সব কিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) যেকোনো সময় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। এবারও কাতারের আমিরের দেওয়া রয়েল অ্যাম্বুলেন্সেই লন্ডন নেওয়া হবে বিএনপি চেয়ারপারসনকে। তবে কাতার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ‘কারিগরি সমস্যা’ দেখা দেওয়ায় যাত্রা কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে বলে বিএনপি সূত্র থেকে জানা গেছে। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি একই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে লন্ডন গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। চলুন জেনে নেই এই ভাসমান হাসপাতাল বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে অত্যাধুনিক যেসব চিকিৎসা–সুবিধা রয়েছে। এয়ারবাস এ–৩১৯ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই বিমানটি যে কোনো জরুরি অবস্থাতে সর্বাধুনিক চিকিৎসা দেওয়ার মতো প্রযুক্তিতে সজ্জিত যা ট্রানজিটের সময় রোগীর নিরবচ্ছিন্ন যত্ন নিশ্চিত করে।’
বিশেষ এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে কী কী সুবিধা রয়েছে—
আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামএই বিমানে সব ধরনের জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সর্বশেষ প্রযুক্তির চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ভেন্টিলেটর, ডিফিব্রিলেটর, মনিটর, ইনফিউশন পাম্প এবং অন্যান্য জরুরি ওষুধ। আইসিইউ সুবিধা বিশেষ এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে একটি পূর্ণ আইসিইউ সুবিধা রয়েছে। রোগীর কঠিন কোনো পরিস্থিতিতে রোগীকে স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুবিধা থাকে। চিকিৎসক ও নার্স এই বিশেষ বিমানে সব সময় অত্যন্ত দক্ষ ডাক্তার এবং নার্স থাকেন, যারা রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা দিতে সক্ষম। স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশ রোগীর আরামের জন্য এই বিমানগুলো খুবই স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা আলাদা জায়গা থাকে। এয়ারবাস এ–৩১৯ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স একটি অত্যাধুনিক ও বিশ্বাসযোগ্য বিমান, যা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীদের জন্য সর্বোত্তম চিকিৎসা পরিষেবা দেয়। এর দ্রুতগতি, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশ এবং সর্বশেষ প্রযুক্তির চিকিৎসা সরঞ্জাম এটিকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। স্বয়ংসম্পূর্ণ বিশেষ এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে থাকে। অর্থাৎ দীর্ঘ দূরত্বের বিমানযাত্রার (ফ্লাইটের) ক্ষেত্রেও রোগীর সব ধরনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।



