জিন্দা পার্ক। এই পার্কের নাম শোনেনি এমন মানুষ বর্তমানে কমই মিলবে। রাজধানীর পূর্বাচলে পার্কটির অবস্থান। যদিও এই পার্কটি আজকের অবস্থায় টিকিয়ে রাখতে অনেক আন্দোলন আর রাজপথে লড়তে হয়েছে। সেখানকার গ্রামবাসীরাই একজন কুসুমের নেতৃত্বে অগ্রপথিক পল্লী সমিতি গড়ার মাধ্যমে পার্কটি গড়ে তোলে। আজ সেখানকার সবুজ প্রকৃতি আর বনায়ন পুরো দেশের জন্যই একটি দৃষ্টান্ত। অথচ এই পার্কটি রাজউক অধিগ্রহণের মাধ্যমে আবাসিক এলাকা গড়তে চেয়েছিল। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় প্রকৃতিপ্রেমী কিছু মানুষ। সেখানকার সেই উত্তাপে আঁচ লাগে ঢাকায় বাসরত সুধীজনদেরও। ঢাকার অনেক বিশিষ্টজন ছুটে যান জিন্দা পার্কে।
প্রতিবাদ জানান। পার্কটি রক্ষা পায় উন্নয়নের লাল ফিতা থেকে। তীব্র দাবদাহে যখন মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত ঠিক তখন জিন্দা পার্ক পূর্বাচল এলাকার শান্তির বাতায়ন। সেই পার্কেই ৮ই মার্চ বিশ্বনারী দিবসে প্রবীণবান্ধব বাংলাদেশ চাই (প্রবা) আয়োজন করেছিল এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের। কথা ছিল পার্কের অন্যতম উদ্যোক্তা কুসুমের লড়াকু জননী মমতাজ বেগমকে সম্মাননা জানানো হবে। কিন্তু অসুস্থতাজনিত কারণে তা সম্ভব হয়নি। সেই আয়োজনের পূর্ণতা পেলো অনেকটা পরে। গত ১৯শে এপ্রিল মমতাজ বেগমকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন প্রবা সভাপতি মিতালী হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাকিব হাসান সেলিম, পরিচালক মৌটুসি খন্দকার ও কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য চুমকি মজুমদার। এ সময় আরওা উপস্থিত ছিলেন অগ্রপথিক পল্লী সমিতির সদস্যবৃন্দ।