জীবন্ত জাগ্রত বেহেশতি পিতা,
ধন্যবাদের সাথে জানাতে চাই
তোমার সকাশে হৃদিজ গোপন কথা
জন্মাবধি ঘুরে মরেছি
চারদিকে দেখেছি কুয়াশা আর হতাশা
ছিল না কোনো প্রেম পাবন পুনর্গঠনের প্রত্যাশা
পাইনি কোথাও নূরের রাজ্য
মনের আনন্দে যেথা করিব ভ্রমণ
আগে পিছে পেয়েছি লুটেরার দল
মারো–কাটো করো ছিন্ন ভিন্ন
কষ্টার্জিত অন্যের সম্পদ
গণিমতের মাল হিসেবে করো চয়ন
প্রয়োজনে গর্দানে আঘাত হানো
কচুকাটা করো জনপদ কর জনশুণ্য
বিপন্য হলে মুখে ¯েøাগান তোল
মাবুদের নির্দেশনা সকল
জিহাদ ছাড়া শব্দ নেই মোদের ভিন্ন
খুনের প্রতিদান খুন মন্দের প্রতিদান মন্দ
বরাবর নেচেছি শানিত তলোয়ারে মিলিয়ে ছন্দ
হিসেব–নিকেশ শেষে টের পেলাম
নিজেদের ক্ষতি নিজেদের হাতে করলাম
মানুষ হয়ে মানুষের গলায় ছুরি চালালাম
কেবল ক্ষয়িষ্ণু পার্থিব সম্পদের তরে
যা হলো দেহের কামনা চোখের লোভ
আর সাংসাররিক অহংকারে ডুবেছি অন্ধকারে
জীবনভর তোমাকে খুঁজেছি
পথে ঘাটে মাঠে ময়দানে
পটুয়া একেছে তোমার ছবি
নিজের মনের মাধুরী মিশায়ে
অনেপনীয় রংতুলি ছিলনা তাদের হাতে
পায়নি তোমার দর্শন জীবন ভরে
পারেনি আঁকিতে তোমায় সঠিক করে
বিশে^র তাবৎ জনতা ভ্রান্তির সুরে বলে কথা
সত্য–মিথ্যার ব্যবধান তুলা দন্ডের অভাবে
কখনোই পাই নি খুঁজে সঠিক সমাধান
বাটখারা ছিল ভ্রান্তিতে ভরা
অসহায় ছিল উন্নত দাঁড়িপাল্লা
ক্রেদা বিক্রেতার ছিলনা রহস্য জানা
কুলটা ইবলিস মিথ্যার আবরণে ঢেকেছে লোচন
ভীতিকর সব কাহিনী দিয়ে আড়ষ্ট করেছে বচন
মাবুদের হাতে গড়া মাটির মানুষ
দিলেন তাকে অসীম মর্যাদা নেই যার নিকাশ
অতীব আদরের সৃষ্টি কাছে রেখে পাবেন তুষ্টি
ফেরেশতা কুল দিলেন সম্মাননা হয়ে আভূমি নত
বিগড়ে গেল সর্দার হয়ে পুষ্ট অহংকারে
আগুনের পয়দায়েশ মাথা ঠুকবে মাটির আদমে
এমনটি তো হতে পারে না হোক না মাবুদের নির্দেশনা
দিশেহারা হলেন বিশ^ মালিক নয়তো অভিনব বাহানা
সরদার ফেরেশতা বেঁকে রইল খোদাকে অবজ্ঞা করে
বাধ্য হলেন মাবুদ সুধীজনের তালিকা থেকে বাদ দিতে
আলো আঁধারের মিশ্রন সত্য মিথ্যার মাঝে ভেজাল
প্রশ্নই জাগে না, সাধু ব্যক্তিও তা মানতে পারে না
মাবুদ হলেন মহা পবিত্র অনন্ত ক্ষমার অসীম পারাবার
বিশে^র তাবৎ লাঞ্চিত নিপীড়িত নিয়ত খুঁজে ফিরে তেমন দরবার
যেখানে আছে জীবন আছে আনন্দ আছে প্রেমর ফল্গুধারা
মানুষ হলো খোদার নয়নের মণি আতসীকাচ সম
যার মাধ্যমে ঐশি নূর মহিমা কুদরত করে কেন্দ্রীভুত
যাকে দেখে বাতেনী খোদাকে হবে সফল দর্শণ
ধোকাবাজ এসে ঘটালে মিথ্যার জাল ধরা খেল গোটা পাল
হয়ে গেল সকলে মাতাল ইবলিসের হাতে তুলে দিল জীবন পরির হাল
ঘটলো সলীল সমাধি কাঁদিছে নিরবধি আদুরী দুলাল।
লানতী ইবলিস আজ হলো সমাজচ্যুত সর্বজনে ঘৃণীত
ঘৃণীত হলো সেই লানতী মানুষ খুন করে হাত করেছে রঞ্জিত
মাবুদের অপার কৃপায় আজ মোদের চেতনা ফিরেছে
দ্যোতনা জেগেছে হৃদয় মন জুড়ে
ভ্রাতা ভগ্নী মিলে মিশে আনন্দ করি
বিজয় উৎসবে মাতামাতি
স্বার্থক হয়েছে সবার নাজাত প্রাপ্তী
যা কেবল সাধিত ঐশি রহমতে
কর্মেতে মরে পড়ে আছি মিথ্যা প্রত্যাশায়
মরু মাঝে ভোলায় মরীচিকা অবস্থা মৃত প্রায়
ছুটে এলে তুমি অনাথের নাথ বাঁচাতে আমায় এ সংসারে।