ঘন কুয়াশার কারণে সারা দেশে সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ–পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর হতে রাজধানীর সদরঘাট থেকে চাঁদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলে সব ধরনের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। সন্ধ্যার নৌ–চলাচলের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘনকুয়াশার কারণে রোববার রাতে চাঁদপুর ও দক্ষিণাঞ্চলে সব ধরনের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। আর যেসব লঞ্চ নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পথে রয়েছে তাদের ও অন্যান্য নৌযানকে ‘অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল অধ্যাদেশ, ১৯৭৬’ মোতাবেক চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে সারা দেশে সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ–পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুরের উপপরিচালক (নৌ–নিরাপত্তা) বাবু লাল বৈদ্য। তিনি বলেন, বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর সদরঘাট থেকে চাঁদপুরসহ সারা দেশের সব ধরনের যাত্রীবাহী লঞ্চ ও যাত্রীবাহী নৌযানের চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ–পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এ নির্দেশনা দিয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ–পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বার্তা অনুযায়ী এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলার হরিনা এলাকায় মেঘনা নদীতে ঢাকাগামী দুটি লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে চারজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। সংঘর্ষে জাকির স¤্রাট–৩ লঞ্চটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মাঝনদীতে ডুবো–ডুবো অবস্থায় ভাসতে থাকে। পরে এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে ঝালকাঠি লঞ্চঘাট থেকে অপর অ্যাডভেঞ্চার–৯ লঞ্চটিকে জব্দ করা হয় এবং চারজন স্টাফকে আটক করা হয়।



