Sunday, November 30, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

রাজশাহীতে বিচারকের ছেলে হত্যা

alorfoara by alorfoara
November 15, 2025
in বাংলাদেশ, রাজশাহী, সংখ্যা ১৫১ (১৫-১১-২০২৫)
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

রাজশাহীতে মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের বাসায় ঢুকে স্কুল পড়ুয়া ছেলে হত্যা ও স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের একাধিক টিমসহ গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিরোধ ও খুনি লিমন মিয়ার অতি লোভ এ হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য দুটি কারণ হতে পারে। এর পেছনে আরও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরও পুলিশ খুঁজছে। তবে ভিকটিম ও হামলাকারী উভয়েই সুস্থ হয়ে উঠলে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। তবে লিমন মিয়ার বয়ানে ভাইরাল ভিডিওতে পরকীয়ার যে বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়েছে সেটিকে পুলিশ এখনই আমলে নিচ্ছে না। এদিকে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুক্রবার নিজে বাদী হয়ে লিমন মিয়াকে একমাত্র আসামি করে আরএমপির রাজপাড়ায় থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন বিচারক আব্দুর রহমান। আসামি এই হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। মামলার পর বিচারক দুপুরের পর তাওসিফ রহমান তৌসিফের (১৫) লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ি জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার পুবলদিঘা ইউনিয়নের রুদ্রবয়রা চকপাড়া গ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

রাত ৮টায় তৌসিফের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগে সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মর্গে বিচারকের ছেলের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। চিকিৎসক, পুলিশ ও বিচারকের পারিবারিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহী মহানগরীর ডাবতলার একটি বহুতল ভবনের ভাড়া বাসায় বিচারক পুত্র তৌসিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসি (৪৪) ও হামলাকারী লিমন মিয়াও আহত হয়। তাদের মধ্যে বিচারকপত্নী লুসি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩নং কেবিনে ও হামলাকারী লিমন মিয়া ৪নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ অবস্থায় লিমন মিয়াকে অবশ্য পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এদিকে তৌসিফ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজপাড়া থানার উপ–পরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্ত শুরু হলেও গণমাধ্যমকে বলার মতো কোনো কিছু এখনো তাদের হাতে আসেনি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ কিছু আলামত তারা জব্দ করেছেন। ভবনের কেয়ারটেকার ও গৃহকর্মীর কাছ থেকেও প্রাথমিক জবানবন্দি নিয়েছেন। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আসাদুল লাশের সুরতহাল তৈরি করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তৌসিফের মৃত্যু : অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তৌসিফের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কফিল উদ্দিন।

শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত হয়। ডা. কফিল উদ্দিন আরও জানান, তৌসিফের ডান ঊরু, ডান পা, বাম বাহুতে ধারালো ও চোখা অস্ত্রের আঘাত পাওয়া গেছে। এই তিনটি জায়গায় রক্তনালি আছে। সেগুলো কেটে গিয়েছিল। এ কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণও ছিল শরীরে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তৌসিফের মৃত্যু হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিচারক আব্দুর রহমান দুই সন্তানের জনক। এর মধ্যে নিহত তৌসিফ ছিল তার একমাত্র পুত্র সন্তান। তার বড় সন্তান লাবিবা আক্তার মুগ্ধ সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। মুগ্ধর স্বামী খোকন জীবন বিমা করপোরেশনের কর্মকর্তা। তারা সিলেটেই থাকেন। বিচারকের স্ত্রী লুসি ও হামলাকারী লিমন শঙ্কামুক্ত : রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির ডান হাতের কবজির রগ কেটে গেছে। এছাড়া তার শরীরের তিনটি অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতজনিত গভীর ক্ষত রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতেই তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তার শারীরিক পরিস্থিতি উন্নতির দিকে রয়েছে। অন্যদিকে লিমন পুলিশ হেফাজতেই চার নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে গণমাধ্যমকর্মীদের সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

তার দুই হাতে কিছুটা আঘাত ছিল। তবে লিমন এখন পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত।  যেভাবে সংঘটিত হয় হত্যাকাণ্ড : শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল নগরীর ডাবতলা স্পার্ক ভিউ ভবনে গিয়ে বিচারকের স্বজনদের কেউ আছেন কিনা জানতে চাইলে কেয়ারটেকার মেসের আলী জানান, ঘটনার পর জজ সাহেবের ফ্ল্যাটে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে একটা ব্যাগ হাতে নিয়ে এক ব্যক্তি প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকে সরাসরি লিফটের দিকে এগিয়ে যায়। এ সময় আমি তাকে বাধা দিই। এ কারণে সে আমার ওপর ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়। কার বাসায় যাবেন জানতে চাইলেই সে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে লিমন অতিথি রেজিস্টার খাতায় স্বাক্ষর করে লিফট দিয়ে পাঁচ তলায় জজ স্যারের ফ্ল্যাটে চলে যান। এর আধা ঘণ্টা পর ফ্ল্যাটের কাজের মেয়ে নিচে এসে আমাকে জানায় স্যারের বাসায় ঘটনা খুব খারাপ। আপনারা তাড়াতাড়ি উপরে চলেন। এ সময় আমি ভবনের লিফট এবং প্রধান ফটক বন্ধ করে দিয়ে উপরে উঠে জজ স্যারের ছেলেকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। কিছুটা দূরেই মরার মতো হয়ে পড়ে ছিল সেই লিমন। ঘরের ভেতরে স্যারের সহধর্মিণী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। আশপাশের ফ্ল্যাটের লোকজন এসে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান। এদিকে লিমন মিয়াকে ফ্ল্যাটে যেতে দেওয়ার আগে জজের বাসার কারও অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে কেয়ারটেকার বলেন, এই ভবনে এখনো সেই ধরনের নিয়ম চালু হয়নি।

ভবনে এখনো ইন্টারকম লাগানো হয়নি। ফলে কেউ এলে আমরা তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখে দিয়ে চলে যেতে বলি। লিমনও সেভাবেই বিচারকের ফ্ল্যাটে চলে গিয়েছিল। তবে তাকে আগে কখনো জজের বাসায় আসতে দেখিনি।  পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট ও তদারকিতে নিয়োজিত একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এ হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক একটা চিত্র পাওয়া গেছে। বিচারকের কাজের মেয়েসহ সংশ্লিষ্টদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের কথা উল্লেখ করে তারা জানান, লিমন মিয়া কলিংবেল দিলে কাজের মেয়েই দরজা খুলে দিয়ে রান্নাঘরে চলে যায়। তখন তৌসিফ নিজের ঘরে ঘুমাচ্ছিল। বিচারকের স্ত্রী ঘর থেকে বেরিয়ে দেখেন লিমন মিয়া ড্রয়িংরুমের সোফার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ম্যাডাম জানতে চান তুমি এখানে এলে কী করে। ম্যাডাম তখন সোফার আরেক কোণায় বসেন। দুজনেই কিছুটা উত্তপ্তভাবে কথাবার্তা বলা শুরু করেন। বিচারকের স্ত্রী এ সময় জোরে লিমন মিয়াকে চুপ করে বসো বলে ঘরের ভেতরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেন। কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকার পর হঠাৎ করেই লিমন শব্দ করে বলতে থাকেন বেরিয়ে আসেন, আপনি বেরিয়ে আসেন। একটা রফাদফা করেই তবে যাব।  সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, বিচারকের স্ত্রী দরজা খুলছে না দেখে লিমন উদভ্রান্তের মতো দরজায় লাথি মারতে থাকে। লাথি মারতে মারতে সে বলতে থাকে, আমি বুঝতে পারছি, আজ আমাকে আবার পুলিশে ধরিয়ে দিবি তোরা। তোদের কাউকে বাঁচিয়ে রাখব না। একপর্যায়ে জোরে জোরে লাথি দিতে দিতে ঘরের দরজা ভেঙে যায়। লিমন একটা চাকু হাতে নিয়ে বিচারকের স্ত্রীকে আঘাত করার চেষ্টা করে। চিৎকার ও শব্দে নিজের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে তৌসিফ তখন মাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিল। একপর্যায়ে একটা ওড়না টেনে নিয়ে তৌসিফের গলায় প্যাঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে লিমন। ছেলেকে বাঁচাতে মা এগিয়ে এলে লিমন তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে মা ও ছেলে একযোগে লিমনকে নিবৃত করার চেষ্টা করলে সে মাটিতে পড়ে গিয়ে ছেলের পায়ে ও শরীরে চাকু দিয়ে কয়েকটি আঘাত করে। এতে তৌসিফ অচেতন হয়ে পড়ে যায়। আহত লিমনও অচেতন হয়ে ঘরের ভেতরেই পড়ে যায়। পরে তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে তৌসিফকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি করতে গিয়ে লিমন মিয়ার দুই হাত কিছুটা কেটে রক্ত পড়েছে। তবে সে হাতের ওই চাকুটা জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দিয়ে মরার ভান করে মেঝেতে শুয়ে পড়ে। ঘটনার পর সিআইডির ক্রাইম সিনের টিম লিমনের চাকুটি খোঁজার চেষ্টা করে।

কিন্তু ফ্ল্যাটের কোথাও না পেয়ে জানালা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করেন। পরে ভবনের পেছনের দিকের একটা ঝোপ থেকে রক্তাক্ত চাকুটি আলামত হিসাবে উদ্ধার করেন। এই চাকু হত্যা মামলার আলামত হিসাবে তদন্ত কর্মকর্তা জব্দ করেছেন।  লিমন সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য : তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, লিমন পূর্বপরিচয়ের সূত্রে ঘটনার দিন বিচারকের বাসায় এসেছিল। প্রাথমিক তদন্তে তারা জানতে পেরেছেন লিমন গাইবান্ধার ফুলছড়ির মদনেরপাড়া ভবানীগঞ্জ গ্রামের এসএম সোলায়মান শহিদের ছেলে। লিমনের বাবা ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। লিমন এইচএসসি পাশ করে সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে তার চাকরি চলে যায়। এরপর থেকে তিনি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সংশোধনের জন্য পরিবার তাকে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে পাঠিয়েছিল। বিচারকের স্ত্রীও কোয়ান্টামে যেতেন। ওই সময় বিচারকের স্ত্রীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। লিমন বিয়ে করলেও সংসার টেকেনি। নিজের দুঃখ–কষ্টের কথা বলে লিমন বিচারকপত্নীর সহানুভূতি পান। অর্থকষ্টের কথা বলে টাকা–পয়সা নিতেন। বিচারক আব্দুর রহমান তখন গাইবান্ধায় নারী ও শিশু আদালতের বিচারক ছিলেন। এরপর লিমন বিচারকের বাসাতেও আসা–যাওয়া করতে শুরু করেন। কিন্তু দিন দিন তার টাকা–পয়সার চাহিদা বাড়তে থাকে। এক সময় যোগাযোগ বন্ধ করেন বিচারকপত্নী।  পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, বিচারকপত্নী গাইবান্ধা শহরের সবচেয়ে ধনী হাক্কানী পরিবারের মেয়ে। এই পরিবার গরিব–দুঃখী মানুষদের সাহায্য করে থাকেন।

বিচারকের স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় সূত্রে লিমনও সেখান থেকে অর্থ সাহায্য নিতেন। ক্রমেই তাদের সম্পর্ক তিক্ত হতে থাকে। ৩ নভেম্বর বিচারকপত্নী সিলেটে মেয়ের বাসায় গেলে সেখানে চলে গিয়েছিল লিমন। একপর্যায়ে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। তখনই সে পরিবারকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। ৬ নভেম্বর বিচারকের স্ত্রী সিলেটের জালালাবাদ থানায় একটি জিডিও করেছিলেন।  আরএমপির মুখপাত্রের বক্তব্য : আরএমপির মুখপাত্র উপকমিশনার গাজিউর রহমান জানান, বিচারকের ছেলে হত্যাকাণ্ড ও স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলাটি পুলিশ একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত করছেন। লিমনের বয়ানে ভাইরাল ভিডিওতে বিচারকপত্নীর সঙ্গে পরকীয়ার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লিমনের এই বয়ানকে সতর্কতার সঙ্গে দেখছে পুলিশ। লিমনকে কিছুটা উদভ্রান্ত ও ধুরন্ধর মনে হয়েছে। সে অপরাধের দায় থেকে বাঁচার জন্য এমন কৌশল নিতে পারে। তবে বিষয়টিকে পুরোপুরি উড়িয়ে না দিলেও এখনি আমলে নিতে পারছে না। পরিস্থিতির কারণে বিচারকের সঙ্গে পুলিশ কথা বলতে পারেনি। এছাড়া ভিকটিম লুসি ও হামলাকারী লিমন উভয়েই চিকিৎসাধীন। তারা সুস্থ হয়ে উঠলে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে। তখন পুরো ঘটনাটি পরিষ্কার হবে। তবে লিমন যে হত্যার হুমকি দিয়েছিল এবং সে শেষ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সেটা থেকে পুলিশ ধারণা করছে এটি পরিকল্পিত। হত্যাকাণ্ড ঘটাতে সে চাকুও সঙ্গে এনেছিল। তদন্তের অগ্রগতিতে হত্যাকাণ্ডের পুরো রহস্য উদ্ঘাটিত হবে বলে তিনি মনে করছেন।

ShareTweet
Next Post
নারীদের বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়নের চিন্তা করলে ভুল হবে

নারীদের বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়নের চিন্তা করলে ভুল হবে

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে অতিথি পাখি

ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে অতিথি পাখি

November 30, 2025
আবারও জয়ী সেই ‘অ্যাডলফ হিটলার’

আবারও জয়ী সেই ‘অ্যাডলফ হিটলার’

November 30, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা