আগৈলঝাড়ায় গাছবোঝাই ট্রলি তোলায় ধসে গেছে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর একাংশ। এতে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে সেতু সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জানা গেছে, রত্নপুর ইউনিয়নের উত্তর বারপাইকা (হাওলা) গ্রামে হাজারো মানুষের চলাচলের জন্য আট বছর আগে আয়রন সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত সেতু দিয়ে এলাকার লোকজন নিয়মিত যাতায়াত করতেন। গত ২৩ অক্টোবর বিকেলে নগরবাড়ী গ্রামের গাছ ব্যবসায়ী লোকমান খান ওই সেতু দিয়ে ট্রলিতে করে বড় গাছ পারাপার করছিলেন। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় স্থানীয়রা বাধা দিলেও তিনি শোনেননি। এক পর্যায়ে মাঝখান থেকে ঢালাই ভেঙে সেতু দেবে যায়। এর পর থেকে সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ। এমনকি হেঁটে যাতায়াত করাও কষ্টকর।
বিকল্প পথ না থাকায় এ পথই ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। বেশি সমস্যা হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের। স্থানীয় বাসিন্দা নিখিল হালদার বলেন, নিষেধ করার পরও লোকমান খান লোকজন নিয়ে সেতুর ওপর গাছবোঝাই ট্রলি নিয়ে উঠেছেন। সেতু ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এ বিষয়ে লোকমান খান বলেন, ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। আমার শ্রমিকরা এই কাজ করছে। ক্ষতি যখন হয়েছে, আমি ভাঙা স্থান মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে দেব। উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবতী বলেন, সেতু ভেঙে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সেতু মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।



