রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ রানাকে আটক করেছে শিক্ষার্থীরা। আটকৃত এ নেতা বিগত সময়ে করা নিজের অপকর্মের দায় স্বীকার করেছেন।
বুধবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় শহিদ শামসুজ্জোহা হলে এ দায় স্বীকার করে প্রশাসনের নিকট মুক্তির আবেদন করেন তিনি। সোহাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৮–১৯ সেশনের ছাত্র। এই হল ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক।
আবেদনপত্রে এ নেতা বলেন, বিগত সময়ে এ হলে ছাত্রদের নির্যাতন, সিট বাণিজ্য, সিট থেকে নামিয়ে দেয়া ও হয়রানি সহ নানা অপকর্ম জড়িত ছিলাম। আমি ভুল বুঝতে পেরেছি। এই অপকর্মের জন্য আমি অনুতপ্ত। ভবিষ্যতে এমন অপকর্মে লিপ্ত হব না এবং হলে প্রবেশের চেষ্টা করব না।
জানা গেছে, বুধবার দুপুরের দিকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে হলে আসেন এই ছাত্রলীগ নেতা। তখন শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে এবং বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করে। একপর্যায়ে ফোন চেক করলে হলে বিশৃঙ্খলার তথ্য বেরিয়ে আসে। ফলে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে হল প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করে।
শিক্ষার্থী বলছেন, এই নেতা অকারণে হলের আবাসিক ছাত্রদের নির্যাতন ও হয়রানি করতো। সিট দখল ও সিট বাণিজ্যে হলের পরিবেশ নষ্ট করেছিল। তার দাপটে শিক্ষার্থী তটস্থ থাকতো। আজও এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে হলে বিশৃঙ্খলার পরিকল্পনা ছিল তার।
এ ব্যাপারে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক একরামুল ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে কোনও ধরণের অপকর্মে লিপ্ত হবে না মর্মে মুচলেকা দিয়েছে। তাকে হলে থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। একই কাজে ফের জড়িত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।