মৃত্যুর পথ পার করে তুমি আমাকে জীবনের পথে উত্তরণ ঘটালে, আমি ধন্য হলাম। পরিষ্কার করে লিখে দিয়েছেন হৃদয়ফলকে ফলত যদি কেউ মসীহে থাকে তবে সে এক নতুন সৃষ্টি হয়ে ওঠে; তার পুরাতন সবকিছু মুছে গিয়ে ওগুলো নতুন হয়ে ওঠে, যে পরিবর্তন কেবল রূহানী পরিবর্তন, কেবলমাত্র খোদার শক্তিতে হয়ে থাকে সাধিত, কষ্মিণকালেও দেহজ, প্রজ্ঞা, ধার্মিকতা অথবা কায়িক বল ও শক্তির পক্ষে যা সাধন করা সম্ভব নয়। মানুষের এমন পরিবর্তন তুল্য হয়ে থাকে ঈসা মসিহের সাথে, কেননা তিনি একাই হলেন পূতপবিত্র মানবদরদী, মানুষের কল্যাণ বয়ে আনার জন্য যিনি নিজের প্রাণ পর্যন্ত দিয়েছেন কোরবান। গুনাহগার মানুষের ক্রীত পাপের কাফফারা পরিশোধ দিলেন তিনি স্বীয় বেগুনাহ রক্তের মূল্যে। তারপর তাদের জুড়ে দিলেন অনন্ত পিতার ক্রোড়ে যা হলো পুনর্মিলন, পিতার সাথে অপব্যায়ী পুত্রের।
যে কথা বলছিলাম, মৃত্যুর যাতনার পথ পেরিয়ে সকলকে পৌছে যেতে হবে জীবনের পথে অর্থাৎ অনন্ত জীবনের পথে। মসিহ নিজেও দৈহিক মৃত্যু বরণ করেছেন অনন্ত জীবন লাভ করার জন্য। কেননা পাকরূহ একবার মানবদেহ ধারণ করেন আমাদের মত দেহধারীদের কারামুক্ত করার জন্য। দেহের অভিলাষ মাংসিক কামনা বাসনা যা হলো রূহের বিরুদ্ধে অভিযান। কারণ দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে– শরীরের কামনা, চোখের লোভ এবং সাংসারিক বিষয়ে অহংকার– এর কোনটাই পিতার কাছ থেকে আসে না, দুনিয়া থেকেই আসে। দুনিয়া ও দুনিয়ার কামনা–বাসনা শেষ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা যে পালন করে সে চিরকাল থাকবে। (১ইউহোন্না ২ : ১৬–১৭)