রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ৬–১ গোলের বড় ব্যবধানে হারের পরও থেমে যায়নি বাংলাদেশের মেয়েদের স্বপ্ন। ভরসা ছিল শুধু সমীকরণে। সেরা তিন রানার্স আপের একটি হতে হলে তাকিয়ে থাকতে হতো অন্য গ্রুপের ম্যাচগুলোর দিকে। নারী জাতীয় দলের পর এবার ইতিহাস গড়েছে ছোটরাও। প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব–২০ নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল বাংলাদেশের মেয়েরা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ‘ই’ গ্রুপের চীন ও লেবাননের ম্যাচ। সেই ম্যাচে চীনের জয়ের প্রার্থনা করছিলেন বাংলাদেশের মেয়েরা।
শেষ পর্যন্ত সেই প্রার্থনা সফল হয়েছে। চীন ৮–০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে লেবাননকে। ফলে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে লেবানন এবং বাংলাদেশের মেয়েরা জায়গা করে নিয়েছে সেরা তিন রানার্স আপের তালিকায়। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–২০ নারী দল নিশ্চিত করেছে ২০২৫ এএফসি অনূর্ধ্ব–২০ নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা। এর আগে, নারী জাতীয় দল মিয়ানমারকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপ নিশ্চিত করেছিল। এবার অনূর্ধ্ব–২০ দলও সেই কৃতিত্ব দেখাল। নারী ফুটবলে দুই মাসের মধ্যে দুটি বড় অর্জন; জাতীয় দল খেলবে মার্চে অস্ট্রেলিয়ায়। অনূর্ধ্ব–২০ দল খেলবে এপ্রিলের শুরুতে থাইল্যান্ডে। ২০২৫ এএফসি অনূর্ধ্ব–২০ নারী এশিয়ান কাপ হবে আগামী ১ থেকে ১৮ এপ্রিল, থাইল্যান্ডে।
১২ দলের এই প্রতিযোগিতা থেকেই চারটি দল পাবে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব–২০ নারী বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ। সেমিফাইনালে উঠতে পারলেই নিশ্চিত হবে বিশ্বকাপের টিকিট। ‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৩–১ গোলে হারায় স্বাগতিক লাওসকে। দ্বিতীয় ম্যাচে ৮–০ গোলে উড়িয়ে দেয় পূর্ব তিমুরকে। আর শেষ ম্যাচে হেরে যায় দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬–১ ব্যবধানে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় দক্ষিণ কোরিয়া, আর রানার্স আপ হয়ে এবং সেরা তিন রানার্স আপের একটি হিসেবে উঠে যায় বাংলাদেশ।