ধর্ষণ করতে গিয়ে গৃহবধূর ব্লেডের আঘাতে গোপনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত হয় জাকির খানের। পরে ওই যুবকের নামে মামলা করেন গৃহবধূ।
ওই মামলায় জাকির খান বৃহস্পতিবার হাজির হলে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও সিনিয়র জেলা জজ মো. মশিউর রহমান খান জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।
জাকির খান বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কড়ইতলা গ্রামের বেলায়েত খানের ছেলে।
জানা যায়, গৃহবধূর স্বামী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। কাজের তাগিদে বিভিন্ন স্থানে কাজ করেন। প্রতিবেশী জাকির খান প্রায়ই ওই গৃহবধূর ঘরে এসে উত্ত্যক্ত করেন। ১৬ জুলাই রাতে গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে গভীর রাতে জাকির খান গৃহবধূর ঘরে কৌশলে ঘরের দরজা খুলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। গৃহবধূ নিজেকে রক্ষা করার জন্য বিছানার নিচ থেকে ব্লেড বের করে জাকির খানের গোপনাঙ্গ আংশিক কেটে দেন। কাটা গোপনাঙ্গ নিয়ে জাকির খান পালিয়ে যান।
গৃহবধূ বলেন, আমার সতীত্ব রক্ষার জন্য ব্লেড দিয়ে জাকির খানের গোপনাঙ্গ আংশিক কেটে দেই। আমি ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করি। পুলিশ তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। সেই মামলায় জাকির খান আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক জাকির খানকে হাজতে পাঠান।
ওই আদালতের পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা থাকায় জাকির খানের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।
জাকির খানের আইনজীবী মো. আবদুল মোতালেব মিয়া বলেন, এটি একটি সাজানো মামলা। আমরা আবার জামিনের আবেদন করব। আশা করি প্রকৃত সত্য বের হয়ে আসবে।