ভারতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলাকালেই নেতৃত্ব ছাড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন সাকিব আল হাসান। এবার সেটিই বাস্তবায়ন করল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টি; তিন সংস্করণেই নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়েছে সাকিবকে। তার জায়গায় পূর্ণকালীন মেয়াদে এই তিন সংস্করণের অধিনায়ক করা হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তকে।
আজ সোমবার মিরপুরের শের–ই–বাংলায় বিসিবির বোর্ড সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তকে অধিনায়ক ঘোষণা করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। বাংলাদেশকে অন্তত ১ বছর শান্ত নেতৃত্ব দেবেন।
তামিম ইকবাল দায়িত্ব ছাড়ার পর পূর্ণকালীন মেয়াদে গত আগস্ট মাসে ওয়ানডে ক্রিকেটের অধিনায়ক করা হয়েছিল সাকিব আল হাসানকে। আগে থেকেই ছিলেন টেস্ট ও টি–টোয়েন্টির অধিনায়ক। এর পর থেকে তিন সংস্করণেই অধিনায়কের দায়িত্ব ছিল সাকিবের কাঁধে। তার নেতৃত্বেই শ্রীলংকা–পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ ও ভারত বিশ্বকাপে খেলে বাংলাদেশ।
তিন সংস্করণে এর আগেও অবশ্য অধিনায়কত্ব করেছেন সাকিব। ২০১৭ সালের এপ্রিলে সাকিব আল হাসানকে টি–টোয়েন্টির দায়িত্ব দিয়ে তিন ফরম্যাটে তিন অধিনায়কের যুগে প্রবেশ করেছিল বাংলাদেশ।
বিশ্বকাপের পর থেকেই তিন সংস্করণে বাংলাদেশ দলের অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন শান্ত। এবার আনুষ্ঠানিকভাবেই দায়িত্ব পেলেন তিনি। তার নেতৃত্বেই নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টি ম্যাচ জেতে বাংলাদেশ।
সব সংস্করণ মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশকে ১১ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন শান্ত। এর মধ্যে কিউইদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজও ছিল। সেখানে এক ম্যাচে হার ও একটিতে জয়ের মুখ দেখে বাংলাদেশ।
তবে ওয়ানডের পরিসংখ্যান খুব একটা ভালো নয় শান্তর জন্য। তার নেতৃত্বে খেলা ৬ ওয়ানডের ৫টিতেই হেরেছে টাইগাররা, জয় একটিতে। টি–টোয়েন্টিতে এই পাল্লা আবার সমান সমান। ৩টি ম্যাচে একটি করে জয় ও হার, বাকি ত্যক্ত।