দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের চট্টগ্রাম অলংকার মোড়ে দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা চলছে চাঁদাবাজি। ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কয়েক গজের মধ্যেই চাঁদাবাজি চললেও নীরব ভূমিকা পালন করছে ট্রাফিক পুলিশ।
নিমতলা বিশ্বরোড হতে ফকিরহাট পর্যন্ত ১৩নং রোডে ম্যাক্সিমা চলার অনুমোদন রয়েছে ১১৮টা; কিন্তু চাঁদা দিয়ে এ সড়কে রোড পারমিটবিহীন আরও ৪০ ম্যাক্সিমা গাড়ি চলছে দীর্ঘদিন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চালকরা বলেন, দৈনিক ৫০ টাকা, প্রতি গাড়ি থেকে মাসিক আরও দুই হাজার টাকা করে ৪০টা গাড়ি হতে প্রায় লাখ টাকা আদায় করছে একটি কথিত শ্রমিক সংগঠন। তাছাড়া শুরুতে প্রতি গাড়ি হতে পাঁচ হাজার টাকা ভর্তির নামে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। মাসিক চাঁদা, দৈনিক চাঁদা মিলে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে জানান একাধিক মালিক ও চালক।
স্থানীয় দোকানিরা বলেন, মাঝেমধ্যে শ্রমিক নেতাকর্মী ও চালকের মধ্য চাঁদা নিয়ে বাগবিতণ্ডা দেখা যায়। পাশাপাশি সড়কে যানজট লেগেই থাকে।
ওই শ্রমিক সংগঠনের নেতা নাছির, আলমগীর, সুমন, বাবু ও বাহার বলেন, আমরা শ্রমিক সংগঠনের জন্য চাঁদা তুলি। শ্রমিকদের কল্যাণে এই চাঁদার টাকা ব্যয় করা হয়। তবে এই চাঁদার টাকা ট্রাফিক পুলিশও একটা অংশ পায়। ট্রাফিক পুলিশ চাঁদা না পেলে গাড়ি চালানোর ক্ষমতা কারো নেই বলে জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, রোড পারমিটবিহীন ৪০টা ম্যাক্সিমা গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বরের তালিকা প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।
এ বিষয়ে পাহাড়তলী ও অলংকার টিআই অমলেন্দু যুগান্তরকে বলেন, আমি কোনো সংগঠন সম্পর্কে অবগত নেই। রোড পারমিটবিহীন ৪০টা গাড়ির নম্বর আমাকে কেউ দেয়নি। শ্রমিক সংগঠন চাঁদা তুললে আমি কী করব?
ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে কিভাবে পরিবহণে চাঁদাবাজি হয় বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।