমাণ ব্রড তার সাক্ষাৎকারে দেবার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া, ২০০৮ সালের বর্ডার–গাভাস্কার ট্রফির সময় তারা ভারতীয় খেলোয়াড়ের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য আইসিসিকে সিরিজ থেকে সরে যাওয়ার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিল। আম্পায়ারদের ক্ষেত্রেও বিসিসিআইয়ের ‘দাদাগিরি’ চলে।

বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে তারা আম্পায়ার ড্যারিল হার্পার এবং স্টিভ বাকনারকে অপসারণ বা অবসরে যেতে বাধ্য করেছে, যদিও হার্পারের ভারতে সংশ্লিষ্ট ম্যাচে ৯৬ শতাংশ সঠিক সিদ্ধান্তের রেকর্ড ছিল। শুধু তাই নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের প্রসারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোকেও বিসিসিআই থামিয়ে দিয়েছে। ২০০৮ সালে আইসিসি যখন অধিকাংশ সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে ডিআরএস প্রথা বাধ্যতামূলক করতে চেয়েছিল, তখন বিসিসিআই তার বিরোধিতা করে সিদ্ধান্তটিকে ঐচ্ছিক করে তোলে, যা কেবল ২০১৬ সালেই তারা মেনে নিতে রাজি হয়। অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত করার প্রচেষ্টাকেও বিসিসিআই একরকম একাই ভেটো দিয়ে আটকে দেয়, সম্ভবত আর্থিক স্বার্থ এবং খেলোয়াড়দের উপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার টনি গ্রেগ একবার বিবিসিকে বলেছিলেন যে, পদ্ধতিগত বিষয়ে বিসিসিআই নাকি বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের মতো দেশগুলোকে নিয়মিত নির্দেশ দেয় কীভাবে ভোট দিতে হবে। এই ধরনের কার্যকলাপ একাডেমিক পরিভাষায় যাকে ‘বিগ ব্রাদার সিনড্রোম’ বলা হয়, আর ভারতীয় মিডিয়ায় একে বলা হয় ‘দাদাগিরি’।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখার মতে, ভারত এখন ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ‘আঁতুরঘরে’ পরিণত হচ্ছে। দুর্নীতি দমন শাখার কর্মকর্তা স্টিভ রিচার্ডসন জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে ফিক্সিংয়ের প্রায় ৫০টি ঘটনা তদন্ত করছেন, যার বেশিরভাগের সঙ্গে সরাসরি ভারতের নাম যুক্ত। ভারতে জুয়া সংক্রান্ত কঠোর আইন না থাকার কারণেই বুকিরা ভারতকে দুর্নীতিবাজদের জন্য ‘মুক্তাঞ্চল’ বানিয়েছে। এই আধিপত্যবাদের সর্বশেষ শিকার আমাদের বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার মুস্তাফিজ। আইপিএল নিলামে শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কিনেও, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বিসিসিআইয়ের নির্দেশনায় তাকে দল থেকে বাদ দিতে হয়। বিজেপি নেতা এবং হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় এবং অনেকে এটিকে হিন্দুদের বিজয় হিসেবেও আখ্যা দেয়। এমনকি তাকে দলে নেওয়ার জন্য শাহরুখ খানকেও ‘দেশদ্রোহী’ বলা হয় এবং পিচ নষ্ট করার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনা স্পষ্ট করে যে, ভারত–বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি এবং অভ্যন্তরীণ হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি এখন ক্রিকেটের মাঠকেও রেহাই দিচ্ছে না।

ভারত যদি পাকিস্তানের পরে বাংলাদেশের ক্রিকেটকেও রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, তবে ক্রিকেটের মাধ্যমে উপমহাদেশে যে ‘সফট পাওয়ার’ তৈরি হয়েছিল, তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে বাংলাদেশও চোখে চোখ রেখে পাল্টা জবাব দিয়েছে। যেখানে বাংলাদেশের সেরা পেস তারকাকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সেই ভারতের আসন্ন বিশ্বকাপ খেলতে দল পাঠাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। শুধু তাই নয়, যেই আইপিএলে এদেশের সেরা গতি তারকা খেলার সযোগ পেয়েও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খেলা শুরুর আগেই বিদায় নিতে হয় সেই আইপিএলই বাংলাদেশে সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ তাদের এই সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থানেই আছে। গতকাল যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ক্রিকেটার ও বাংলাদেশে নিরাপত্তা–দুটো বিষয়ের কোনোটিতেই আপস করা হবে না। বাংলাদেশের অবস্থান আইসিসিকে বোঝাতে সক্ষম হবেন বলে আশা প্রকাশ করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের মর্যাদা– এটার প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করবো না। আমরা ক্রিকেট খেলতে চাই, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। আরেকটা যে আয়োজক দেশ আছে শ্রীলংকা, আমরা সেখানে খেলতে চাই। এই পজিশনে (ভারতে খেলতে না যাওয়া) আমরা অনড় আছি। আমরা কেন অনড় আছি, আমরা আশা করি সেটা আইসিসিকে বোঝাতে সক্ষম হব। আইসিসি আমাদের যুক্তিগুলো সহৃদ্যতার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে বিবেচনা করে আমরা কষ্ট করে যেটা অর্জন করেছি সেই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমাদের খেলার সুযোগ করে দিবে।’ বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বিসিবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুলও জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) লিখিতভাবে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার গুরুত্বের কথা জানিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে এর বাইরেও সাংবাদিক, স্পন্সর এবং হাজারো সমর্থক থাকেন। বিদেশ সফরের জন্য যেহেতু সরকারি আদেশ প্রয়োজন হয়, তাই আমরা সরকারের দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।  নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি না হলে আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য লড়াই করব।’ ক্রীড়া ক্ষেত্রে রাজনীতি প্রবেশ করলে ক্ষতি খেলাটিরই হয়, আর ক্ষতিগ্রস্ত হয় খেলোয়াড় ও সেই খেলাকে ঘিরে গড়ে ওঠা অর্থনীতি। পাকিস্তান ইতোমধ্যেই আইপিএল থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে, এখন বাংলাদেশকে ‘শত্রু’ বানিয়ে আইপিএলের আবেদন ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব ভারত কতদিন ধরে রাখতে পারবে, সে প্রশ্ন থেকেই যায়। বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের এই লাগামহীন আধিপত্যবাদের খর্গ যত দ্রুত নামানো যায়, ততই মঙ্গল। নতুবা, কেবল ছোট দেশ নয়, ক্রিকেট নামক এই সুন্দর খেলাটির ভবিষ্যৎই ঝুঁকির মুখে পড়বে।

ShareTweet
Next Post
নিপাহ ভাইরাস খেজুরের রস নিয়ে সতর্কতা

নিপাহ ভাইরাস খেজুরের রস নিয়ে সতর্কতা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

ফুটপাতে অস্বাস্থ্যকর খাবারে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

ফুটপাতে অস্বাস্থ্যকর খাবারে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

January 15, 2026
গ্যাস সংকটে ত্রাহি দশা

গ্যাস সংকটে ত্রাহি দশা

January 15, 2026
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা