Sunday, August 31, 2025
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
  • হোম
  • ই-সংখ্যা
  • অডিও বই
  • গান
  • সকল সংখ্যা
  • তথ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • বহির্বিশ্ব
  • সম্পাদকীয়
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
No Result
View All Result
দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা
No Result
View All Result

১০ মাসে ৩৮টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

alorfoara by alorfoara
January 14, 2024
in বাংলাদেশ, সংখ্যা ৬৭ (১৩-০১-২০২৪), সিলেট
0
0
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

পরিবেশ–প্রতিবেশের প্রভাব, অবাসস্থল, খাদ্য ও পানির সংকট ইত্যাদি কারণে বন্যপ্রাণীরা বন ছেড়ে লোকালয়ে এসে ধরা পড়ছে মানুষের হাতে। আবার কোনো কোনো প্রাণী গাড়ি চাপায় এবং মানুষের হাতে মারাও যাচ্ছে। তবে সচেতন মানুষ লোকালয়ে বন্য কিংবা বিপন্ন প্রাণী দেখলে বন বিভাগ বা শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজলকে খবর দেন। খবর পেয়ে তিনি বন বিভাগের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে অক্ষত অবস্থায় প্রাণী উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগে হস্তান্তর করেন। গত ১০ মাসে শ্রীমঙ্গলে খাদ্য, পানি ও আবাসস্থল সংকটে বন ছেড়ে লোকালয়ে আসা ৩৮টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সদর ইউনিয়নের রূপসপুর গ্রামে অবস্থিত সীতেশ বাবুর মিনি চিড়িয়াখানা নামে অধিক পরিচিত বন্যপ্রাণীদের আশ্রয়কেন্দ্র বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল জানান, ২০২৩ সালের ১৭ই মার্চ থেকে ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাহাড়–বন–জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে আসা বিভিন্ন প্রজাতির বিপন্ন এবং বিরল জীবিত ও মৃত মোট ৩৮টি বন্যপ্রাণীকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। এরপর অক্ষত ৩৭ প্রাণীকে বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি জানান, উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীদের মধ্যে রয়েছে ১৭টি অজগর সাপ, লজ্জাবতী বানর ৮টি, বন বিড়াল ৪টি, শঙ্খিণী সাপ ৩টি, গন্ধগোকুল ২টি, রেড আইক্যাট স্নেক ২টি, ধূসর ফণীমনসা সাপ ১টি এবং পেঁচা ১টি। লোকালয়ে আসা বন্যপ্রাণীগুলো শ্রীমঙ্গল শহর এবং শহরতলীর বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় বলে তিনি জানান।

১৯৬৫ সালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার পশুপ্রেমিক শ্রীস চন্দ্র দেব নিজ উদ্যোগে সদর ইউনিয়নের নেয়াগাঁও গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্র। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় আশ্রয়কেন্দ্রটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

বিজ্ঞাপন

১৯৭২ সালে শ্রীস চন্দ্র দেবের ছেলে সীতেশ রঞ্জন দেব তার আর.কে মিশন রোডের বাসায় ক্ষুদ্র পরিসরে পুনরায় চালু করেন আশ্রয় কেন্দ্রটি। পরবর্তীতে রূপসপুর গ্রামে নিজের সাড়ে পাঁচ বিঘা জমির খামারবাড়িতে এটি স্থানান্তর করেন। সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে যার নামকরণ করেন বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বন ছেড়ে খাদ্য ও বাসস্থানের সন্ধানে লোকালয়ে আসা প্রাণীদের উদ্ধার করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ, সেবা ও চিকিৎসা দিয়ে পুনরায় বনে ফিরিয়ে দেয়া হয়। যে প্রাণীগুলো বনের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না; বা সুস্থ নয়, এমন প্রাণীদের এখানে রেখেই পরিচর্যা করা হচ্ছে বলে জানান বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সীতেশ রঞ্জন দেব।  বর্তমানে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে অর্ধশতাধিক বিপন্ন ও বিরল প্রজাতির প্রাণী রয়েছে বলে জানান ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল। তিনি জানান, এখানে উল্লেখযোগ্য প্রাণীদের মধ্যে মেছো বিড়াল (যা মেছো বাঘ নামে পরিচিতি), ভল্লুক, উল্লুক, চশমা হনুমান, গাধা, লজ্জাবতী বানর, চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, ইমু পাখি, গন্ধগোকুল, অজগর, শঙ্খিণীসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, সাধারণ প্রজাতির বানর, ধূসর বানর, সোনালি বিড়াল, বন বিড়াল, হিমালয়ান পাম সিভিট, হনুমান, বনরুই, গুইসাপ, বন্য শূকর, উড়ন্ত কাঁঠবিড়ালি, বোম্বেটিনকেট গ্লেইক, ধনেশ পাখি, কাছিম, পেঁচা, বাজপাখি, শকুন, ময়নাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে। তিনি বলেন, গত বছর (২০২৩) বিরল প্রজাতির ১টি বনবিড়ালকে আমরা রাস্তা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করি। অন্যান্য প্রজাতির ৩৭টি প্রাণীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। সাধারণ মানুষ যখন লোকালয়ে আসা বন্যপ্রাণীদের খবর আমাদের জানান, তখন আমরা সেগুলো উদ্ধার করে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করি। এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন থেকে অক্ষত অবস্থায় যেসব বন্যপ্রাণী আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল সেসব জীবিত বন্য প্রাণীকে লাউয়াছড়া বনে অবমুক্ত করেছি এবং মৃত প্রাণীকে মাটি চাপা দেয়া হয়েছে।

পরিবেশ–প্রতিবেশের প্রভাব, অবাসস্থল, খাদ্য ও পানির সংকট ইত্যাদি কারণে বন্যপ্রাণীরা বন ছেড়ে লোকালয়ে এসে ধরা পড়ছে মানুষের হাতে। আবার কোনো কোনো প্রাণী গাড়ি চাপায় এবং মানুষের হাতে মারাও যাচ্ছে। তবে সচেতন মানুষ লোকালয়ে বন্য কিংবা বিপন্ন প্রাণী দেখলে বন বিভাগ বা শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজলকে খবর দেন। খবর পেয়ে তিনি বন বিভাগের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে অক্ষত অবস্থায় প্রাণী উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগে হস্তান্তর করেন। গত ১০ মাসে শ্রীমঙ্গলে খাদ্য, পানি ও আবাসস্থল সংকটে বন ছেড়ে লোকালয়ে আসা ৩৮টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সদর ইউনিয়নের রূপসপুর গ্রামে অবস্থিত সীতেশ বাবুর মিনি চিড়িয়াখানা নামে অধিক পরিচিত বন্যপ্রাণীদের আশ্রয়কেন্দ্র বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল জানান, ২০২৩ সালের ১৭ই মার্চ থেকে ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাহাড়–বন–জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে আসা বিভিন্ন প্রজাতির বিপন্ন এবং বিরল জীবিত ও মৃত মোট ৩৮টি বন্যপ্রাণীকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। এরপর অক্ষত ৩৭ প্রাণীকে বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি জানান, উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীদের মধ্যে রয়েছে ১৭টি অজগর সাপ, লজ্জাবতী বানর ৮টি, বন বিড়াল ৪টি, শঙ্খিণী সাপ ৩টি, গন্ধগোকুল ২টি, রেড আইক্যাট স্নেক ২টি, ধূসর ফণীমনসা সাপ ১টি এবং পেঁচা ১টি। লোকালয়ে আসা বন্যপ্রাণীগুলো শ্রীমঙ্গল শহর এবং শহরতলীর বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় বলে তিনি জানান।

১৯৬৫ সালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার পশুপ্রেমিক শ্রীস চন্দ্র দেব নিজ উদ্যোগে সদর ইউনিয়নের নেয়াগাঁও গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্র। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় আশ্রয়কেন্দ্রটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

১৯৭২ সালে শ্রীস চন্দ্র দেবের ছেলে সীতেশ রঞ্জন দেব তার আর.কে মিশন রোডের বাসায় ক্ষুদ্র পরিসরে পুনরায় চালু করেন আশ্রয় কেন্দ্রটি। পরবর্তীতে রূপসপুর গ্রামে নিজের সাড়ে পাঁচ বিঘা জমির খামারবাড়িতে এটি স্থানান্তর করেন। সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে যার নামকরণ করেন বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বন ছেড়ে খাদ্য ও বাসস্থানের সন্ধানে লোকালয়ে আসা প্রাণীদের উদ্ধার করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ, সেবা ও চিকিৎসা দিয়ে পুনরায় বনে ফিরিয়ে দেয়া হয়। যে প্রাণীগুলো বনের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না; বা সুস্থ নয়, এমন প্রাণীদের এখানে রেখেই পরিচর্যা করা হচ্ছে বলে জানান বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সীতেশ রঞ্জন দেব।  বর্তমানে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে অর্ধশতাধিক বিপন্ন ও বিরল প্রজাতির প্রাণী রয়েছে বলে জানান ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল। তিনি জানান, এখানে উল্লেখযোগ্য প্রাণীদের মধ্যে মেছো বিড়াল (যা মেছো বাঘ নামে পরিচিতি), ভল্লুক, উল্লুক, চশমা হনুমান, গাধা, লজ্জাবতী বানর, চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, ইমু পাখি, গন্ধগোকুল, অজগর, শঙ্খিণীসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, সাধারণ প্রজাতির বানর, ধূসর বানর, সোনালি বিড়াল, বন বিড়াল, হিমালয়ান পাম সিভিট, হনুমান, বনরুই, গুইসাপ, বন্য শূকর, উড়ন্ত কাঁঠবিড়ালি, বোম্বেটিনকেট গ্লেইক, ধনেশ পাখি, কাছিম, পেঁচা, বাজপাখি, শকুন, ময়নাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে। তিনি বলেন, গত বছর (২০২৩) বিরল প্রজাতির ১টি বনবিড়ালকে আমরা রাস্তা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করি। অন্যান্য প্রজাতির ৩৭টি প্রাণীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। সাধারণ মানুষ যখন লোকালয়ে আসা বন্যপ্রাণীদের খবর আমাদের জানান, তখন আমরা সেগুলো উদ্ধার করে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করি। এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন থেকে অক্ষত অবস্থায় যেসব বন্যপ্রাণী আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল সেসব জীবিত বন্য প্রাণীকে লাউয়াছড়া বনে অবমুক্ত করেছি এবং মৃত প্রাণীকে মাটি চাপা দেয়া হয়েছে।

ShareTweet
Next Post
কুয়াশায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে যানবাহন

কুয়াশায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে যানবাহন

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

  • Amy1660 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Valerie2737 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
  • Haven4448 on ছাড়া পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Recent News

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি, জবাব চাইল আদালত

August 31, 2025
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

August 31, 2025
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা

No Result
View All Result
  • ১ করিন্থীয়
  • ২ করিন্থীয়
  • Home 2
  • Home 3
  • Home 4
  • Home 5
  • Home 6
  • Sample Page
  • অজানাকে জানা
  • অডিও বই
  • অভিযান
  • আমরা কীভাবে প্রার্থনা করি?
  • আলোর দিশারী
  • আলোর ফোয়ারা
  • আলোর যাত্রী
  • ই-সংখ্যা
  • ইউহোন্না
  • কিতাবুল মুক্কাদ্দাস
  • ক্যাটাগরি
  • খো-ই-মহব্বত্
  • খোদার নাজাত আপনার জন্যও প্রস্তুত
  • গান
  • গালাতীয়
  • জীবন দাতা
  • জীবনের আহবান- ৩
  • জীবনের আহবান-১
  • জীবনের আহবান-২
  • জীবনের আহবান-৪
  • দৃষ্টি খুলে দাও
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ১
  • নাজাত লাভের উপায় কী?- ২
  • নিবেদন
  • নূরের প্রদীপ
  • প্রশংসা গীত (কোরাস্)
  • প্রেরিত
  • বিজয়
  • বিমূর্ত প্রেম
  • মথি
  • মসীহ্ সম্বন্ধে আপনি কি চিন্তা করেন?
  • মার্ক
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
  • রোমীয়
  • লূক
  • সকল সংখ্যা
  • সম্পাদকীয়
  • সেতু

দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা