স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে ও অপরিকল্পিত ঘর–বাড়ি নির্মাণে পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকাতেই এ প্লাবন হচ্ছে। আর এ কারণে অনেক এলাকায় হাটু সমান পানি। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে প্রচুর বেগ পেতে হচ্ছে।
শিকারপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার লোকমান হাকিম বলেন, আমার জন্ম থেকে এতো পানি আর কোনোদিনও দেখি নাই। এলাকায় বন্যার পানিবন্দী জনগণের খবরাখবর নিতে গিয়ে দেখতে পেলাম– শিকারপুর ইউনিয়ন কুয়াইশ ৮নম্বর ওয়ার্ডের চহুর খান হাট, দক্ষিণ কুয়াইশ গোয়ালের দোকান, হিন্দুপাড়া, শিলপাড়া, বোর্ডস্কুল, গোলআম গাছতল এলাকার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে।
তিনি বলেন, এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জনসাধারণকে অনেক কষ্টের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। তাছাড়া আমাদের ইউনিয়নের সব রোডে দুই–তিন ফুট পর্যন্ত পানি উঠে আসায় জনসাধারণের চলাচল করতে অসুবিধা হচ্ছে। পশ্চিম কুয়াইশ, ভরাপুকুর এলাকায় পানির নিচে অনেক ঘর।দি সাপ্তাহিক আলোর ফোয়ারা