তাপদাহে নাভিশ্বাস উঠেছে জনজীবনে। তাছাড়া অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রেললাইন বেঁকে যেতে পারে; রেলের ভাষায় যাকে বলা হয় বাকলিং। তাই অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইনে ট্রেনের গতি কমিয়ে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত পূর্বাঞ্চল রেলপথে এ নির্দেশিত গতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিতভাবে ট্রেন চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে কেবিন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম–ঢাকা রেলপথের আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন, লাকসাম ও লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে টঙ্গী রেলওয়ে জংশন স্টেশন পর্যন্ত এবং আখাউড়া–সিলেট রেলপথের আখাউড়া থেকে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনসহ সব যাত্রীবাহী ট্রেন ৪০ কিলোমিটার এবং মালবাহী কন্টেইনার ট্রেন সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটার গতিবেগে চলাচল করবে।
আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী (এইএন) মো. মেহেদি হাসান তারেক যুগান্তরকে জানান, অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রেললাইন বেঁকে যেতে পারে, রেলের ভাষায় যাকে বলা হয় বাকলিং। অতি তাপমাত্রায় রেললাইন বেঁকে গিয়ে দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকে। যে কারণে পূর্বাঞ্চল রেলপথ আন্তঃনগর, মেইলসহ সব যাত্রীবাহী ট্রেনের গতি কমিয়ে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন সুপারিন্টেন্ডেন্ট নুরুন্নবী যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা রেলওয়ে সেন্ট্রাল কন্ট্রোল থেকে জানানো হয়েছে চট্টগ্রাম–ঢাকা রেলপথের আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন, লাকসাম ও লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে টঙ্গী রেলওয়ে জংশন স্টেশন পর্যন্ত এবং আখাউড়া–সিলেট রেলপথের আখাউড়া থেকে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনসহ সব যাত্রীবাহী ট্রেন ৪০ কিলোমিটার এবং মালবাহী কন্টেইনার ট্রেন সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটার গতিবেগে চলাচল করবে।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলেও স্টেশন সুপারিন্টেন্ডেন্ট নুরুন্নবী জানিয়েছেন।