সরকারি চাকরির কোটা প্রশ্নে হাইকোর্টের রায়ের ওপর সর্বোচ্চ আদালতের চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থায়ও রাজপথ ছাড়ছেন না আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কাছে ত্রুটিহীন পরিপত্রের দাবি জানিয়ে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতেই থাকছেন। আজ বৃহস্পতিবারও বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে দেশজুড়ে এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, সরকারি চাকরির কোটা পদ্ধতি সংস্কার দাবিতে আন্দোলনকারীদের সকাল–সন্ধ্যা ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির কারণে গতকাল বুধবার স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানী ঢাকা। মোড়ে মোড়ে শিক্ষার্থীরা অবরোধ করায় সাধারণ মানুষ পড়েন সীমাহীন ভোগান্তিতে। ছিল না পর্যাপ্ত বাস। কিছু সড়কে ছিল তীব্র যানজট। জরুরি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স, স্কুলফেরত শিক্ষার্থীর গাড়ি এবং ওষুধ ও খাদ্যপণ্য বহনকারী যানবাহন ছাড়া কোনো গাড়ি চলতে দেওয়া হয়নি। সারাদেশের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগও দিনভর ছিল বিচ্ছিন্ন।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহবাগ মোড়ে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। এ সময় আরেক সমন্বয়ক সারজিস ইসলাম বলেন, নির্বাহী বিভাগ চাইলে আজকেই আমাদের শেষ কর্মসূচি। রাজপথ আমাদের জায়গা না, আমরা পড়ার টেবিলে ফিরব। যদি নির্বাহী বিভাগের শীর্ষ পর্যায়ের কেউ এটি ঘোষণা করে অথবা নির্বাহী বিভাগ আদেশ জারি করে কিংবা ত্রুটিহীন পরিপত্র জারি হয়, তাহলে আমাদের আর রাজপথে দেখা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের পরিপত্রে কোনো কোটাই নেই। এখন সংবিধান–স্বীকৃত নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধীরা যদি আবার হাইকোর্টে যায়, তাহলে আবার এ পরিপত্র বাতিল করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালে সংসদে কোটা বাতিল ঘোষণা করার পরও হাইকোর্ট এটিকে অবৈধ করলে আমরা কোথায় যাব? এটির স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। এটিকে সংসদে তুলতে হবে। আইন প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করতে হবে।
এর আগে গতকাল আন্দোলন চলাকালে আদালত স্থিতাবস্থা জারি করলেও সংসদে আইন পাস করে কোটা ব্যবস্থার ‘যৌক্তিক’ সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। শুধু পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কোটা রেখে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটা বাতিল করার দাবি করেন তারা।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের স্থিতাবস্থা জারির আদেশের প্রতিক্রিয়ায় গতকাল দুপুরে শাহবাগ মোড়ে অবরোধ কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
এদিকে সর্বোচ্চ আদালতে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে কোটার বিষয়টি। এ পর্যন্ত মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে– এমন কর্মসূচি বন্ধ করে আদালতের নির্দেশ মেনে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আদালত (আপিল বিভাগ) কোটা সংস্কার নিয়ে চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আশা করি, আদালত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেবেন।
রাজধানীর ১৭ স্থানে অবরোধ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে তৃতীয় দিনের মতো রাজধানীসহ সারাদেশে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। গতকাল সকাল ১০টার দিকে তারা বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় অবরোধে নামেন। রেলপথও আটকে দেওয়া হয়। বিকেল নাগাদ রাজধানীর অন্তত ১৭ স্থান অবরোধ করেন তারা। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে পুরো রাজধানী।
অবরোধের কারণে সকাল থেকে বিভিন্ন সড়কে আটকা পড়ে শত শত যানবাহন। এতে ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। বিশেষ করে চাকরিজীবী ও স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীরা বেশি বিপদে পড়েন। রাস্তায় যানবাহন চলাচল করতে না পারায় শিশু, নারী, বৃদ্ধসহ সবাই হেঁটেই গন্তব্যে যান।
আন্দোলনকারীরা সকালে রাজধানীর শাহবাগ ও সায়েন্স ল্যাব মোড় আটকে দেন। পরে একে একে কাঁটাবন, নীলক্ষেত, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, বিজয়সরণি, মহাখালী, চানখাঁরপুল, বঙ্গবাজার, শিক্ষা চত্বর, মৎস্য ভবন, জিপিও, গুলিস্তান, রামপুরা ব্রিজ, আগারগাঁও, হাতিরঝিল মোড়, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারসহ ১৭টির বেশির গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ‘ব্লকেড’ তৈরি করেন তারা।
মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফ্লাইওভার ও মগবাজার–সাতরাস্তা ফ্লাইওভারও ব্লক করে দেন আন্দোলনকারীরা। এ ছাড়া মহাখালী ও কারওয়ান বাজার রেলক্রসিংয়ে কাঠের গুঁড়ি ফেলে রেলপথ অবরোধ করেন তারা। এতে ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
মোড়ে মোড়ে অবস্থান
চানখাঁরপুলের মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের সামনে সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন। এতে ফ্লাইওভার দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বঙ্গবাজার, শিক্ষাচত্বর, মৎস্য ভবন, কাকরাইল, পল্টন মোড়ে শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিলে বন্ধ হয়ে যায় গাড়ি চলাচল।
দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে এলে অচল হয়ে পড়ে গুলিস্তান জিপিও মোড়।
এদিকে বিকেলে সচিবালয় ছুটির পর কর্মকর্তাদের গাড়ি ব্লকেডে আটকে যায়। দক্ষিণবঙ্গের ঢাকামুখী গাড়ি প্রবেশ ও বের হতে না পেরে গুলিস্তানের উভয় সড়কে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়।
এদিকে শাহবাগের পর সবচেয়ে জোরালো আন্দোলন হয় মহাখালী এলাকায়। সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা মূলত এখানে অবস্থান নেন। আমতলীতে মূল জমায়েত করে তারা। রেলক্রসিংয়ের পাশাপাশি ফ্লাইওভারের মুখেও অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।
আগারগাঁও এবং আশপাশ অঞ্চল অবরোধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০টায় শেকৃবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে ক্যাম্পাসজুড়ে স্লোগান–মিছিল দিয়ে আগারগাঁও মোড়ে জড়ো হন। এর পর শতাধিক শিক্ষার্থী আগারগাঁও মোড় অবরোধ করে রাখেন।
রেলপথ অবরোধে শিডিউল বিপর্যয়
দুপুর পৌনে ২টায় রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন থেকে যাত্রা করার কথা ছিল চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেসের। কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা রেলপথ অবরোধ করেন। ট্রেনটি প্রায় ৬ ঘণ্টা স্টেশনে আটকে থাকার পর রাত ৭টা ৫৫ মিনিটে যাত্রা করে।
গতকাল চট্টলার মতো অধিকাংশ ট্রেন বিলম্বে যাত্রা করেছে। মহাখালী রেলগেট ও কারওয়ান বাজারে তেজগাঁও রেলস্টেশন এলাকায় আন্দোলনকারীরা রেললাইনে অবস্থান নেওয়ায় দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে চলা ট্রেন বাদে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল। ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং ময়মনসিংহেও রেলপথ অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। রেলের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী জানান, পথে পথে রেললাইনে প্রতিবন্ধকতা থাকায় ট্রেন চালানো যায়নি।
অন্তত ২২টি ট্রেন রাজধানীতে ফিরতে এবং ফিরতি যাত্রায় বিলম্ব করছে। কমলাপুরের স্টেশনমাস্টার আনোয়ার হোসেন জানান, স্টেশনে আটটি আন্তঃনগর আটকা পড়েছিল। বিকেল সোয়া ৫টার পর সেগুলো যাত্রা করে।
বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন আটকা পড়ায় ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী। বুধবারের শিডিউল বিপর্যয়ের প্রভাব আরও কয়েক দিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন রেল কর্মকর্তারা।
মেট্রোরেলের যাত্রী ঠেকাতে ফটকে তালা
অবরোধের কারণে চলতে পারেনি সিএনজি অটোরিকশা, মোটরসাইকেলের মতো যানবাহনও। একমাত্র ভরসা ছিল মেট্রোরেল। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সচিবালয়–সংলগ্ন শিক্ষা ভবন মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে বিভিন্ন দপ্তরে সচিবরা পর্যন্ত আটকা পড়েন।
বাস না চলায় বিকেল ৫টার দিকে হাজার হাজার যাত্রী ভিড় করেন মেট্রোরেলের সচিবালয় স্টেশনে। একই চিত্র ছিল মতিঝিলসহ অন্য স্টেশনে। যাত্রীদের চাপ সামলাতে মতিঝিল স্টেশনে প্রবেশ ফটকে তালা দেয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার বিকেল পৌনে ৪টায় কারওয়ান বাজার স্টেশনে দেখা যায়, বসুন্ধরা সিটি প্রান্তের প্রবেশমুখে যাত্রীর সারি সিঁড়ি পর্যন্ত চলে এসেছে। সচিবালয় স্টেশনে সেই সারি দোতলার কনকোর্স লেভেল ছাড়িয়ে নিচের সিঁড়ি পর্যন্ত চলে আসে। নিচে থাকা যাত্রী নিয়ামুল করিম বলেন, আধাঘণ্টায় দোতলা পর্যন্ত যেতে পারিনি; টিকিট পাওয়া তো অনেক দূর। বাস চলছে না বলেই মেট্রোতে এসেছিলাম।
অটোরিকশায় চেপে সংসদে ইইউ রাষ্ট্রদূত
অবরোধের মধ্যে ভোগান্তিতে পড়েন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি। গতকাল জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা ছিল ইইউ রাষ্ট্রদূতের। গাড়ি নিয়ে আটকা পড়লে পরে তিনি সিএনজি অটোরিকশায় চেপে সংসদে যান।
ঢাকার বাইরেও অবরোধ
এদিকে কোটা পদ্ধতির সংস্কার দাবিতে গতকাল ঢাকা–চট্টগ্রাম রেলপথ অবরোধ করেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ফলে ১০টির বেশি ট্রেন আটকা পড়ে। এ ছাড়া প্রায় ১০ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ থাকায় অচল হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম নগরী। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও পথচারীর কয়েক দফা বাদানুবাদ এবং হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
বিক্ষোভকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছেড়ে আসা শাটল ট্রেন দেওয়ানহাট পর্যন্ত নেওয়ার দাবিতে শিক্ষার্থীরা ষোলশহর স্টেশনমাস্টারের কার্যালয় অবরোধ করেন। দাবির মুখে শাটল ট্রেনটি দেওয়ানহাট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় রেল কর্তৃপক্ষ। সন্ধ্যার দিকে আগামীকাল দুপুর আড়াইটা থেকে আবার রেলপথ অবরোধের কর্মসূচির ডাক দিয়ে আন্দোলন শেষ করেন তারা। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেন কাপ্তাই–রাঙ্গুনিয়া সড়ক।
একই দাবিতে সকালে ঢাকা–আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেন ঢাকা–জয়দেবপুর–শিমুলতলী সড়ক ও গাজীপুরে ঢাকা–রাজশাহী রেলপথ। ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেন ঢাকা–রংপুর মহাসড়ক। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন কুষ্টিয়া–খুলনা মহাসড়ক। জামালপুর–দেওয়ানগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
খুলনা–যশোর মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন খুলনার বিএল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় ঢাকা থেকে খুলনাগামী একটি ট্রেন আটকা পড়ে। ঢাকা–রাজশাহী মহাসড়ক আটকিয়ে বিক্ষোভ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বৃষ্টিতে ভিজেই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেন সিলেট–সুনামগঞ্জ মহাসড়ক। ঢাকা–পাবনা মহাসড়ক অবরোধ করেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এ ছাড়া সড়ক অবরোধ করে বরিশাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিভিন্ন কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।