‘দিন শেষে সব দোষ নন্দ ঘোষের। আনন্দবাবু তো তুলসীপাতা, তাও আবার ধোয়া, যায় না তাকে ছোঁয়া। নন্দ ঘোষের মুখে তালা, ভয়–ভীতিও আছে, পাছে সবাই করে ছি–ছি তারে, কেটে দেয় তার ডালপালা যদিও একটু বাড়ে। থাক, এবার না হয় বাঁচুক প্রাণ, কে নেবে, যদি রাখে ঈশ্বর মানীর মান। ‘দুষ্ট লোক এবার দিলেও ফাঁকি, মনে রেখো, তার হিসেব রইলো শ’খানেক বাকি !’-বুধবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকের এমন কবিতার ছন্দে হতবাক অনেকেই। সম্প্রতি অভিনয়শিল্পী সংঘ, ডিরেক্টরস গিল্ড ও টেলিপ্যাব বিচার সভায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে চার দফা শাস্তি দিয়েছে। এগুলো হচ্ছে–আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা, লিখিত অঙ্গীকার, জিডি প্রত্যাহার ও অর্থ জরিমানা।
এদিকে শিল্পী সংঘের নির্দেশনা প্রকাশ্যে আসার একদিন পর সরব হলেন অভিনেত্রী চমক। বুধবার রাতেই তিনি এই পোস্ট দেন সোশ্যাল হ্যান্ডেলে।
উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট আদিফ হাসানের পরিচালনায় নির্মাণাধীন নাটক ‘শ্বশুরবাড়ির প্রথম দিন’র সেটে তর্কাতর্কি, পুলিশ আসা এবং শূটিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। জানা যায়, এদিন সেটে উত্তেজিত অবস্থায় নির্মাতা ও সহশিল্পীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন অভিনেত্রী চমক। এরপর নিজের নিরাপত্তার কথা বলে পুলিশও ডেকে আনেন। এ ঘটনায় নাটকটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
এ নিয়ে ডিরেক্টরস গিল্ড, অভিনয়শিল্পী সংঘ এবং টেলিভিশন এবং ডিজিটাল প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টেলিপ্যাব) দপ্তরে অভিযোগ জমা পড়ে। সেটার নিরিখেই বিচার সভা অনুষ্ঠিত হয়। যদিও ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সহ–অভিনেতা আরশ খানের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার মতো গুরুতর অভিযোগ তোলেন চমক। শুধু তাই নয়, আরশ ও পরিচালক আদিফ হাসানের বিরুদ্ধে থানায় জিডি পর্যন্ত করেছেন। তবে তিন সংগঠনের বিচার সভায় তার সব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। যার কারণে তাকে সাংগঠনিক শাস্তি দেওয়া হয়েছে।