সর্বশেষ দুই বড় প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ সাফল্য পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।বিশ্বকাপের পর জিতেছে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট কোপা আমেরিকাও।তবে অলিম্পিক সেই ধারা অব্যহত রাখতে পারলনা আলবিসেলেস্তেরা। স্বাগতিক ফ্রান্সের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনালেই থামল হ্যাভিয়ের ম্যাশচেরানোর দল।এর সাথে ভাঙল সোনা জেতার স্বপ্নও।
প্যারিস অলিম্পিকের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়েছে থিয়েরি অঁরির দল।ফলে ২০০৪ ও ২০০৮ সালের স্বর্ণজয়ী আকাশী নীলদের এবার ফিরতে হচ্ছে খালি হাতেই।
কোয়ার্টারের লড়াইয়ে বল দখলে আধিপত্য ছিল আর্জেন্টিনার। তবে ম্যাচের শুরুতেই লিড পেয়ে যায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৫ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল হেডে জালে পাঠান জেন ফিলিপ মাতেতা।
৮৩ মিনিটে ফ্রান্স ব্যবধান দ্বিগুণ করার আনন্দে মেতেছিল। ওলিসের বাঁ পায়ের শট লক্ষ্যভেদ হলে উল্লাসে ফেটে পড়ে বোর্দোর গ্যালারি। কিন্তু ভিএআর গোলটি বাতিল করে দেয়।
অথচ আর্জেন্টিনার পায়ে বল ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ। শট নিয়েছিল ১৬টি, বিপরীতে ফ্রান্স ১০টি। আর লক্ষ্যেও আর্জেন্টাইনদের শট ছিল চারটি, স্বাগতিকদের দুটি। এর মধ্যে একটি জালে জড়িয়েছে, অন্যটি ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি আর্জেন্টিনা কিপার জেরোনিমো রুলি। অন্যদিকে গুইলাউমো রেস্তেস আর্জেন্টাইনদের সামনে প্রাচীর গড়ে তোলেন। দারুণ দক্ষতায় তাদের চারবারের চেষ্টা দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত এক গোলের লিড ধরে রেখেই সেমিতে পা রেখেছে ফ্রান্স।২০২২ সালে এই আর্জেন্টিনার হাতেই বিশ্বকাপের ফাইনাল হেরেছিল দলটি।
সেমিফাইনালে মিশরের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। আসরের তৃতীয় কোয়ার্টারে প্যারাগুয়ের সাথে ১–১ ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৫–৪ ব্যবধানে জিতে যায় আফ্রিকার দেশটি।
আগামী ৫ তারিখ বাংলাদেশ সময় রাত একটায় প্রথম দ্বিতীয় সেমিতে মুখোমুখি হবে দল দুটি।
একইদিন বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় গড়াতে চলা প্রথম সেমিফাইনালে লড়বে স্পেন ও মরক্কো। প্রথম কোয়ার্টারফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। আর দ্বিতীয় কোয়ার্টারে জাপানকে ৩–০ গোলে হারায় স্পেন।