দণ্ডিত জঙ্গি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ছাড়া কাউকে ডাণ্ডাবেড়ি না পরানোর বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র প্রতিপালনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি মো: আতাবুল্লাহর ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ তথ্য জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মাকসুতদ উল্লাহ।
গত ১৫ জানুয়ারি বাবার জানাজায় ছাত্রদলের এক নেতাকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে আনার বিষয়টি হাইকোর্টের দৃষ্টিতে আনেন বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ওইদিন আদালত এ বিষয়ে সরাসরি রিট করতে বলেন। পরে গত ১৬ জানুয়ারি বাবার জানাজায় ছাত্রদলের এক নেতাকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে আনার ঘটনা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। রিটে দেশের সব কারাগারে গণহারে ডাণ্ডাবেড়ি পরানো বন্ধ চাওয়া হয়।
‘ডাণ্ডাবেড়ি পায়ে বাবার জানাজা পড়লেন ছাত্রদল নেতা’ শিরোনামে গত ১৩ জানুয়ারি সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ডাণ্ডাবেড়ি পরা অবস্থায় বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন ছাত্রদল নেতা মো: নাজমুল মৃধা। সময় সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে নির্ধারিত জানাজার আগেই আয়োজন করা হয় বিশেষ জানাজার। গত শনিবার বেলা তিনটার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামে ওই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার সময় নাজমুলের হাতকড়া খুলে দেয়া হলেও খোলা হয়নি পায়ের ডাণ্ডাবেড়ি। মো: নাজমুল মৃধা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। জানাজা শেষে তাকে আবার পটুয়াখালী জেলা কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ। এ প্রতিবেদন যুক্ত করা হয় রিটে।
ডরটের রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ। সরকারপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষারকান্তি।